০৪:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে চালু থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কাস্টমস হাউস ও স্টেশনগুলোতে আমদানি ও রপ্তানি–সংক্রান্ত কাজ চলবে।

বিজিএমইএর অনুরোধে সিদ্ধান্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সরকারের কাছে ঈদের ছুটির সময়েও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ জানায়। বিশেষ করে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে উদ্যোগ
কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ ছুটির সময় যাতে বাণিজ্য কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও যেন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সেবা চালু থাকে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের জন্য স্বস্তি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটির সময়েও কাস্টমস সেবা চালু থাকলে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকেরা পণ্য চালান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন, পণ্য খালাস করতে পারবেন এবং উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্ব ছাড়াই চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগের ফলে ঈদের ছুটির সময়েও কার্গো হ্যান্ডলিং, নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ এবং পণ্য খালাসের কাজ চলমান থাকবে। এতে বিশেষ করে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে চালু থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম

০৫:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে দেশের সব কাস্টমস হাউস ও কাস্টমস স্টেশনে সীমিত পরিসরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ঈদের দিন ছাড়া আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত কাস্টমস হাউস ও স্টেশনগুলোতে আমদানি ও রপ্তানি–সংক্রান্ত কাজ চলবে।

বিজিএমইএর অনুরোধে সিদ্ধান্ত
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সরকারের কাছে ঈদের ছুটির সময়েও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখার অনুরোধ জানায়। বিশেষ করে দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে উদ্যোগ
কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ ছুটির সময় যাতে বাণিজ্য কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা নির্দেশনায় সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতেও যেন আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সেবা চালু থাকে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের জন্য স্বস্তি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ছুটির সময়েও কাস্টমস সেবা চালু থাকলে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকেরা পণ্য চালান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন, পণ্য খালাস করতে পারবেন এবং উৎপাদন কার্যক্রম বিলম্ব ছাড়াই চালিয়ে যেতে পারবেন।

এ উদ্যোগের ফলে ঈদের ছুটির সময়েও কার্গো হ্যান্ডলিং, নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণ এবং পণ্য খালাসের কাজ চলমান থাকবে। এতে বিশেষ করে রপ্তানিকারকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।