১০:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

পাকিস্তানের পাঞ্জাবে গমের দাম নির্ধারণের প্রভাব কি হতে পারে

  • Sarakhon Report
  • ০৭:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪
  • 171

গম ক্ষেতে কাজ করছেন শ্রমিকরা

সারাক্ষণ ডেস্ক

শনিবার একটি নজীরবিহীন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পাঞ্জাবের গভর্ণর খাদ্যের মূল্য কমাতে প্রাইভেট ভাবে ক্রয়কৃত গম ও গমজাত পন্যের মূল্যের উপর নির্দেশণা জারী করেছেন। এ বিষয়ে পাঞ্জাবের খাদ্য পরিচালক ‘পাঞ্জাব প্রাইচ কন্ট্রোল অব এসেনসিয়াল কমোডিটিজ এক্ট ,২০২৪’ এর অধীনে ৫(২) ধারায় তিনি তিনটি নোটিফিকেশন জারী করেছেন। দেশীয় গম ও ময়দা বিক্রির এই নির্দেশনা রাজ্যের ৩৮টি জেলায় দেওয়া হয়েছে।

 ২০২৩ সালে পাকিস্তানে ২৮ মিলিয়ন মে.টন গম উৎপাদন হয়েছে

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচালক জেলা-ভিত্তিক ৪০ কেজি দেশীয় গমের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য বিক্রি ২৮০০ থেকে ৩০৫০ রুপি পর্যন্ত টার্গেট দিয়েছেন। নির্দেশনায় তিনি পরিষ্কার ভাবে  আরো উল্লেখ করেছেন যে, কোনো সাধারন মজুতদার, পাইকার, খুচরা ব্যবসায়ী কোনোভাবেই বিক্রির জন্যে দেশীয় গমের দাম নির্ধারন করে দেওয়া দামের চেয়ে বেশী রাখতে পারবেনা।

প্রাদেশিক সরকারও জেলাওয়ারী দেশীয় আটার খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যেখানে ১০ কেজি ও ২০ কেজি আটার ব্যাগের মূল্য যথাক্রমে ৯০০ ও ১৮০০ রুপি পর্যন্ত রাখা হয়েছে।

 

নির্দেশনায় খাদ্য পরিচালক আরো যোগ করেছেন যে, প্রতিটা খাদ্য ব্যাগের গায়ে খাদ্যের নাম, উৎপাদনকারীর নাম, ঠিকানা, খাদ্য উপাদান, ট্রেডমার্ক, গড় ওজন, ব্যাচ নম্বর, কোড নম্বর, মোট ওজন, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেভেলিং করে দিতে হবে।

তৃতীয় নির্দেশনায় খাদ্য পরিচালক জেলাওয়ারী  প্রতি ১০ কেজি ও ২০ কেজির আটার ব্যাগের  সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ৮২০ থেকে ১৬২০ রুপি বা ৯২০ রুপি থেকে ১৮৪০ রুপি দামে বিক্রি করা যাবে।

মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার এধরনের সিদ্ধান্তকে ফুড ডিপার্টেমেন্টের ‘নিছক মশকরা’  বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় দু’জন মিল মালিক। তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে প্রাদেশিক সরকার  প্রাইভেটলি গম ও আটার বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করতে পারেনা।

 

 

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

পাকিস্তানের পাঞ্জাবে গমের দাম নির্ধারণের প্রভাব কি হতে পারে

০৭:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

শনিবার একটি নজীরবিহীন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে পাঞ্জাবের গভর্ণর খাদ্যের মূল্য কমাতে প্রাইভেট ভাবে ক্রয়কৃত গম ও গমজাত পন্যের মূল্যের উপর নির্দেশণা জারী করেছেন। এ বিষয়ে পাঞ্জাবের খাদ্য পরিচালক ‘পাঞ্জাব প্রাইচ কন্ট্রোল অব এসেনসিয়াল কমোডিটিজ এক্ট ,২০২৪’ এর অধীনে ৫(২) ধারায় তিনি তিনটি নোটিফিকেশন জারী করেছেন। দেশীয় গম ও ময়দা বিক্রির এই নির্দেশনা রাজ্যের ৩৮টি জেলায় দেওয়া হয়েছে।

 ২০২৩ সালে পাকিস্তানে ২৮ মিলিয়ন মে.টন গম উৎপাদন হয়েছে

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিচালক জেলা-ভিত্তিক ৪০ কেজি দেশীয় গমের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য বিক্রি ২৮০০ থেকে ৩০৫০ রুপি পর্যন্ত টার্গেট দিয়েছেন। নির্দেশনায় তিনি পরিষ্কার ভাবে  আরো উল্লেখ করেছেন যে, কোনো সাধারন মজুতদার, পাইকার, খুচরা ব্যবসায়ী কোনোভাবেই বিক্রির জন্যে দেশীয় গমের দাম নির্ধারন করে দেওয়া দামের চেয়ে বেশী রাখতে পারবেনা।

প্রাদেশিক সরকারও জেলাওয়ারী দেশীয় আটার খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যেখানে ১০ কেজি ও ২০ কেজি আটার ব্যাগের মূল্য যথাক্রমে ৯০০ ও ১৮০০ রুপি পর্যন্ত রাখা হয়েছে।

 

নির্দেশনায় খাদ্য পরিচালক আরো যোগ করেছেন যে, প্রতিটা খাদ্য ব্যাগের গায়ে খাদ্যের নাম, উৎপাদনকারীর নাম, ঠিকানা, খাদ্য উপাদান, ট্রেডমার্ক, গড় ওজন, ব্যাচ নম্বর, কোড নম্বর, মোট ওজন, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেভেলিং করে দিতে হবে।

তৃতীয় নির্দেশনায় খাদ্য পরিচালক জেলাওয়ারী  প্রতি ১০ কেজি ও ২০ কেজির আটার ব্যাগের  সর্বোচ্চ খুচরামূল্য ৮২০ থেকে ১৬২০ রুপি বা ৯২০ রুপি থেকে ১৮৪০ রুপি দামে বিক্রি করা যাবে।

মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার এধরনের সিদ্ধান্তকে ফুড ডিপার্টেমেন্টের ‘নিছক মশকরা’  বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় দু’জন মিল মালিক। তারা প্রশ্ন রেখে বলেন, মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে প্রাদেশিক সরকার  প্রাইভেটলি গম ও আটার বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করতে পারেনা।