১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

এখন বই পড়িবার প্রয়োজন আছে কি? 

  • Sarakhon Report
  • ০৬:২৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 146

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কর্মসূচীতে নতুন ফান্ড না আসাতে বন্ধ হওয়ার খবর দেখিয়াছে দেশবাসী। তাহাতে তাহারা বিচলিত হইয়াছে কিনা জানা যায়নি। তবে তাহাদের বিচলিত হইবার খুব কোন কারণ আছে বলিয়া মনে করা উচিত নয়। 

কারণ, দেশে কিছুকাল ধরিয়া ছাত্র ছাত্রীদের হাতে শিক্ষকরা যেভাবে লাঞ্ছিত হইলো- আর সেই শিক্ষক লাঞ্ছনা করিবার কাজটিকে অনেকে বীরত্ব বলিয়া গন্য করিলেন। যে সকল ছাত্র ছাত্রী অবলীলায় বা কোন রাজনৈতিক বিশ্বাসের বশবর্তী হইয়া শিক্ষককে প্রকাশ্যে লাঞ্ছনা করিলো এবং সেই সকল স‍ংবাদ সচিত্র দেখিবার পরেও এমন কোন খবর প্রকাশ হইলো না যে অন্তত একজনের পিতা মাতা ওই সন্তানকে শিক্ষক লাঞ্ছনার জন্য গঞ্জনা করিয়াছেন।

এমনকি দেশের শিক্ষা প্রশাসক, প্রধান প্রশাসক শিক্ষক হইবার পরেও তাহারা এই কাজের কোনরূপ দোষারোপ করিলেন না। তখন ধরিয়াই লইতে হয়, এ কাজটি এভূমিতে পূণ্যতর কাজ। যাহাদের সন্তানরা এ কাজ করিতে পারে নাই  তাহাদের সন্তান মানুষ করিবার কাজের ভেতর খাঁদ রহিয়া গিয়াছে। তাহারা এ জাতির বীরত্বের সঙ্গে পা ফেলিতে শেখে নাই।

 

তবে কোন ভূখন্ডে শিক্ষক লাঞ্ছনা বৈধ হইবার পরে ওই ভূখন্ডে বই পড়িবার কোন গুরুত্ব থাকে কিনা তাহা লইয়া পুরানো দিনের শিক্ষক যিনি এই বই পড়ার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত- তিনি নতুন করিয়া ভাবিতে পারেন-  আসলে তাহার এই বই পড়ানোর কাজের আদৌ কোন দরকার আছে কিনা?  বরং পরশুরাম পিতার আদেশে মাতৃ হত্যা করিয়া যেমন কাব্যে বীর বলিয়া গণ্য হইয়া থাকে তেমনি হয়তো এই নবতর সময়ে শিক্ষক লাঞ্ছনার যোগত্যা অর্জন ঢের বেশি মূল্যবান- বই পড়িবার থেকে। তাই এখন কোনটা শেখা বেশি জরুরী; শিক্ষকের মুখে ঘুষি পাকানো না বই পড়া তাহা যাহারা এখনও বুঝিয়া উঠিতে বা শিখিতে পারেন নাই তাহারা নতুন করিয়া শিখিয়া লইবেন। আর সেই শিক্ষা গ্রহনের জন্যে আর যাই হোক এত বই পড়িবার কোন প্রয়োজন পড়িবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

এখন বই পড়িবার প্রয়োজন আছে কি? 

০৬:২৯:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি কর্মসূচীতে নতুন ফান্ড না আসাতে বন্ধ হওয়ার খবর দেখিয়াছে দেশবাসী। তাহাতে তাহারা বিচলিত হইয়াছে কিনা জানা যায়নি। তবে তাহাদের বিচলিত হইবার খুব কোন কারণ আছে বলিয়া মনে করা উচিত নয়। 

কারণ, দেশে কিছুকাল ধরিয়া ছাত্র ছাত্রীদের হাতে শিক্ষকরা যেভাবে লাঞ্ছিত হইলো- আর সেই শিক্ষক লাঞ্ছনা করিবার কাজটিকে অনেকে বীরত্ব বলিয়া গন্য করিলেন। যে সকল ছাত্র ছাত্রী অবলীলায় বা কোন রাজনৈতিক বিশ্বাসের বশবর্তী হইয়া শিক্ষককে প্রকাশ্যে লাঞ্ছনা করিলো এবং সেই সকল স‍ংবাদ সচিত্র দেখিবার পরেও এমন কোন খবর প্রকাশ হইলো না যে অন্তত একজনের পিতা মাতা ওই সন্তানকে শিক্ষক লাঞ্ছনার জন্য গঞ্জনা করিয়াছেন।

এমনকি দেশের শিক্ষা প্রশাসক, প্রধান প্রশাসক শিক্ষক হইবার পরেও তাহারা এই কাজের কোনরূপ দোষারোপ করিলেন না। তখন ধরিয়াই লইতে হয়, এ কাজটি এভূমিতে পূণ্যতর কাজ। যাহাদের সন্তানরা এ কাজ করিতে পারে নাই  তাহাদের সন্তান মানুষ করিবার কাজের ভেতর খাঁদ রহিয়া গিয়াছে। তাহারা এ জাতির বীরত্বের সঙ্গে পা ফেলিতে শেখে নাই।

 

তবে কোন ভূখন্ডে শিক্ষক লাঞ্ছনা বৈধ হইবার পরে ওই ভূখন্ডে বই পড়িবার কোন গুরুত্ব থাকে কিনা তাহা লইয়া পুরানো দিনের শিক্ষক যিনি এই বই পড়ার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত- তিনি নতুন করিয়া ভাবিতে পারেন-  আসলে তাহার এই বই পড়ানোর কাজের আদৌ কোন দরকার আছে কিনা?  বরং পরশুরাম পিতার আদেশে মাতৃ হত্যা করিয়া যেমন কাব্যে বীর বলিয়া গণ্য হইয়া থাকে তেমনি হয়তো এই নবতর সময়ে শিক্ষক লাঞ্ছনার যোগত্যা অর্জন ঢের বেশি মূল্যবান- বই পড়িবার থেকে। তাই এখন কোনটা শেখা বেশি জরুরী; শিক্ষকের মুখে ঘুষি পাকানো না বই পড়া তাহা যাহারা এখনও বুঝিয়া উঠিতে বা শিখিতে পারেন নাই তাহারা নতুন করিয়া শিখিয়া লইবেন। আর সেই শিক্ষা গ্রহনের জন্যে আর যাই হোক এত বই পড়িবার কোন প্রয়োজন পড়িবে না।