১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

এলিট কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অনন্য কীর্তি, টানা ২৩ বছর সেরা যুদ্ধ ইউনিট সিঙ্গাপুরে

সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনীর সেরা ইউনিট নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাসে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়ন। এবারের প্রতিযোগিতায় তারা ৪০তম বারের মতো ‘সেরা যুদ্ধ ইউনিট’-এর স্বীকৃতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে টানা ২৩ বছর এই মর্যাদা ধরে রেখে নতুন এক নজির গড়েছে এলিট বাহিনীটি।

চার দশকের সাফল্যের নতুন অধ্যায়

সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনী ১৯৬৯ সাল থেকে বিভিন্ন ইউনিটের দক্ষতা, প্রস্তুতি ও কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়ন সবচেয়ে বেশি সফল ইউনিট হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে।

আগামী ১ জুলাই সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কুচকাওয়াজে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৮টি সক্রিয় ইউনিট এবং ১২টি জাতীয় সেবা ইউনিটের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

দায়িত্ববোধই সাফল্যের মূল শক্তি

প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মেজর মার্কাস চিয়ং বলেন, এই অর্জন বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা, পরিশ্রম এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তার ভাষ্য, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে দায়িত্ব তাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে, তার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রতিটি সদস্য সচেতন। তাই এই স্বীকৃতি কিংবা দেশের শান্তি ও নিরাপত্তাকে তারা কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেয় না।

কঠিন অভিযানের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ

লাল বেরেটধারী এই বিশেষ কমান্ডো ইউনিটকে আকাশপথে অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা, বিশেষ অভিযান এবং আকস্মিক হামলাসহ বিভিন্ন উচ্চঝুঁকির দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কঠোর প্রস্তুতি ও উচ্চমানের পেশাদারিত্বের কারণেই তারা ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

আরও যেসব ইউনিট পেল স্বীকৃতি

এবারের প্রতিযোগিতায় সমুদ্র নিরাপত্তা বিভাগে সেরা ইউনিটের স্বীকৃতি পেয়েছে আরএসএস পুংগোল। অন্যদিকে সেরা যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের পুরস্কার অর্জন করেছে ১৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। জাতীয় সেবা ইউনিটগুলোর মধ্যে নবম সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন সেরা সিগন্যাল ইউনিট এবং ৪৭৬তম সাঁজোয়া ব্যাটালিয়ন সেরা সাঁজোয়া ইউনিট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মূল্যায়ন

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইউনিটগুলোর যুদ্ধ প্রস্তুতি, অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি সদস্যদের মধ্যে পেশাদারিত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্ববোধ আরও শক্তিশালী করাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়নের সর্বশেষ এই অর্জন সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও উৎকর্ষ ধরে রাখার প্রচেষ্টার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

এলিট কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অনন্য কীর্তি, টানা ২৩ বছর সেরা যুদ্ধ ইউনিট সিঙ্গাপুরে

১১:২৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনীর সেরা ইউনিট নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাসে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়ন। এবারের প্রতিযোগিতায় তারা ৪০তম বারের মতো ‘সেরা যুদ্ধ ইউনিট’-এর স্বীকৃতি অর্জন করেছে। একই সঙ্গে টানা ২৩ বছর এই মর্যাদা ধরে রেখে নতুন এক নজির গড়েছে এলিট বাহিনীটি।

চার দশকের সাফল্যের নতুন অধ্যায়

সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনী ১৯৬৯ সাল থেকে বিভিন্ন ইউনিটের দক্ষতা, প্রস্তুতি ও কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়ন সবচেয়ে বেশি সফল ইউনিট হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে।

আগামী ১ জুলাই সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কুচকাওয়াজে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৮টি সক্রিয় ইউনিট এবং ১২টি জাতীয় সেবা ইউনিটের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

দায়িত্ববোধই সাফল্যের মূল শক্তি

প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মেজর মার্কাস চিয়ং বলেন, এই অর্জন বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের নিষ্ঠা, পরিশ্রম এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তার ভাষ্য, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে দায়িত্ব তাদের ওপর অর্পণ করা হয়েছে, তার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রতিটি সদস্য সচেতন। তাই এই স্বীকৃতি কিংবা দেশের শান্তি ও নিরাপত্তাকে তারা কখনোই স্বাভাবিকভাবে নেয় না।

কঠিন অভিযানের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ

লাল বেরেটধারী এই বিশেষ কমান্ডো ইউনিটকে আকাশপথে অভিযান, গোয়েন্দা তৎপরতা, বিশেষ অভিযান এবং আকস্মিক হামলাসহ বিভিন্ন উচ্চঝুঁকির দায়িত্ব পালনের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কঠোর প্রস্তুতি ও উচ্চমানের পেশাদারিত্বের কারণেই তারা ধারাবাহিকভাবে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

আরও যেসব ইউনিট পেল স্বীকৃতি

এবারের প্রতিযোগিতায় সমুদ্র নিরাপত্তা বিভাগে সেরা ইউনিটের স্বীকৃতি পেয়েছে আরএসএস পুংগোল। অন্যদিকে সেরা যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রনের পুরস্কার অর্জন করেছে ১৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। জাতীয় সেবা ইউনিটগুলোর মধ্যে নবম সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন সেরা সিগন্যাল ইউনিট এবং ৪৭৬তম সাঁজোয়া ব্যাটালিয়ন সেরা সাঁজোয়া ইউনিট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মূল্যায়ন

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইউনিটগুলোর যুদ্ধ প্রস্তুতি, অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়। পাশাপাশি সদস্যদের মধ্যে পেশাদারিত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্ববোধ আরও শক্তিশালী করাও এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রথম কমান্ডো ব্যাটালিয়নের সর্বশেষ এই অর্জন সিঙ্গাপুরের সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও উৎকর্ষ ধরে রাখার প্রচেষ্টার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।