০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

কেনিয়ার মাসাই মারায় একা বেঁচে থাকা চিতা শাবককে ঘিরে তর্ক: বাঁচানো নাকি বশ মানানো?

মা নেই, তবু খাঁচাও নয়
কেনিয়ার মাসাই মারা সংরক্ষিত এলাকায় এক চিতা শাবকের মা সিংহের হামলায় মারা গেছে। শাবকটি এখনো নিজে শিকার ধরার বয়সে যায়নি। পুরোপুরি ছেড়ে দিলে সহজ শিকার হয়ে যেত হায়েনা ও অন্য শিকারির কাছে। তাই বনরক্ষীরা শাবকটিকে কাছ থেকে মনিটর করছে, সীমিত বোতলদুধ খাওয়াচ্ছে, কিন্তু খাঁচায় তুলছে না। তারা চায় শাবকটি ঘাসের মাঠেই বড় হোক, বন্য পরিবেশে দৌড়ানো, লুকোনো ও শিকার তাড়া করার অভ্যাস শিখুক। একইসাথে টহলদল পর্যায়ক্রমে পাহারা দিচ্ছে, যেন পাচারচক্র বা পর্যটকের ভিড় শাবকটিকে চাপ না দেয়।


বন্যপ্রাণী বনাম পর্যটন আয়ের সমীকরণ
এই ঘটনা আবার সামনে এনেছে পুরোনো বিতর্ক: মানুষ কতদূর পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করলে তা “রক্ষা” থাকে, আর কখন সেটা “পোষ মানানো” হয়ে দাঁড়ায়। পূর্ব আফ্রিকায় চিতার সংখ্যা বছর বছর কমছে; খরা, জমি দখল আর অবৈধ বেচাকেনা মিলিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন হচ্ছে। গাইডরা বলছেন, অনিয়মিত বৃষ্টি ও ঘাস কমে যাওয়া সিংহ ও চিতাকে ছোট এলাকায় ঠেলে দেয়, মুখোমুখি সংঘর্ষ বাড়ে। একই সময়ে কেনিয়ার সাফারি অর্থনীতি বেঁচে থাকা বন্য শিকারির ওপর নির্ভরশীল; পর্যটকরা বাচ্চা চিতা বাঁচতে দেখলে ভবিষ্যতে আরো বুকিং আসে, স্থানীয় কমিউনিটিও আয় পায়। সমালোচকেরা সতর্ক করছেন, মানুষ খুব বেশি হাতে ধরে বাঁচালে একধরনের “অর্ধবন্য শো-প্রাণী” তৈরি হয়, যা প্রকৃতিকে বিকৃত করে। বনরক্ষীরা বলছেন, পরিকল্পনা হলো মানুষি সহায়তা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়া, যাতে শাবকটি শেষ পর্যন্ত একা শিকার করতে পারে। তাদের ভাষায়, বিকল্প ছিল প্রায় নিশ্চিত মৃত্যু।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

কেনিয়ার মাসাই মারায় একা বেঁচে থাকা চিতা শাবককে ঘিরে তর্ক: বাঁচানো নাকি বশ মানানো?

০৪:৪৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

মা নেই, তবু খাঁচাও নয়
কেনিয়ার মাসাই মারা সংরক্ষিত এলাকায় এক চিতা শাবকের মা সিংহের হামলায় মারা গেছে। শাবকটি এখনো নিজে শিকার ধরার বয়সে যায়নি। পুরোপুরি ছেড়ে দিলে সহজ শিকার হয়ে যেত হায়েনা ও অন্য শিকারির কাছে। তাই বনরক্ষীরা শাবকটিকে কাছ থেকে মনিটর করছে, সীমিত বোতলদুধ খাওয়াচ্ছে, কিন্তু খাঁচায় তুলছে না। তারা চায় শাবকটি ঘাসের মাঠেই বড় হোক, বন্য পরিবেশে দৌড়ানো, লুকোনো ও শিকার তাড়া করার অভ্যাস শিখুক। একইসাথে টহলদল পর্যায়ক্রমে পাহারা দিচ্ছে, যেন পাচারচক্র বা পর্যটকের ভিড় শাবকটিকে চাপ না দেয়।


বন্যপ্রাণী বনাম পর্যটন আয়ের সমীকরণ
এই ঘটনা আবার সামনে এনেছে পুরোনো বিতর্ক: মানুষ কতদূর পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করলে তা “রক্ষা” থাকে, আর কখন সেটা “পোষ মানানো” হয়ে দাঁড়ায়। পূর্ব আফ্রিকায় চিতার সংখ্যা বছর বছর কমছে; খরা, জমি দখল আর অবৈধ বেচাকেনা মিলিয়ে বেঁচে থাকা কঠিন হচ্ছে। গাইডরা বলছেন, অনিয়মিত বৃষ্টি ও ঘাস কমে যাওয়া সিংহ ও চিতাকে ছোট এলাকায় ঠেলে দেয়, মুখোমুখি সংঘর্ষ বাড়ে। একই সময়ে কেনিয়ার সাফারি অর্থনীতি বেঁচে থাকা বন্য শিকারির ওপর নির্ভরশীল; পর্যটকরা বাচ্চা চিতা বাঁচতে দেখলে ভবিষ্যতে আরো বুকিং আসে, স্থানীয় কমিউনিটিও আয় পায়। সমালোচকেরা সতর্ক করছেন, মানুষ খুব বেশি হাতে ধরে বাঁচালে একধরনের “অর্ধবন্য শো-প্রাণী” তৈরি হয়, যা প্রকৃতিকে বিকৃত করে। বনরক্ষীরা বলছেন, পরিকল্পনা হলো মানুষি সহায়তা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেওয়া, যাতে শাবকটি শেষ পর্যন্ত একা শিকার করতে পারে। তাদের ভাষায়, বিকল্প ছিল প্রায় নিশ্চিত মৃত্যু।