০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 107

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)