০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে ৪ জনকে ফিরিয়ে আনল বিজিবি, অনিশ্চয়তায় আরও ৫ জন

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার পর নো-ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া ৯ জনের একটি দলের মধ্যে চার সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে একই দলের আরও পাঁচজন এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই সন্তানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে তাদের রৌমারী থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

পাঁচ দিন ধরে সীমান্তে দুর্বিষহ জীবন

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উদ্ধার হওয়া পরিবারটি গত পাঁচ দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিল। খোলা আকাশের নিচে থাকা অবস্থায় তারা তীব্র রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

তবে একই দলের বাকি পাঁচজন এখনো সীমান্তে আটকে আছেন। তাদের ফেরত আনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

গত রোববার সকালে বাংলা ভাষাভাষী ৯ জনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর একটি কথিত চেষ্টা হয়। বিজিবি তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়েন।

এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা চলতে থাকে। পরিস্থিতি সমাধানে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সমাধানে চলছে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, অবশিষ্ট পাঁচজনের বিষয়েও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক পরিস্থিতি এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন নজর সবার।

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে চারজনকে ফিরিয়ে আনা হলেও পাঁচজন এখনো শূন্যরেখায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে ৪ জনকে ফিরিয়ে আনল বিজিবি, অনিশ্চয়তায় আরও ৫ জন

০৮:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কথিত ‘পুশ-ইন’ চেষ্টার পর নো-ম্যানস ল্যান্ডে আটকে পড়া ৯ জনের একটি দলের মধ্যে চার সদস্যের একটি পরিবারকে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে একই দলের আরও পাঁচজন এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকের পর মানবিক বিবেচনায় বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই সন্তানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে তাদের রৌমারী থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পুলিশ তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়।

পাঁচ দিন ধরে সীমান্তে দুর্বিষহ জীবন

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, উদ্ধার হওয়া পরিবারটি গত পাঁচ দিন ধরে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছিল। খোলা আকাশের নিচে থাকা অবস্থায় তারা তীব্র রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

তবে একই দলের বাকি পাঁচজন এখনো সীমান্তে আটকে আছেন। তাদের ফেরত আনার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গেছে। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ঘটনার সূত্রপাত

গত রোববার সকালে বাংলা ভাষাভাষী ৯ জনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর একটি কথিত চেষ্টা হয়। বিজিবি তাদের দেশে প্রবেশে বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়েন।

এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা চলতে থাকে। পরিস্থিতি সমাধানে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

সমাধানে চলছে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, অবশিষ্ট পাঁচজনের বিষয়েও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করতে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

সীমান্তে আটকে থাকা ব্যক্তিদের মানবিক পরিস্থিতি এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে এখন নজর সবার।

কুড়িগ্রাম সীমান্তে আটকে পড়া ৯ জনের মধ্যে চারজনকে ফিরিয়ে আনা হলেও পাঁচজন এখনো শূন্যরেখায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।