০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইরানে মার্কিন হামলা কি যুদ্ধাপরাধ? শতাধিক আইন বিশেষজ্ঞের তীব্র অভিযোগে নতুন বিতর্ক

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে কি না—এই প্রশ্নে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এক খোলা চিঠিতে দাবি করেছেন, ইরানে মার্কিন হামলার কিছু ঘটনা সম্ভাব্যভাবে যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ কী নিয়ে

চিঠিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব হামলার ধরন এবং যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে একটি ইরানি মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ হামলার কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পরে তদন্তে উঠে আসে, ওই হামলায় মার্কিন বাহিনীর সম্পৃক্ততা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের মিনাব শহরে স্কুলে হামলায় ১০৮ মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত

ট্রাম্পের বক্তব্যে বাড়ছে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি এক ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে ইরানকে “অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত” করা হবে এবং প্রয়োজনে দেশটিকে “প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়া” হবে।

এর আগে তার কিছু বক্তব্য, যেমন “মজা করার জন্যও হামলা চালানো হতে পারে”—এই ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

US experts say American strikes on Iran may amount to war crimes | GMA News  Online

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি মুসলিম অধিকার সংগঠন জানিয়েছে, ট্রাম্পের ভাষা ও যুদ্ধকালীন বক্তব্য মানবিক মর্যাদাকে খর্ব করছে এবং সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য যুদ্ধের নৈতিক সীমা অতিক্রম করছে।

সংঘাতের পটভূমি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই এই সংঘাতের সূচনা। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে অঞ্চলজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি এবং লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ইরান যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা, পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে | Barta  Bazar

সামনে কী আশঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকে এবং আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করা হয়, তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত তদন্ত ও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইরানে মার্কিন হামলা কি যুদ্ধাপরাধ? শতাধিক আইন বিশেষজ্ঞের তীব্র অভিযোগে নতুন বিতর্ক

১২:১৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করেছে কি না—এই প্রশ্নে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এক খোলা চিঠিতে দাবি করেছেন, ইরানে মার্কিন হামলার কিছু ঘটনা সম্ভাব্যভাবে যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ কী নিয়ে

চিঠিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব হামলার ধরন এবং যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে একটি ইরানি মেয়েদের স্কুলে ভয়াবহ হামলার কথাও তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পরে তদন্তে উঠে আসে, ওই হামলায় মার্কিন বাহিনীর সম্পৃক্ততা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের মিনাব শহরে স্কুলে হামলায় ১০৮ মেয়ে শিক্ষার্থী নিহত

ট্রাম্পের বক্তব্যে বাড়ছে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump সম্প্রতি এক ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে ইরানকে “অত্যন্ত কঠোরভাবে আঘাত” করা হবে এবং প্রয়োজনে দেশটিকে “প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়া” হবে।

এর আগে তার কিছু বক্তব্য, যেমন “মজা করার জন্যও হামলা চালানো হতে পারে”—এই ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

US experts say American strikes on Iran may amount to war crimes | GMA News  Online

 

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি মুসলিম অধিকার সংগঠন জানিয়েছে, ট্রাম্পের ভাষা ও যুদ্ধকালীন বক্তব্য মানবিক মর্যাদাকে খর্ব করছে এবং সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে। তাদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য যুদ্ধের নৈতিক সীমা অতিক্রম করছে।

সংঘাতের পটভূমি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই এই সংঘাতের সূচনা। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে অঞ্চলজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যাতে হাজারো মানুষের প্রাণহানি এবং লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ইরান যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা, পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে | Barta  Bazar

সামনে কী আশঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, যদি এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকে এবং আন্তর্জাতিক আইন উপেক্ষা করা হয়, তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত তদন্ত ও আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।