১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

এস আলম গ্রুপের অর্থপাচার : অনুসন্ধানের অগ্রগতি জানতে চান হাইকোর্ট

  • Sarakhon Report
  • ০৯:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 159

নিজস্ব প্রতিনিধি

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান বিষয়ক তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী রবিবারের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) এ তথ্য দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুকুনুজ্জামান। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ। পরে শাহীন আহমেদ বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের যে অর্থ পাচারের বিষয়গুলো আসছে, সে বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এটি কোন পর্যায়ে আছে সে তথ্য এখনও হাতে আসেনি। তথ্যগুলো হাতে পেলে আদালতকে জানানো যাবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রিটটি রবিবার পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয় এবং এস আলম গ্রুপের অর্থ পাচার অভিযোগের ওপর কী অনুসন্ধান চালছে তার সব তথ্য রবিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।

এর আগে, এস আলম গ্রুপের সব সম্পদের তালিকা এবং তা স্থানান্তর বা বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। আইনজীবী মো. রুকুনুজ্জামান রিটটি দায়ের করেন। রিটে এস আলম গ্রুপ এবং প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সব স্থাবর সম্পত্তির তালিকা দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এছাড়াও রিটে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলম গ্রুপ এ পর্যন্ত কী পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা ও দায়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সব স্থাবর সম্পত্তির তালিকা, সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশনা চাওয়া হয়। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোম্পানির পরিচালকসহ পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয় রিট আবেদনে।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এস আলম গ্রুপের শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও অন্যান্য ব্যবসাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গ্রহণ করা মোট ঋণের পরিমাণ, বর্তমান অবস্থা ও দায়সহ কয়েকটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে ও ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান রিটকারী আইনজীবী। বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, অর্থসচিব, আইনসচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের ওই নোটিশ পাঠানো হয়। তবে সে নোটিশের জবাব না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

এস আলম গ্রুপের অর্থপাচার : অনুসন্ধানের অগ্রগতি জানতে চান হাইকোর্ট

০৯:২৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি

এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান বিষয়ক তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী রবিবারের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) এ তথ্য দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুকুনুজ্জামান। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহীন আহমেদ। পরে শাহীন আহমেদ বলেন, দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের যে অর্থ পাচারের বিষয়গুলো আসছে, সে বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এটি কোন পর্যায়ে আছে সে তথ্য এখনও হাতে আসেনি। তথ্যগুলো হাতে পেলে আদালতকে জানানো যাবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রিটটি রবিবার পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয় এবং এস আলম গ্রুপের অর্থ পাচার অভিযোগের ওপর কী অনুসন্ধান চালছে তার সব তথ্য রবিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।

এর আগে, এস আলম গ্রুপের সব সম্পদের তালিকা এবং তা স্থানান্তর বা বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। আইনজীবী মো. রুকুনুজ্জামান রিটটি দায়ের করেন। রিটে এস আলম গ্রুপ এবং প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সব স্থাবর সম্পত্তির তালিকা দাখিল করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এছাড়াও রিটে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলম গ্রুপ এ পর্যন্ত কী পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা ও দায়, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সব স্থাবর সম্পত্তির তালিকা, সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশনা চাওয়া হয়। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোম্পানির পরিচালকসহ পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয় রিট আবেদনে।

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এস আলম গ্রুপের শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও অন্যান্য ব্যবসাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের গ্রহণ করা মোট ঋণের পরিমাণ, বর্তমান অবস্থা ও দায়সহ কয়েকটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে ও ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান রিটকারী আইনজীবী। বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর, অর্থসচিব, আইনসচিব, দুদক চেয়ারম্যান ও এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলমসহ সংশ্লিষ্টদের ওই নোটিশ পাঠানো হয়। তবে সে নোটিশের জবাব না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন।