০৪:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 111

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই নির্মাণটিকে ইনকারা রাজকীয় গম্বুজ বলে। এছাড়া পবিত্র খোলা ময়দানের তিনদিক বড় বড় বাড়ি দিয়ে ঘেরা। তিনটি জানালা সহ মন্দির। প্রধান মন্দির, প্রধান পুরোহিতের ঘর এবং চতুর্থ দিকটি একটা মঞ্চ দিয়ে ঘেরা। প্রধান মন্দিরের পেছনে বাঁকানো কুলুঙ্গি দিয়ে ঘেরা ছোট একটা ঘর আছে।

এখানে গির্জা বা লোকাচারের নানা দ্রব্য রাখা হত। এই ছোট ঘর-এর পেছন থেকে নৈতিহুয়াতানা (Intihuatana) পর্যন্ত একটা সিঁড়ি চলে গেছে। এখানে রয়েছে বাঁকা পাহাড়িস্তম্ভ যেখানে বসে জ্যোতির্বিদরা ভবিষ্যৎ বাণীটা করত।

মাচ্চুপিচ্চুর অন্যান্য অঞ্চলে দেখা গেছে জেলখানা, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি। কেন্দ্রীয় প্লাজা থেকে হুয়ানাপিচ্চুতে ওঠা যেত এবং এর ফলে চাঁদের মন্দির (Temple of the moon) দর্শন করাও সম্ভব হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই নির্মাণটিকে ইনকারা রাজকীয় গম্বুজ বলে। এছাড়া পবিত্র খোলা ময়দানের তিনদিক বড় বড় বাড়ি দিয়ে ঘেরা। তিনটি জানালা সহ মন্দির। প্রধান মন্দির, প্রধান পুরোহিতের ঘর এবং চতুর্থ দিকটি একটা মঞ্চ দিয়ে ঘেরা। প্রধান মন্দিরের পেছনে বাঁকানো কুলুঙ্গি দিয়ে ঘেরা ছোট একটা ঘর আছে।

এখানে গির্জা বা লোকাচারের নানা দ্রব্য রাখা হত। এই ছোট ঘর-এর পেছন থেকে নৈতিহুয়াতানা (Intihuatana) পর্যন্ত একটা সিঁড়ি চলে গেছে। এখানে রয়েছে বাঁকা পাহাড়িস্তম্ভ যেখানে বসে জ্যোতির্বিদরা ভবিষ্যৎ বাণীটা করত।

মাচ্চুপিচ্চুর অন্যান্য অঞ্চলে দেখা গেছে জেলখানা, শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি। কেন্দ্রীয় প্লাজা থেকে হুয়ানাপিচ্চুতে ওঠা যেত এবং এর ফলে চাঁদের মন্দির (Temple of the moon) দর্শন করাও সম্ভব হত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬০)