১১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সুর নরম, গোপন আলোচনার দাবি ঘিরে নতুন জটিলতা

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এই দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান, ফলে পরিস্থিতি নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনকে অনেকেই কৌশলগত বলে মনে করছেন, বিশেষ করে জ্বালানি বাজারে চাপ কমানোর প্রেক্ষাপটে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের উত্তাপ কমানোর বার্তা দিলেও বাস্তবে এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক হিসাব।

আলোচনার দাবি, ইরানের অস্বীকৃতি
ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ চলছে এবং উত্তেজনা কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনা হচ্ছে না। তারা ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘জ্বালানির দাম কমানোর রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, আসলে পর্দার আড়ালে কোনো যোগাযোগ আছে কি না, নাকি এটি শুধুই রাজনৈতিক বার্তা।

জ্বালানি বাজারে প্রভাবের হিসাব
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে চাপ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের নরম সুর অনেকের কাছে বাজারকে স্থিতিশীল রাখার প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সত্তরের দশকের তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে যেকোনো ধরনের ‘আলোচনার ইঙ্গিত’ বিনিয়োগকারী ও বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হয়ে উঠছে।

রাজনীতি না কৌশল
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনকে অনেকে তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মনে করছেন। বিশেষ করে নির্বাচনী রাজনীতির সময় এমন বার্তা দিয়ে তিনি জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

একদিকে যুদ্ধের সম্ভাবনা কমানোর বার্তা, অন্যদিকে ইরানের অস্বীকৃতি—এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সুর নরম, গোপন আলোচনার দাবি ঘিরে নতুন জটিলতা

০১:২১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ করেই ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এই দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান, ফলে পরিস্থিতি নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

ট্রাম্পের এই অবস্থান পরিবর্তনকে অনেকেই কৌশলগত বলে মনে করছেন, বিশেষ করে জ্বালানি বাজারে চাপ কমানোর প্রেক্ষাপটে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের উত্তাপ কমানোর বার্তা দিলেও বাস্তবে এর পেছনে রয়েছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক হিসাব।

আলোচনার দাবি, ইরানের অস্বীকৃতি
ট্রাম্প প্রকাশ্যে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ চলছে এবং উত্তেজনা কমানোর পথ খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনা হচ্ছে না। তারা ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘জ্বালানির দাম কমানোর রাজনৈতিক কৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, আসলে পর্দার আড়ালে কোনো যোগাযোগ আছে কি না, নাকি এটি শুধুই রাজনৈতিক বার্তা।

জ্বালানি বাজারে প্রভাবের হিসাব
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ইতিমধ্যেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে চাপ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের নরম সুর অনেকের কাছে বাজারকে স্থিতিশীল রাখার প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সত্তরের দশকের তেলের সংকটের মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে যেকোনো ধরনের ‘আলোচনার ইঙ্গিত’ বিনিয়োগকারী ও বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হয়ে উঠছে।

রাজনীতি না কৌশল
ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনকে অনেকে তার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মনে করছেন। বিশেষ করে নির্বাচনী রাজনীতির সময় এমন বার্তা দিয়ে তিনি জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

একদিকে যুদ্ধের সম্ভাবনা কমানোর বার্তা, অন্যদিকে ইরানের অস্বীকৃতি—এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।