০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 151

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এইসব মন্দিরে তারা কাপড় বোনে। এইসব তাঁতে বোনা কাপড় পূজাঅনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে মন্দিরে সেবাদাসী ছোট ছোট মেয়েদের অবস্থান মর্যাদাপূর্ণ। এইসব মেয়েদের মনিব হিসেবে খবরদারী করে তখনকার প্রধান পুরোহিতেরা এবং মেয়েদের সান্ত্বনা দেওয়া হয় সূর্যদেবতার স্ত্রী নাম দিয়ে।

কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন সূর্যদেবতার এই কুমারী মেয়েরা আদতে সম্রাটদের অন্তঃপুরের বাঁদী ছাড়া কিছু নয়। এ প্রসঙ্গে ফাদার কোবোর বর্ণনা লোকগল্পের মত মনে হবে। এই গল্পে বলা হয়েছে মুনি কনভেন্ট গেটের কাছে দাঁড়িয়ে সম্রাটকে কানে কানে প্রশ্ন করেন-ইনকা আপনি এই দিনের এই রাতে সূর্যের প্রাসাদে ঢুকেছেন এবং সূর্যের এক বউ-এর সঙ্গে রাত্রি যাপন করেছেন।

সম্রাট তখন উত্তরে বলেন- ‘হ্যাঁ আমি অন্যায় করেছি, পাপ করেছি। মন্দির প্রাসাদের রক্ষী তখন এ কথাই জানবে যে সে কর্তব্যে অবহেলা করেছে। কনভেন্ট নামক মন্দিরে এই ধরনের মেয়েরা পুরোহিতদের নানাভাবে যত্ন করে। পুরোহিতদের জন্য নানাধরনের জামা-কাপড় তৈরি করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

জনপ্রিয় সংবাদ

নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৪)

০৫:৫০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এইসব মন্দিরে তারা কাপড় বোনে। এইসব তাঁতে বোনা কাপড় পূজাঅনুষ্ঠানে ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে মন্দিরে সেবাদাসী ছোট ছোট মেয়েদের অবস্থান মর্যাদাপূর্ণ। এইসব মেয়েদের মনিব হিসেবে খবরদারী করে তখনকার প্রধান পুরোহিতেরা এবং মেয়েদের সান্ত্বনা দেওয়া হয় সূর্যদেবতার স্ত্রী নাম দিয়ে।

কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন সূর্যদেবতার এই কুমারী মেয়েরা আদতে সম্রাটদের অন্তঃপুরের বাঁদী ছাড়া কিছু নয়। এ প্রসঙ্গে ফাদার কোবোর বর্ণনা লোকগল্পের মত মনে হবে। এই গল্পে বলা হয়েছে মুনি কনভেন্ট গেটের কাছে দাঁড়িয়ে সম্রাটকে কানে কানে প্রশ্ন করেন-ইনকা আপনি এই দিনের এই রাতে সূর্যের প্রাসাদে ঢুকেছেন এবং সূর্যের এক বউ-এর সঙ্গে রাত্রি যাপন করেছেন।

সম্রাট তখন উত্তরে বলেন- ‘হ্যাঁ আমি অন্যায় করেছি, পাপ করেছি। মন্দির প্রাসাদের রক্ষী তখন এ কথাই জানবে যে সে কর্তব্যে অবহেলা করেছে। কনভেন্ট নামক মন্দিরে এই ধরনের মেয়েরা পুরোহিতদের নানাভাবে যত্ন করে। পুরোহিতদের জন্য নানাধরনের জামা-কাপড় তৈরি করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৩৩)