০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে তিন দিন পর ফেরত নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সোমবার সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সীমান্তে পতাকা বৈঠক

বিজিবির পক্ষ থেকে উপ-অধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়। অপরদিকে বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন রানীনগর কোম্পানির কমান্ডার এ.সি. সুনীল কুমার যাদব।

বিজিবির দাবি অনুযায়ী, গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিএসএফ প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করে বিজিবি হেফাজতে নেয়।

বৈঠক হলেও সমাধান আসেনি

ঘটনার দিনই একটি পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে শনিবার বিলগাতুয়া এলাকার ১৫০/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে আরেকটি বৈঠক হয়। তবে সেদিন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

সেই বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে কাউকে বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করে। এমনকি প্রথমদিকে ওই ১২ জনকে ফিরিয়ে নিতেও অনীহা প্রকাশ করে।

পরবর্তীতে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্তের জন্য সময় চায়।

তিন দিন জিরো লাইনে দুর্ভোগ

বিজিবি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই ১২ জন তিন দিন ধরে সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থান করেন। তীব্র গরমের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে থাকায় তারা অসুস্থতা ও নানা ভোগান্তির মুখে পড়েন।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক বিজিবি

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের ফেরত নেওয়া ১২ জন

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ। বিজিবির প্রতিবাদের পর পতাকা বৈঠকে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ। প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো ব্যক্তিদের নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের টানাপোড়েনের অবসান ঘটে সোমবারের পতাকা বৈঠকে। পুরো ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবিক দুর্ভোগের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ

০৬:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে তিন দিন পর ফেরত নিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। সোমবার সকালে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে এই হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সীমান্তে পতাকা বৈঠক

বিজিবির পক্ষ থেকে উপ-অধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠকে অংশ নেয়। অপরদিকে বিএসএফের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন রানীনগর কোম্পানির কমান্ডার এ.সি. সুনীল কুমার যাদব।

বিজিবির দাবি অনুযায়ী, গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বিএসএফ প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে ১২ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করে বিজিবি হেফাজতে নেয়।

বৈঠক হলেও সমাধান আসেনি

ঘটনার দিনই একটি পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে শনিবার বিলগাতুয়া এলাকার ১৫০/৩-এস সীমান্ত পিলারের কাছে আরেকটি বৈঠক হয়। তবে সেদিন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

সেই বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে কাউকে বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করে। এমনকি প্রথমদিকে ওই ১২ জনকে ফিরিয়ে নিতেও অনীহা প্রকাশ করে।

পরবর্তীতে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্তের জন্য সময় চায়।

তিন দিন জিরো লাইনে দুর্ভোগ

বিজিবি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই ১২ জন তিন দিন ধরে সীমান্তের জিরো লাইনে অবস্থান করেন। তীব্র গরমের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে থাকায় তারা অসুস্থতা ও নানা ভোগান্তির মুখে পড়েন।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক বিজিবি

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের ফেরত নেওয়া ১২ জন

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ। বিজিবির প্রতিবাদের পর পতাকা বৈঠকে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

কুষ্টিয়া সীমান্তে তিন দিন পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ। প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো ব্যক্তিদের নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের টানাপোড়েনের অবসান ঘটে সোমবারের পতাকা বৈঠকে। পুরো ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবিক দুর্ভোগের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।