০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

উপবাস ভাঙতেই বিতর্ক, সোনম ওয়াংচুককে ঘিরে কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল বাকযুদ্ধ

২৬ দিনের অনশন শেষ করার পরই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। কংগ্রেসের এক সাংসদের মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। ফলে অনশন-পরবর্তী পরিস্থিতি নতুন রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে।

কংগ্রেস সাংসদের মন্তব্যে বিতর্ক

কংগ্রেস সাংসদ ইমরান মাসুদ দাবি করেন, সোনম ওয়াংচুক সরকারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সমঝোতায় পৌঁছেই অনশন ভেঙেছেন। তিনি ওয়াংচুককে সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, অনশন শেষ হওয়ার পর তিনিও নীরব হয়ে যাবেন। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের সময় শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব কোথায় ছিল এবং কেন আলোচনায় মূলত লাদাখের প্রতিনিধিরাই উপস্থিত ছিলেন।

পাল্টা জবাব

এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন আন্দোলনের সমর্থক অভিজিৎ দিপকে। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়, বরং দেশের তরুণদের আন্দোলন। তাই কোনও মন্তব্যে এই আন্দোলনের শক্তি কমবে না বলেও তিনি জানান।

বিজেপির আক্রমণ

কংগ্রেসের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, কংগ্রেস সোনম ওয়াংচুককে অপমান করছে, কারণ আন্দোলনের কৃতিত্ব তারা পায়নি। বিজেপির মুখপাত্রের দাবি, সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতিবাচক সমাধানের পথে এগিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধীরা শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের স্বার্থের চেয়ে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

কেন অনশন ভাঙলেন ওয়াংচুক

২৬ দিনের অনশন শেষে সোনম ওয়াংচুক জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সরকারের এমন আশ্বাস পাওয়ার পরই তিনি অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই সমস্ত শর্ত বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করবেন। একই সঙ্গে তিনি সকলকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে

ওয়াংচুকের অনশন শেষ হলেও তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ নেই। কংগ্রেস ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ এবং সরকারের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার দিকেই এখন সবার নজর।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

উপবাস ভাঙতেই বিতর্ক, সোনম ওয়াংচুককে ঘিরে কংগ্রেস-বিজেপির তুমুল বাকযুদ্ধ

০৬:৫৪:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

২৬ দিনের অনশন শেষ করার পরই নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এসেছেন লাদাখের পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। কংগ্রেসের এক সাংসদের মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। ফলে অনশন-পরবর্তী পরিস্থিতি নতুন রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে।

কংগ্রেস সাংসদের মন্তব্যে বিতর্ক

কংগ্রেস সাংসদ ইমরান মাসুদ দাবি করেন, সোনম ওয়াংচুক সরকারের সঙ্গে ব্যক্তিগত সমঝোতায় পৌঁছেই অনশন ভেঙেছেন। তিনি ওয়াংচুককে সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, অনশন শেষ হওয়ার পর তিনিও নীরব হয়ে যাবেন। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকারের সঙ্গে বৈঠকের সময় শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব কোথায় ছিল এবং কেন আলোচনায় মূলত লাদাখের প্রতিনিধিরাই উপস্থিত ছিলেন।

পাল্টা জবাব

এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন আন্দোলনের সমর্থক অভিজিৎ দিপকে। তাঁর দাবি, এটি কোনও রাজনৈতিক দলের আন্দোলন নয়, বরং দেশের তরুণদের আন্দোলন। তাই কোনও মন্তব্যে এই আন্দোলনের শক্তি কমবে না বলেও তিনি জানান।

বিজেপির আক্রমণ

কংগ্রেসের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, কংগ্রেস সোনম ওয়াংচুককে অপমান করছে, কারণ আন্দোলনের কৃতিত্ব তারা পায়নি। বিজেপির মুখপাত্রের দাবি, সরকার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ইতিবাচক সমাধানের পথে এগিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধীরা শিক্ষার্থী ও আন্দোলনের স্বার্থের চেয়ে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

কেন অনশন ভাঙলেন ওয়াংচুক

২৬ দিনের অনশন শেষে সোনম ওয়াংচুক জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সরকারের এমন আশ্বাস পাওয়ার পরই তিনি অনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই সমস্ত শর্ত বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করবেন। একই সঙ্গে তিনি সকলকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ছে

ওয়াংচুকের অনশন শেষ হলেও তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ নেই। কংগ্রেস ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আন্দোলনের ভবিষ্যৎ এবং সরকারের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার দিকেই এখন সবার নজর।