১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

ইংল্যান্ডকে হারাতে হলে ভারতকে নিজেদের ‘সেরা খেলা’ উপহার দিতেই হবে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালকে সামনে রেখে ভারতীয় শিবিরে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে হারাতে হলে ভারতকে নিজেদের সর্বোচ্চ মানের ক্রিকেট খেলতে হবে। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, আর সেই চ্যালেঞ্জ জিততে হলে ভুলের সুযোগ খুবই কম।

সুপার এইটে সঞ্জু স্যামসনের ঝলক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের নির্ণায়ক ম্যাচে ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন সঞ্জু স্যামসন। ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তিনি খেলেন অপরাজিত ৯৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তাঁর ব্যাটেই নিশ্চিত হয় জয়।

গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন স্যামসন, যেখানে তিনি করেন ২২ রান। তখন ভারতের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিলেন বাঁহাতি ওপেনার ইশান কিশান ও অভিষেক শর্মা। পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডারে ডানহাতি ভারসাম্য আনতে আবার দলে ফেরানো হয় স্যামসনকে।

৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার সুযোগ পেয়ে কোচের আস্থা পুরোপুরি সার্থক করেন। ম্যাচ শেষে গম্ভীর বলেন, সঞ্জু যে কতটা প্রতিভাবান, তা সবাই জানে। প্রয়োজন ছিল কেবল তার পাশে দাঁড়ানো। দলের যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, তখনই সে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি আরও জানান, স্যামসন বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং সামনে তার কাছ থেকে এমন আরও ইনিংস প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের শক্ত অবস্থান

সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। পুরো টুর্নামেন্টে তারা অন্যতম ধারাবাহিক ও আত্মবিশ্বাসী দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। বড় ব্যক্তিগত ইনিংসের সঙ্গে দলগত লড়াইয়ের মানসিকতা মিলিয়ে তারা শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।

অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক সুপার এইটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫১ বলে ১০০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সেই ম্যাচে নাটকীয় দুই উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করা প্রথম খেলোয়াড় হন ব্রুক। তাঁর পারফরম্যান্স দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

ওয়াংখেড়ে বড় পরীক্ষা

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। গম্ভীর স্বীকার করেছেন, এই মাঠে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে তিনি এটিকে বিশেষ কিছু করার সুযোগ হিসেবেই দেখছেন। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড বিশ্বমানের দল এবং তাদের দলে একাধিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে।

সবশেষে গম্ভীরের বার্তা পরিষ্কার—ভারতকে নিজেদের সেরা খেলা খেলতেই হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি বিভাগে সফল হতে পারলে এবং চাপে স্থির থাকতে পারলে, তবেই দেশের জন্য বড় সাফল্য এনে দেওয়া সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

ইংল্যান্ডকে হারাতে হলে ভারতকে নিজেদের ‘সেরা খেলা’ উপহার দিতেই হবে

০৬:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালকে সামনে রেখে ভারতীয় শিবিরে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে হারাতে হলে ভারতকে নিজেদের সর্বোচ্চ মানের ক্রিকেট খেলতে হবে। সামনে বড় চ্যালেঞ্জ, আর সেই চ্যালেঞ্জ জিততে হলে ভুলের সুযোগ খুবই কম।

সুপার এইটে সঞ্জু স্যামসনের ঝলক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপার এইটের নির্ণায়ক ম্যাচে ভারতের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন সঞ্জু স্যামসন। ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তিনি খেলেন অপরাজিত ৯৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তাঁর ব্যাটেই নিশ্চিত হয় জয়।

গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন স্যামসন, যেখানে তিনি করেন ২২ রান। তখন ভারতের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিলেন বাঁহাতি ওপেনার ইশান কিশান ও অভিষেক শর্মা। পরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডারে ডানহাতি ভারসাম্য আনতে আবার দলে ফেরানো হয় স্যামসনকে।

৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার সুযোগ পেয়ে কোচের আস্থা পুরোপুরি সার্থক করেন। ম্যাচ শেষে গম্ভীর বলেন, সঞ্জু যে কতটা প্রতিভাবান, তা সবাই জানে। প্রয়োজন ছিল কেবল তার পাশে দাঁড়ানো। দলের যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, তখনই সে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। তিনি আরও জানান, স্যামসন বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং সামনে তার কাছ থেকে এমন আরও ইনিংস প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ইংল্যান্ডের শক্ত অবস্থান

সেমিফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। পুরো টুর্নামেন্টে তারা অন্যতম ধারাবাহিক ও আত্মবিশ্বাসী দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। বড় ব্যক্তিগত ইনিংসের সঙ্গে দলগত লড়াইয়ের মানসিকতা মিলিয়ে তারা শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে।

অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক সুপার এইটে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫১ বলে ১০০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সেই ম্যাচে নাটকীয় দুই উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে সেঞ্চুরি করা প্রথম খেলোয়াড় হন ব্রুক। তাঁর পারফরম্যান্স দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিয়েছে।

ওয়াংখেড়ে বড় পরীক্ষা

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। গম্ভীর স্বীকার করেছেন, এই মাঠে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে তিনি এটিকে বিশেষ কিছু করার সুযোগ হিসেবেই দেখছেন। তাঁর মতে, ইংল্যান্ড বিশ্বমানের দল এবং তাদের দলে একাধিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে।

সবশেষে গম্ভীরের বার্তা পরিষ্কার—ভারতকে নিজেদের সেরা খেলা খেলতেই হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি বিভাগে সফল হতে পারলে এবং চাপে স্থির থাকতে পারলে, তবেই দেশের জন্য বড় সাফল্য এনে দেওয়া সম্ভব।