০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 140

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

১০:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ইনকাদের পারিবারিক জীবন

ইনকাদের প্রায় সব পরিবারই গ্রাম বা খামার বাড়িতে বাস করত। গ্রামের এই বাড়িগুলি খসখসে পাথর দিয়ে তৈরি। এই ধরনের বাড়িতে দরজা থাকত না। একটা খোলামেলা ফাঁক থাকত এবং সেই ফাঁক দিয়ে ঘরে বাইরে বাতাস চলাচল-এর ব্যবস্থা থাকত।

এছাড়া ইনকারা সেই অর্থে কোনো আসবাবপত্র রাখত না। বাড়ির সদস্যরা সবাই মাদুরের উপর ঘুমোত। জায়গা বলতে ঐ বাড়ির মেঝে। দিনের প্রধান খাওয়ার সময় ছিল সন্ধ্যাবেলা। খাবারের মধ্যে ছিল ভুট্টা, ঝোল, বিন, শাকসব্জি। এছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানের দিন ভুট্টার ডেলা সেঁকে এক রকমের খাবার তৈরি করা হত।

এই সঙ্গে বিশেষ পদ হিসেবে থাকত ছোট ছোট শুয়োরের মাংস। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই এখনও মাঠে ক্ষেতে কঠোর পরিশ্রম করে। বাড়িতে মা উল দিয়ে সবার জন্য পোশাক বানায় এবং এই কাজে তার মেয়েরাও সাহায্য করে।

পুরুষরা ঘাস পাতা কেটে এবং ইয়ামা দিয়ে চন্দন কাঠ তৈরি করত। মেয়েরা ঝুড়িও বানাত। পরিবারের সবাই নিজেদের জন্য থালা বাটি তৈরি করত।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)