০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় আরও চার ভারতীয় কোম্পানি যুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • 33

ইরানের সঙ্গে তেল ও পেট্রোরসায়নিক পণ্য বাণিজ্যের অভিযোগে আরও চারটি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যেসব প্রতিষ্ঠান

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে সদাশিবা ওভারসিজ, পিপি সফটটেক এবং প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স। এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে তেল ও তেলজাত পণ্য আমদানি করেছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন অর্থ দপ্তর।

এ ছাড়া শুল্কসংক্রান্ত কার্যক্রমে এসব চালান সহজতর করার অভিযোগে কাস্টমস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পোর্টিজ পার্টনার্সকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দুই অংশীদার ইন্দ্রিসমিয়া আশারাফমিয়া শেখ ও হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গির বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ

মার্কিন অর্থ দপ্তর বলেছে, ইরান ও দেশটির সহযোগীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সরকারি অর্থনৈতিক অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের তেল ও জ্বালানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্কগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়ে দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য।

ভারত-ইরান বাণিজ্যে প্রভাব

বর্তমানে ভারত ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। এর মধ্যে প্রায় ১২৫ কোটি ডলারের ভারতীয় পণ্য মানবিক কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত। এসব পণ্যের মধ্যে কৃষিপণ্য ও ওষুধ রয়েছে।

অন্যদিকে ইরান থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি ডলার। এর বড় অংশই অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস।

হরমুজ প্রণালির সংকট

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে সীমিত করেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আগে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যেও অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।

ইরানের তেল বাণিজ্যে যুক্ত ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ দিল্লি-তেহরান বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ইরানবিরোধী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তেল আমদানি ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় ঝুঁকি বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় আরও চার ভারতীয় কোম্পানি যুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র

০৫:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে তেল ও পেট্রোরসায়নিক পণ্য বাণিজ্যের অভিযোগে আরও চারটি ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় যেসব প্রতিষ্ঠান

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে সদাশিবা ওভারসিজ, পিপি সফটটেক এবং প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স। এসব প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে তেল ও তেলজাত পণ্য আমদানি করেছে বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন অর্থ দপ্তর।

এ ছাড়া শুল্কসংক্রান্ত কার্যক্রমে এসব চালান সহজতর করার অভিযোগে কাস্টমস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান পোর্টিজ পার্টনার্সকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দুই অংশীদার ইন্দ্রিসমিয়া আশারাফমিয়া শেখ ও হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গির বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্যোগ

মার্কিন অর্থ দপ্তর বলেছে, ইরান ও দেশটির সহযোগীদের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সরকারি অর্থনৈতিক অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের তেল ও জ্বালানি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্কগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়ে দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করাই এই পদক্ষেপের লক্ষ্য।

ভারত-ইরান বাণিজ্যে প্রভাব

বর্তমানে ভারত ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। এর মধ্যে প্রায় ১২৫ কোটি ডলারের ভারতীয় পণ্য মানবিক কারণে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত। এসব পণ্যের মধ্যে কৃষিপণ্য ও ওষুধ রয়েছে।

অন্যদিকে ইরান থেকে ভারতে রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি ডলার। এর বড় অংশই অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস।

হরমুজ প্রণালির সংকট

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর দেশটি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে সীমিত করেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আগে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যেও অতিরিক্ত চাপ তৈরি করতে পারে।

ইরানের তেল বাণিজ্যে যুক্ত ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ দিল্লি-তেহরান বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ইরানবিরোধী মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তেল আমদানি ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় ঝুঁকি বাড়ছে।