১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ, সুযোগ নিয়ে থাকছে প্রশ্ন গাজীপুরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন তথ্য, জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে হচ্ছে না কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র, উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন হামলায় বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও জটিল আকার নিয়েছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর টানা সপ্তম রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর উপসাগরীয় দেশগুলোতে নতুন করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে তেহরান। এতে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

ইরানের হামলায় কুয়েতের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। দেশটির একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বিমানবন্দরের কার্যক্রমে সাময়িক বাধা তৈরি হয়।

উপসাগরীয় ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা

ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক সহায়তা কেন্দ্র এবং একটি বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইনের একটি সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত হানার দাবি করেছে তারা।

তবে এসব হামলার দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও হামলার সতর্কতাও দিয়েছে।

বেসামরিক স্থাপনায় বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি

সংঘাতের নতুন পর্যায়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে।

কুয়েতেও একটি পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ

সংঘাতের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও বড় আকারের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক মহলের সতর্কতা

জাতিসংঘ সংঘাতের বিস্তার এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানালেও এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান এই সংঘাত বিশ্ব রাজনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনা, উপসাগরীয় হামলা ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান-রাশিয়া সম্পর্ক: অবহেলিত হলেও কেন বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত তীব্র, উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন হামলায় বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

০৬:০৪:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও জটিল আকার নিয়েছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর টানা সপ্তম রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর উপসাগরীয় দেশগুলোতে নতুন করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে তেহরান। এতে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।

ইরানের হামলায় কুয়েতের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। দেশটির একটি পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় বিমানবন্দরের কার্যক্রমে সাময়িক বাধা তৈরি হয়।

উপসাগরীয় ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা

ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক সহায়তা কেন্দ্র এবং একটি বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইনের একটি সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত হানার দাবি করেছে তারা।

তবে এসব হামলার দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও হামলার সতর্কতাও দিয়েছে।

বেসামরিক স্থাপনায় বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতি

সংঘাতের নতুন পর্যায়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে।

কুয়েতেও একটি পানি বিশুদ্ধকরণ ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ

সংঘাতের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পরিবহন হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও বড় আকারের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক মহলের সতর্কতা

জাতিসংঘ সংঘাতের বিস্তার এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানালেও এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান এই সংঘাত বিশ্ব রাজনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের নতুন উত্তেজনা, উপসাগরীয় হামলা ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে।