০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের থাইল্যান্ডে চিকিৎসার আবেদন নাকচ

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ হয়েছে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এক সময়ের সহকারী একান্ত সচিব মোয়াজ্জেম হোসেনের। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন।

আদালতের সিদ্ধান্ত
মঙ্গলবার আবেদনটির ওপর শুনানি শেষে মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ মোয়াজ্জেম হোসেনের বিদেশ যাওয়ার আবেদন নাকচ করেন। এ বিষয়ে বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন আদালতের আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেন। শুনানিতে মোয়াজ্জেমের পক্ষে আইনজীবী মো. রায়হান যুক্তি উপস্থাপন করেন।

আইনজীবীর দাবি
শুনানিকালে আইনজীবী আদালতকে জানান, মোয়াজ্জেম হোসেনকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো কর্মকাণ্ডের প্রমাণ নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মোয়াজ্জেমের স্পাইনাল কর্ডে গুরুতর আঘাত লাগে এবং সেখান থেকে তরল নিঃসরণের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই জটিল অবস্থার চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির জন্য সেখানে চিকিৎসকের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত আছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।

তবে এসব যুক্তি উপস্থাপনের পরও আদালত আবেদনটি গ্রহণযোগ্য মনে করেননি এবং তা খারিজ করেন।

পটভূমি ও নিয়োগ প্রসঙ্গ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। উপদেষ্টা হওয়ার পর তিনি নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু মোয়াজ্জেম হোসেনকে সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও পরবর্তী ব্যবস্থা
পরবর্তীতে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে বলা হয়, এপিএস পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদবির ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব অভিযোগ সামনে আসার পর গত বছরের ২১ এপ্রিল তাকে এপিএস পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২২ মে দুর্নীতি দমন কমিশন মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর দুই দিন পর আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং একই সঙ্গে তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করার নির্দেশ দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের থাইল্যান্ডে চিকিৎসার আবেদন নাকচ

০৭:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে করা আবেদন খারিজ হয়েছে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এক সময়ের সহকারী একান্ত সচিব মোয়াজ্জেম হোসেনের। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন।

আদালতের সিদ্ধান্ত
মঙ্গলবার আবেদনটির ওপর শুনানি শেষে মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ মোয়াজ্জেম হোসেনের বিদেশ যাওয়ার আবেদন নাকচ করেন। এ বিষয়ে বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন আদালতের আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেন। শুনানিতে মোয়াজ্জেমের পক্ষে আইনজীবী মো. রায়হান যুক্তি উপস্থাপন করেন।

আইনজীবীর দাবি
শুনানিকালে আইনজীবী আদালতকে জানান, মোয়াজ্জেম হোসেনকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কিংবা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো কর্মকাণ্ডের প্রমাণ নেই বলে দাবি করা হয়। আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, পড়ে যাওয়ার ঘটনায় মোয়াজ্জেমের স্পাইনাল কর্ডে গুরুতর আঘাত লাগে এবং সেখান থেকে তরল নিঃসরণের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই জটিল অবস্থার চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির জন্য সেখানে চিকিৎসকের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত আছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।

তবে এসব যুক্তি উপস্থাপনের পরও আদালত আবেদনটি গ্রহণযোগ্য মনে করেননি এবং তা খারিজ করেন।

পটভূমি ও নিয়োগ প্রসঙ্গ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। উপদেষ্টা হওয়ার পর তিনি নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু মোয়াজ্জেম হোসেনকে সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও পরবর্তী ব্যবস্থা
পরবর্তীতে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে বলা হয়, এপিএস পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদবির ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব অভিযোগ সামনে আসার পর গত বছরের ২১ এপ্রিল তাকে এপিএস পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২২ মে দুর্নীতি দমন কমিশন মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর দুই দিন পর আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং একই সঙ্গে তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্লক করার নির্দেশ দেন।