০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আলমডাঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
পুলিশ জানায়, ২৫ মার্চ রাত প্রায় ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর বেলেদাড়ি এলাকার একটি আমবাগানে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত কবিতা নামে এক নারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং তাকে ফুঁসলিয়ে সেখানে নিয়ে যান। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে আমবাগানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাতগাড়ি গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং আব্দুস সালাম। তারা সবাই আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার তথ্য ও অভিযোগ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, কবিতা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে তাকে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বাজারে যেতে রাজি করান। সেখানে পৌঁছানোর পর আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী, আদম আলী ও মিজানের সহায়তায় তাকে আমবাগানে নিয়ে যায় এবং পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তাকে চুপ থাকার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তাকে আবার বাজারে রেখে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার স্বামীকে বিষয়টি জানান। স্বামীর পরামর্শে তিনি ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশের অভিযান ও বক্তব্য
অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত অভিযান শুরু করে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। দ্রুত ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আলমডাঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নারীসহ ৬ জন গ্রেপ্তার

০৮:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নারীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

ঘটনার বিবরণ
পুলিশ জানায়, ২৫ মার্চ রাত প্রায় ১০টার দিকে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর বেলেদাড়ি এলাকার একটি আমবাগানে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত কবিতা নামে এক নারী ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন এবং তাকে ফুঁসলিয়ে সেখানে নিয়ে যান। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে আমবাগানে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাতগাড়ি গ্রামের ফয়সালের স্ত্রী কবিতা, মিজান, সামাদ আলী, আদম, শাহজাহান এবং আব্দুস সালাম। তারা সবাই আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার তথ্য ও অভিযোগ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, কবিতা ভুক্তভোগীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে তাকে ইজিবাইকে করে চুয়াডাঙ্গা বাজারে যেতে রাজি করান। সেখানে পৌঁছানোর পর আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলী, আদম আলী ও মিজানের সহায়তায় তাকে আমবাগানে নিয়ে যায় এবং পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তাকে চুপ থাকার জন্য হুমকিও দেওয়া হয়। পরে তাকে আবার বাজারে রেখে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী তার স্বামীকে বিষয়টি জানান। স্বামীর পরামর্শে তিনি ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশের অভিযান ও বক্তব্য
অভিযোগ পাওয়ার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত অভিযান শুরু করে পুলিশ। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান বলেন, এটি একটি অত্যন্ত জঘন্য অপরাধ। দ্রুত ও ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা পুলিশ এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বজায় রাখবে।