০৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কুমিল্লায় রাজস্থানের উট ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড়, ঈদ বাজারে ৩২ লাখ টাকার আকর্ষণ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্কিনগর গ্রামের একটি খামার এখন স্থানীয় মানুষের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজস্থান থেকে আনা বিশালাকৃতির একটি উট দেখতে প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন শত শত মানুষ। অনেকের কাছে এটি জীবনে প্রথমবার কাছ থেকে উট দেখার অভিজ্ঞতা।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রাফি অ্যাগ্রো ফার্মে দেশি-বিদেশি নানা জাতের গরু, ছাগল ও মহিষ থাকলেও এবার সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে মরুভূমির প্রাণী হিসেবে পরিচিত উটটি। প্রায় ১০ ফুটের বেশি উচ্চতার এই উটটিকে দিনের বেলায় খামারের বাইরে রাখা হয়, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে দেখতে পারেন। খামারের কর্মীরা নিয়মিত পানি ছিটিয়ে উটটির পরিচর্যা করছেন।

স্থানীয়দের কৌতূহল

খামারে আসা দর্শনার্থীদের অনেকেই জানান, এতদিন তারা শুধু সিনেমা বা টেলিভিশনে উট দেখেছেন। বাস্তবে এত কাছ থেকে প্রাণীটিকে দেখা তাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার উটটিকে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করছেন।

খামার ঘুরতে আসা কয়েকজন বলেন, কুমিল্লায় আগে কখনও উট দেখেননি তারা। তাই পরিবার নিয়ে এখানে এসে সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে প্রাণীটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

কোরবানির বাজারে দেশি খামারের 'বিদেশি' পশু

উটটির যত্ন ও খাদ্য

খামারের তত্ত্বাবধায়ক সুমন ইসলাম জানান, উটটি স্বভাবগতভাবে শান্ত। প্রতিদিন এটি ভুট্টা, গম ও ঘাস খায়। এছাড়া দৈনিক প্রায় ৪০ লিটার পানি পান করে প্রাণীটি। তিনি বলেন, প্রতিদিন শতাধিক মানুষ শুধু উটটি দেখতেই খামারে আসছেন।

৩২ লাখ টাকার উট

খামারের মালিক জুয়েল আহমেদ জানান, রাজস্থান থেকে আনা উটটির ওজন ৯০০ কেজির বেশি। ঈদুল আজহার বাজারকে সামনে রেখে এর দাম ধরা হয়েছে ৩২ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে কয়েকজন সম্ভাব্য ক্রেতাও খামারে এসেছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ে বিক্রি না হলে উটটিকে পশুর হাটে তোলা হতে পারে। উট ছাড়াও তার খামারে শতাধিক দেশি ও বিদেশি জাতের গরু রয়েছে।

পশু চিকিৎসা সেবা নিয়ে অভিযোগ

জুয়েল আহমেদের অভিযোগ, ২০১৭ সালে খামার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সরাসরি খামার পরিদর্শনে আসেননি।

তবে কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল আলম বলেন, নিয়মিত ভেটেরিনারি সেবা দেওয়া হচ্ছে। সেবায় কোনো ঘাটতির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় রাজস্থান থেকে আনা উট দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত মানুষ। ঈদুল আজহার বাজারে ৩২ লাখ টাকার এই উট এখন স্থানীয়দের প্রধান আকর্ষণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কুমিল্লায় রাজস্থানের উট ঘিরে দর্শনার্থীদের ভিড়, ঈদ বাজারে ৩২ লাখ টাকার আকর্ষণ

০৫:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্কিনগর গ্রামের একটি খামার এখন স্থানীয় মানুষের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজস্থান থেকে আনা বিশালাকৃতির একটি উট দেখতে প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন শত শত মানুষ। অনেকের কাছে এটি জীবনে প্রথমবার কাছ থেকে উট দেখার অভিজ্ঞতা।

২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত রাফি অ্যাগ্রো ফার্মে দেশি-বিদেশি নানা জাতের গরু, ছাগল ও মহিষ থাকলেও এবার সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে মরুভূমির প্রাণী হিসেবে পরিচিত উটটি। প্রায় ১০ ফুটের বেশি উচ্চতার এই উটটিকে দিনের বেলায় খামারের বাইরে রাখা হয়, যাতে দর্শনার্থীরা সহজে দেখতে পারেন। খামারের কর্মীরা নিয়মিত পানি ছিটিয়ে উটটির পরিচর্যা করছেন।

স্থানীয়দের কৌতূহল

খামারে আসা দর্শনার্থীদের অনেকেই জানান, এতদিন তারা শুধু সিনেমা বা টেলিভিশনে উট দেখেছেন। বাস্তবে এত কাছ থেকে প্রাণীটিকে দেখা তাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার উটটিকে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করছেন।

খামার ঘুরতে আসা কয়েকজন বলেন, কুমিল্লায় আগে কখনও উট দেখেননি তারা। তাই পরিবার নিয়ে এখানে এসে সময় কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে প্রাণীটিকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।

কোরবানির বাজারে দেশি খামারের 'বিদেশি' পশু

উটটির যত্ন ও খাদ্য

খামারের তত্ত্বাবধায়ক সুমন ইসলাম জানান, উটটি স্বভাবগতভাবে শান্ত। প্রতিদিন এটি ভুট্টা, গম ও ঘাস খায়। এছাড়া দৈনিক প্রায় ৪০ লিটার পানি পান করে প্রাণীটি। তিনি বলেন, প্রতিদিন শতাধিক মানুষ শুধু উটটি দেখতেই খামারে আসছেন।

৩২ লাখ টাকার উট

খামারের মালিক জুয়েল আহমেদ জানান, রাজস্থান থেকে আনা উটটির ওজন ৯০০ কেজির বেশি। ঈদুল আজহার বাজারকে সামনে রেখে এর দাম ধরা হয়েছে ৩২ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে কয়েকজন সম্ভাব্য ক্রেতাও খামারে এসেছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়ে বিক্রি না হলে উটটিকে পশুর হাটে তোলা হতে পারে। উট ছাড়াও তার খামারে শতাধিক দেশি ও বিদেশি জাতের গরু রয়েছে।

পশু চিকিৎসা সেবা নিয়ে অভিযোগ

জুয়েল আহমেদের অভিযোগ, ২০১৭ সালে খামার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সরাসরি খামার পরিদর্শনে আসেননি।

তবে কুমিল্লা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শামসুল আলম বলেন, নিয়মিত ভেটেরিনারি সেবা দেওয়া হচ্ছে। সেবায় কোনো ঘাটতির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় রাজস্থান থেকে আনা উট দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন শত শত মানুষ। ঈদুল আজহার বাজারে ৩২ লাখ টাকার এই উট এখন স্থানীয়দের প্রধান আকর্ষণ।