১০:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত, তবে শর্ত মানতে হবে হিজবুল্লাহকে

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে নতুন কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। ইসরায়েল ও লেবানন একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে এই উদ্যোগ সফল করতে হলে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে হামলা বন্ধ করতে হবে বলে দুই পক্ষের সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সংঘাত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে উভয় দেশ নতুন পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়েছে। যদিও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও চলমান সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা অঞ্চলে সেনাবাহিনীর একক নিয়ন্ত্রণ

সমঝোতার অংশ হিসেবে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় শুধুমাত্র লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। কোনো অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি বা কার্যক্রম সেখানে অনুমোদিত হবে না।

Israel, Lebanon Agree To Renew Fragile Ceasefire After Negotiations With US

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নতুন আলোচনার প্রস্তুতি

দুই দেশ আগামী ২২ জুনের সপ্তাহে আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে একটি বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতায় পৌঁছানো।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও লেবাননের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল দুই দেশের সার্বভৌম সরকারের। কোনো রাষ্ট্র বা অ-রাষ্ট্রীয় পক্ষ যেন লেবাননের ভবিষ্যৎকে নিজেদের স্বার্থে প্রভাবিত করতে না পারে, সে বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

মাঠের পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত

Hezbollah launches rockets at Israel, testing U.S.-mediated deal | Reuters

কূটনৈতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শান্ত হয়নি। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসা সহায়তাকারী কর্মীও রয়েছেন।

ফলে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মত, তবে শর্ত মানতে হবে হিজবুল্লাহকে

১০:৩১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মধ্যে নতুন কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। ইসরায়েল ও লেবানন একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে এই উদ্যোগ সফল করতে হলে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণভাবে হামলা বন্ধ করতে হবে বলে দুই পক্ষের সমঝোতায় উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় সংঘাত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে উভয় দেশ নতুন পদক্ষেপ নিতে রাজি হয়েছে। যদিও ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও চলমান সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে।

নিরাপত্তা অঞ্চলে সেনাবাহিনীর একক নিয়ন্ত্রণ

সমঝোতার অংশ হিসেবে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় শুধুমাত্র লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। কোনো অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি বা কার্যক্রম সেখানে অনুমোদিত হবে না।

Israel, Lebanon Agree To Renew Fragile Ceasefire After Negotiations With US

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমাতে এবং রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নতুন আলোচনার প্রস্তুতি

দুই দেশ আগামী ২২ জুনের সপ্তাহে আবারও আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে একটি বিস্তৃত ও দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতায় পৌঁছানো।

যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও লেবাননের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল দুই দেশের সার্বভৌম সরকারের। কোনো রাষ্ট্র বা অ-রাষ্ট্রীয় পক্ষ যেন লেবাননের ভবিষ্যৎকে নিজেদের স্বার্থে প্রভাবিত করতে না পারে, সে বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।

মাঠের পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত

Hezbollah launches rockets at Israel, testing U.S.-mediated deal | Reuters

কূটনৈতিক অগ্রগতি সত্ত্বেও সীমান্ত পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি শান্ত হয়নি। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।

হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। অন্যদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসা সহায়তাকারী কর্মীও রয়েছেন।

ফলে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।