১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইশকুল (পর্ব-৩২)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 132

আর্কাদি গাইদার

পঞ্চম পরিচ্ছেদ

আমার পিঠে দু-দুবার মাটির ঢেলা এসে লাগল। তিষ্কার টুপি তো উড়ে গিয়ে পড়ল জলে। আমাদের গোলাবারুদ তখন ফুরিয়ে এসেছে, জলে ভিজে একশা হয়ে গেছি আমরা। অথচ ফেকা আর ইয়াঙ্কা তখন সবে জাহাজ ছেড়েছে মাত্র। শত্রু সিদ্ধান্ত নিল সে অবরোধ ভেঙে বেরুবে।

দেখলুম, ওদের জাহাজের সঙ্গে সামনাসামনি ধাক্কা লাগলে আমাদের আর কোনো আশা থাকবে না। বেড়ার পলকা গেট যে ডুবে যাবেই এতে কোনো সন্দেহ নেই।

‘শেষ গোলাগুলো দাগো, জালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও!’ আমি হুকুম দিলুম। মারাত্মকভাবে গোলাবর্ষ’ণ করে মাত্র আধ-মিনিটেক শত্রুকে আটকে রাখলুম। দেখলুম, আমাদের উদ্ধারে ড্রেডনট ছুটে আসছে পুরো দমে।

‘রুখে দাঁড়াও!’ ফেক্কা হাঁক দিল। সঙ্গে সঙ্গে দূর পাল্লার কামান দাগতে শুরু করল।

শত্রুর জাহাজগুলো তখন আমাদের প্রায় পাশে হাজির। আমার কাছে দুটি পথ খোলা হয় ওদের নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে যেতে দেয়া, আর নয় তো প্রাণান্ত যুদ্ধের ঝাকি নিয়ে পথ আগলে দাঁড়ানো। বলা বাহুল্য, আমি শেষের পথই বেছে নিলুম।

গায়ের জোরে লগিতে ঠেলা দিয়ে আমি আমাদের জাহাজখানাকে ওদের পথ আটকে দাঁড় করালুম।

শত্রুর প্রথম জাহাজখানা সজোরে দড়াম করে আমাদের জাহাজে ধাক্কা মারল। হঠাৎ দেখি, তিমুক্কা আর আমি ঈষদুষ্ণ বদ্ধ জলায় গলাজলে দাঁড়িয়ে আছি। তবে ওই ধাক্কায় শত্রুর জাহাজও গেল থেমে। আর ঠিক এইটিই আমরা চাইছিলুম। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রকাণ্ড, বেঢপ গড়নের কিন্তু শক্তসমর্থ, পরাক্রান্ত ড্রেডনট শত্রুর জাহাজের আড়ে সোজাসুজি এসে ধাক্কা মারল। শত্রু-জাহাজ গেল উলটে। তখন অবশিষ্ট রইল ওদের টর্পেডো বোটটা, যা আগে ছিল শুয়োরের জাবনার গামলা।

ওটার সঙ্গে বোঝাপড়া বাকি। দ্রুত ছোটার সুযোগ নিয়ে ওটা পালানোর চেষ্টা করল। কিন্তু লগির এক ধাক্কায় আমি দিলুম ওটাকে উলটে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইশকুল (পর্ব-৩২)

০৮:০০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

আর্কাদি গাইদার

পঞ্চম পরিচ্ছেদ

আমার পিঠে দু-দুবার মাটির ঢেলা এসে লাগল। তিষ্কার টুপি তো উড়ে গিয়ে পড়ল জলে। আমাদের গোলাবারুদ তখন ফুরিয়ে এসেছে, জলে ভিজে একশা হয়ে গেছি আমরা। অথচ ফেকা আর ইয়াঙ্কা তখন সবে জাহাজ ছেড়েছে মাত্র। শত্রু সিদ্ধান্ত নিল সে অবরোধ ভেঙে বেরুবে।

দেখলুম, ওদের জাহাজের সঙ্গে সামনাসামনি ধাক্কা লাগলে আমাদের আর কোনো আশা থাকবে না। বেড়ার পলকা গেট যে ডুবে যাবেই এতে কোনো সন্দেহ নেই।

‘শেষ গোলাগুলো দাগো, জালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও!’ আমি হুকুম দিলুম। মারাত্মকভাবে গোলাবর্ষ’ণ করে মাত্র আধ-মিনিটেক শত্রুকে আটকে রাখলুম। দেখলুম, আমাদের উদ্ধারে ড্রেডনট ছুটে আসছে পুরো দমে।

‘রুখে দাঁড়াও!’ ফেক্কা হাঁক দিল। সঙ্গে সঙ্গে দূর পাল্লার কামান দাগতে শুরু করল।

শত্রুর জাহাজগুলো তখন আমাদের প্রায় পাশে হাজির। আমার কাছে দুটি পথ খোলা হয় ওদের নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে যেতে দেয়া, আর নয় তো প্রাণান্ত যুদ্ধের ঝাকি নিয়ে পথ আগলে দাঁড়ানো। বলা বাহুল্য, আমি শেষের পথই বেছে নিলুম।

গায়ের জোরে লগিতে ঠেলা দিয়ে আমি আমাদের জাহাজখানাকে ওদের পথ আটকে দাঁড় করালুম।

শত্রুর প্রথম জাহাজখানা সজোরে দড়াম করে আমাদের জাহাজে ধাক্কা মারল। হঠাৎ দেখি, তিমুক্কা আর আমি ঈষদুষ্ণ বদ্ধ জলায় গলাজলে দাঁড়িয়ে আছি। তবে ওই ধাক্কায় শত্রুর জাহাজও গেল থেমে। আর ঠিক এইটিই আমরা চাইছিলুম। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রকাণ্ড, বেঢপ গড়নের কিন্তু শক্তসমর্থ, পরাক্রান্ত ড্রেডনট শত্রুর জাহাজের আড়ে সোজাসুজি এসে ধাক্কা মারল। শত্রু-জাহাজ গেল উলটে। তখন অবশিষ্ট রইল ওদের টর্পেডো বোটটা, যা আগে ছিল শুয়োরের জাবনার গামলা।

ওটার সঙ্গে বোঝাপড়া বাকি। দ্রুত ছোটার সুযোগ নিয়ে ওটা পালানোর চেষ্টা করল। কিন্তু লগির এক ধাক্কায় আমি দিলুম ওটাকে উলটে।