১১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কলকাতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শুরুতেই সমানে সমান তৃণমূল-বিজেপি

কলকাতা ও আশপাশের বিধানসভা আসনগুলিতে ভোট গণনার শুরুতেই জমে উঠেছে টানটান লড়াই। প্রাথমিক ধাপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি প্রায় সমান তালে এগোচ্ছে, ফলে চূড়ান্ত ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

ভোট গণনার প্রথম দফার প্রবণতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর আসনে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রায় ১,৯৯৬ ভোটে লিড নিয়েছেন। এই আসনটি এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি নজরকাড়া লড়াইগুলির একটি হয়ে উঠেছে।

নন্দীগ্রামেও উত্তেজনা

নন্দীগ্রাম আসনেও চোখ রাখছে রাজনৈতিক মহল। এখানে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। ২০২১ সালে এই আসনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে এসেছিলেন তিনি, ফলে এবারও এই কেন্দ্রের লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

Trinamool or BJP? Battle on in 59 seats that hold key to Phase 1 of Bengal  Assembly election | Sourjya Bhowmick

শহরের বিভিন্ন আসনে তৃণমূলের এগিয়ে থাকা

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৬,৯৫২ ভোটে এগিয়ে আছেন। চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ২,৩৩৩ ভোটে লিড নিয়েছেন। এন্টালিতে সন্দীপন সাহা ১২,৬৪৯ ভোটে বড় ব্যবধান তৈরি করেছেন। কাসবায় জাভেদ আহমেদ খান প্রায় ১৯,৬৯৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ অল্প ব্যবধানে, প্রায় ৪৩৪ ভোটে লিডে আছেন।

বিজেপির পাল্টা লড়াই

অন্যদিকে বিজেপিও একাধিক কেন্দ্রে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছে। বেহালা পূর্বে সন্দীপ সরকার প্রায় ১,৯৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন, আর বেহালা পশ্চিমে ইন্দ্রনীল খান ১,৮৩৭ ভোটে লিড নিয়েছেন। ঐতিহ্যগতভাবে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রাশবিহারীতেও বিজেপির স্বপন দাশগুপ্ত প্রায় ২,৬৭৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

মানিকতলায় তাপস রায় প্রায় ৪৬৭ ভোটে এগিয়ে আছেন। জোড়াসাঁকোয় বিজেপির বিজয় ওঝা প্রায় ২,৫৩৭ ভোটে লিডে রয়েছেন।

চমকপ্রদ পিছিয়ে পড়া

প্রাথমিক ফলাফলে একটি বড় চমক দেখা গেছে শ্যামপুকুর আসনে। এখানে মন্ত্রী শশী পাঁজা প্রথম দফার গণনায় বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তীর কাছে প্রায় ২৮৩ ভোটে পিছিয়ে পড়েছেন।

শেষ ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

এই প্রাথমিক প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এবারের লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে। তবে গণনার আরও কয়েক দফা বাকি থাকায় চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কলকাতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শুরুতেই সমানে সমান তৃণমূল-বিজেপি

১১:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

কলকাতা ও আশপাশের বিধানসভা আসনগুলিতে ভোট গণনার শুরুতেই জমে উঠেছে টানটান লড়াই। প্রাথমিক ধাপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি প্রায় সমান তালে এগোচ্ছে, ফলে চূড়ান্ত ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

ভোট গণনার প্রথম দফার প্রবণতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর আসনে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রায় ১,৯৯৬ ভোটে লিড নিয়েছেন। এই আসনটি এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি নজরকাড়া লড়াইগুলির একটি হয়ে উঠেছে।

নন্দীগ্রামেও উত্তেজনা

নন্দীগ্রাম আসনেও চোখ রাখছে রাজনৈতিক মহল। এখানে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। ২০২১ সালে এই আসনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে এসেছিলেন তিনি, ফলে এবারও এই কেন্দ্রের লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

Trinamool or BJP? Battle on in 59 seats that hold key to Phase 1 of Bengal  Assembly election | Sourjya Bhowmick

শহরের বিভিন্ন আসনে তৃণমূলের এগিয়ে থাকা

কলকাতার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। দলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রায় ৬,৯৫২ ভোটে এগিয়ে আছেন। চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ২,৩৩৩ ভোটে লিড নিয়েছেন। এন্টালিতে সন্দীপন সাহা ১২,৬৪৯ ভোটে বড় ব্যবধান তৈরি করেছেন। কাসবায় জাভেদ আহমেদ খান প্রায় ১৯,৬৯৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ অল্প ব্যবধানে, প্রায় ৪৩৪ ভোটে লিডে আছেন।

বিজেপির পাল্টা লড়াই

অন্যদিকে বিজেপিও একাধিক কেন্দ্রে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছে। বেহালা পূর্বে সন্দীপ সরকার প্রায় ১,৯৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন, আর বেহালা পশ্চিমে ইন্দ্রনীল খান ১,৮৩৭ ভোটে লিড নিয়েছেন। ঐতিহ্যগতভাবে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রাশবিহারীতেও বিজেপির স্বপন দাশগুপ্ত প্রায় ২,৬৭৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।

মানিকতলায় তাপস রায় প্রায় ৪৬৭ ভোটে এগিয়ে আছেন। জোড়াসাঁকোয় বিজেপির বিজয় ওঝা প্রায় ২,৫৩৭ ভোটে লিডে রয়েছেন।

চমকপ্রদ পিছিয়ে পড়া

প্রাথমিক ফলাফলে একটি বড় চমক দেখা গেছে শ্যামপুকুর আসনে। এখানে মন্ত্রী শশী পাঁজা প্রথম দফার গণনায় বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তীর কাছে প্রায় ২৮৩ ভোটে পিছিয়ে পড়েছেন।

শেষ ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

এই প্রাথমিক প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এবারের লড়াই অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে। তবে গণনার আরও কয়েক দফা বাকি থাকায় চূড়ান্ত ফলাফলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।