০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইশকুল (পর্ব-২৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪
  • 205

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘আচ্ছা, ফেক্কা, এমন কেন হয় রে যে শুধু সিনিউগিনই সব কিছু মজা লুটবে, গ্রহনক্ষত্র দেখবে, আর অন্যদের বেলায় জুটবে লবডঙ্কা? যেমন ধর্, সিগভ। ওই- যে রে, যে কারখানায় কাজ করে। ও বেচারি তো দুবেলা দু’মুঠো খেতেই পায় না, তারা-দেখা মাথায় থাক। গতকাল ও একতলায় মুচির কাছে পঞ্চাশ কোপেক ধার করতে এসেছিল।’

‘কেন এমন হয় কী করে জানব বল? আমায় ওসব জিজ্ঞেস করিস না। মাস্টারমশাইকে কি পাদ্রিসাহেবকে শুধোস।’

হাঁটতে হাঁটতে বুনো যাইয়ের একটা ছোট্ট ডাল ভেঙে নিল ফেক্কা। তারপর একটু নিচুগলায় বললে:

‘জানিস বাবা বলছিল, শিগগিরই সবকিছু নাকি বদলে অন্যরকম হয়ে যাবে।’

‘কী বদলাবে?’

‘সবকিছু। বুঝেছিস বরিস, খোলাখুলি বাবা আমায় কিছু বলে নি। ওরা ভেবেছিল আমি বুঝি ঘুমোচ্ছি। আমিও ঘুমের ভান করে পড়ে রইলুম। বাবা কারখানার পাহারাদারের সঙ্গে কথা বলছিল, উনিশ শো পাঁচ সালের মতো আবার যে ধর্মঘট হতে যাচ্ছে সেইসব নিয়ে। উনিশ শো পাঁচ সালে কী হয়েছিল জানিস তো?’

‘জানি, একটু-একটু,’ হঠাৎ লজ্জা পেয়ে লাল হয়ে উঠতে-উঠতে জবাব দিলুম।

‘বিপ্লব হয়েছিল তখন। তবে সফল হয় নি। বিপ্লবীদের মতলব ছিল জমিদারদের পুড়িয়ে মারা, সব জমি চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়া আর বড়লোকদের কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়ে গরিবদের দেয়া। জানিস, আমি বড়দের কথাবার্তা থেকে সবকিছু জেনেছি।’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইশকুল (পর্ব-২৭)

০৮:০০:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪

আর্কাদি গাইদার

চতুর্থ পরিচ্ছেদ

‘আচ্ছা, ফেক্কা, এমন কেন হয় রে যে শুধু সিনিউগিনই সব কিছু মজা লুটবে, গ্রহনক্ষত্র দেখবে, আর অন্যদের বেলায় জুটবে লবডঙ্কা? যেমন ধর্, সিগভ। ওই- যে রে, যে কারখানায় কাজ করে। ও বেচারি তো দুবেলা দু’মুঠো খেতেই পায় না, তারা-দেখা মাথায় থাক। গতকাল ও একতলায় মুচির কাছে পঞ্চাশ কোপেক ধার করতে এসেছিল।’

‘কেন এমন হয় কী করে জানব বল? আমায় ওসব জিজ্ঞেস করিস না। মাস্টারমশাইকে কি পাদ্রিসাহেবকে শুধোস।’

হাঁটতে হাঁটতে বুনো যাইয়ের একটা ছোট্ট ডাল ভেঙে নিল ফেক্কা। তারপর একটু নিচুগলায় বললে:

‘জানিস বাবা বলছিল, শিগগিরই সবকিছু নাকি বদলে অন্যরকম হয়ে যাবে।’

‘কী বদলাবে?’

‘সবকিছু। বুঝেছিস বরিস, খোলাখুলি বাবা আমায় কিছু বলে নি। ওরা ভেবেছিল আমি বুঝি ঘুমোচ্ছি। আমিও ঘুমের ভান করে পড়ে রইলুম। বাবা কারখানার পাহারাদারের সঙ্গে কথা বলছিল, উনিশ শো পাঁচ সালের মতো আবার যে ধর্মঘট হতে যাচ্ছে সেইসব নিয়ে। উনিশ শো পাঁচ সালে কী হয়েছিল জানিস তো?’

‘জানি, একটু-একটু,’ হঠাৎ লজ্জা পেয়ে লাল হয়ে উঠতে-উঠতে জবাব দিলুম।

‘বিপ্লব হয়েছিল তখন। তবে সফল হয় নি। বিপ্লবীদের মতলব ছিল জমিদারদের পুড়িয়ে মারা, সব জমি চাষীদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়া আর বড়লোকদের কাছ থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়ে গরিবদের দেয়া। জানিস, আমি বড়দের কথাবার্তা থেকে সবকিছু জেনেছি।’