০১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হস্তক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল ইয়েন, আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত সিন্ধু পানি চুক্তি: ছয় দশক পর বদলে যাওয়া বাস্তবতায় নতুন হিসাবের সময় ভাঁজযোগ্য আইফোনের উৎপাদন দিনে মাত্র কয়েকশ, বাজারে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা ট্রাম্পের নতুন দাবি: ইউক্রেনকে দেওয়া শত শত বিলিয়ন ডলার ইউরোপের কাছ থেকে ফেরত চান রাশিয়ার নাশকতায় ইউরোপে বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি, চাপে ন্যাটো ছয় মাসের যুদ্ধে আরও আত্মবিশ্বাসী ইরান, বাড়তে পারে সংঘাত পেন্টাগনে ফাঁস ঠেকাতে ৫০ কর্মকর্তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ইরান যুদ্ধের তথ্য ঘিরে নজিরবিহীন তদন্ত যে ‘ইয়েনটাউন’ একদিন ছিল ভবিষ্যৎ, ৩০ বছর পর ৪কে-তে ফিরছে ‘Swallowtail Butterfly’ পাকিস্তানে বিদ্যুতের দাম বাড়ল ইউনিটে ২.৫৮ রুপি, গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ ৪৫.৬৭ বিলিয়ন রুপি পরমাণু ‘লিজ’ ছড়িয়ে পড়ছে, বদলে যেতে পারে বৈশ্বিক নিরাপত্তার চিত্র

কাশ্মীরে ড্রোন উত্তেজনা বাড়াল ভারত-পাকিস্তান টানাপোড়েন

কাশ্মীরে ফের আকাশপথে উত্তেজনার অভিযোগ তুলেছে ভারত। সীমান্ত পেরিয়ে ভারত শাসিত কাশ্মীরের ভেতরে পাকিস্তানি ড্রোন ঢুকেছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, এই ধরনের তৎপরতা ভারতের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং তা বন্ধ করতে ইসলামাবাদকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে ড্রোন দেখা যাওয়ার দাবি

সেনাপ্রধান জানান, গত সপ্তাহে সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলোর আকাশে একাধিক ড্রোন দেখা গেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সর্বোচ্চ সাতটি এবং রোববার আরও দুই থেকে তিনটি ড্রোন ভারত শাসিত আকাশসীমায় ঢোকে। এসব ড্রোন নিচু হয়ে উড়ছিল এবং আলো জ্বালানো অবস্থায় ছিল। তাঁর ধারণা, এগুলো প্রতিরক্ষামূলক নজরদারি ড্রোন, যা ভারতের প্রস্তুতি যাচাই করতে পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় ড্রোন গুলী করে ভূপাতিত করার দাবি পাকিস্তানের॥ সীমান্তে উত্তেজনা -  দৈনিক সংগ্রাম

দুই দেশের সামরিক যোগাযোগ

উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, মঙ্গলবার দুই দেশের সামরিক অভিযানের প্রধানরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারতীয় পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সীমান্তে এ ধরনের ড্রোন অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না। তিনি আরও জানান, নিয়ন্ত্রণ রেখা জুড়ে ভারতীয় বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

অতীত সংঘাতের প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর অঞ্চলের উনিশশো সাতচল্লিশ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত। উভয় দেশই পুরো কাশ্মীর নিজেদের দাবি করে। গত বছরের মে মাসে চার দিনের সংঘাতে দুই পক্ষের অন্তত সত্তর জন নিহত হয়। সেই সংঘাতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী গোলাবর্ষণের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। ভারতের অভিযোগ ছিল, কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলায় পাকিস্তানের মদদ ছিল, যদিও ইসলামাবাদ তা অস্বীকার করে।

পাকিস্তান থেকে কাশ্মীরে আসছে 'রহস্যময়' ড্রোন: ভারত

 

অনুপ্রবেশ নিয়ে আশঙ্কা

সেনা প্রধানের মতে, ড্রোনগুলোর উদ্দেশ্য হতে পারে সীমান্ত প্রতিরক্ষায় কোনো ফাঁকফোকর আছে কি না তা খুঁজে দেখা। তাঁর আশঙ্কা, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাসী অনুপ্রবেশ ঘটানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হস্তক্ষেপে ঘুরে দাঁড়াল ইয়েন, আরও পদক্ষেপের ইঙ্গিত

কাশ্মীরে ড্রোন উত্তেজনা বাড়াল ভারত-পাকিস্তান টানাপোড়েন

০৪:০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

কাশ্মীরে ফের আকাশপথে উত্তেজনার অভিযোগ তুলেছে ভারত। সীমান্ত পেরিয়ে ভারত শাসিত কাশ্মীরের ভেতরে পাকিস্তানি ড্রোন ঢুকেছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, এই ধরনের তৎপরতা ভারতের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং তা বন্ধ করতে ইসলামাবাদকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সীমান্তে ড্রোন দেখা যাওয়ার দাবি

সেনাপ্রধান জানান, গত সপ্তাহে সীমান্তবর্তী গ্রাম গুলোর আকাশে একাধিক ড্রোন দেখা গেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার সর্বোচ্চ সাতটি এবং রোববার আরও দুই থেকে তিনটি ড্রোন ভারত শাসিত আকাশসীমায় ঢোকে। এসব ড্রোন নিচু হয়ে উড়ছিল এবং আলো জ্বালানো অবস্থায় ছিল। তাঁর ধারণা, এগুলো প্রতিরক্ষামূলক নজরদারি ড্রোন, যা ভারতের প্রস্তুতি যাচাই করতে পাঠানো হয়েছে।

ভারতীয় ড্রোন গুলী করে ভূপাতিত করার দাবি পাকিস্তানের॥ সীমান্তে উত্তেজনা -  দৈনিক সংগ্রাম

দুই দেশের সামরিক যোগাযোগ

উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, মঙ্গলবার দুই দেশের সামরিক অভিযানের প্রধানরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারতীয় পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সীমান্তে এ ধরনের ড্রোন অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না। তিনি আরও জানান, নিয়ন্ত্রণ রেখা জুড়ে ভারতীয় বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

অতীত সংঘাতের প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীর অঞ্চলের উনিশশো সাতচল্লিশ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত। উভয় দেশই পুরো কাশ্মীর নিজেদের দাবি করে। গত বছরের মে মাসে চার দিনের সংঘাতে দুই পক্ষের অন্তত সত্তর জন নিহত হয়। সেই সংঘাতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী গোলাবর্ষণের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। ভারতের অভিযোগ ছিল, কাশ্মীরে পর্যটকদের ওপর হামলায় পাকিস্তানের মদদ ছিল, যদিও ইসলামাবাদ তা অস্বীকার করে।

পাকিস্তান থেকে কাশ্মীরে আসছে 'রহস্যময়' ড্রোন: ভারত

 

অনুপ্রবেশ নিয়ে আশঙ্কা

সেনা প্রধানের মতে, ড্রোনগুলোর উদ্দেশ্য হতে পারে সীমান্ত প্রতিরক্ষায় কোনো ফাঁকফোকর আছে কি না তা খুঁজে দেখা। তাঁর আশঙ্কা, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাসী অনুপ্রবেশ ঘটানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।