১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

গর্ভাবস্থায় আতঙ্কের খবর থেকে দূরে থাকুন: চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা, মানসিক চাপেই বড় ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ মা ও অনাগত শিশুর ওপর পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সাম্প্রতিক সময়ের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ও ভয়াবহ খবরের প্রবাহে অনেক গর্ভবতী নারী উদ্বেগে ভুগছেন। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তথ্য জানা জরুরি হলেও আতঙ্ক ছড়ানো খবর বা সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ।

ভয় নয়, ভারসাম্যই প্রধান

চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ বিস্ফোরণ বা সাইরেনের মতো শব্দে আতঙ্ক তৈরি হলেও গর্ভের শিশুটি সাধারণত জরায়ু ও তরলের মধ্যে সুরক্ষিত থাকে। তবে মায়ের শরীরে যে মানসিক চাপের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, সেটিই আসল উদ্বেগের কারণ। এই চাপ শরীরের ভেতরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটিয়ে গর্ভের পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।

You Might Know More About Omega-3 and Pregnancy Than Your OB/GYN |  OmegaQuant

দীর্ঘস্থায়ী চাপের প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয় বা উদ্বেগ বাড়লে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো চাপ-সংক্রান্ত হরমোন বাড়ে। স্বল্প সময়ের চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও দীর্ঘ সময় ধরে এই অবস্থা থাকলে মায়ের ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ, আতঙ্ক কিংবা বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।

শিশুর বিকাশেও প্রভাবের আশঙ্কা

গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের শরীরের অতিরিক্ত চাপের হরমোন প্লাসেন্টা পেরিয়ে শিশুর শরীরেও পৌঁছাতে পারে। এতে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, বিশেষ করে আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও চাপ মোকাবিলার ক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

খবর গ্রহণে সচেতনতা জরুরি

চিকিৎসকেরা জোর দিয়ে বলছেন, গর্ভবতী নারীদের উচিত নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সীমিত পরিমাণে খবর নেওয়া। সামাজিক মাধ্যমে বারবার নেতিবাচক ছবি বা খবর দেখা উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়, যা এ সময়ের জন্য ক্ষতিকর।

Pregnant? Keep Safe From Lead - University of Maryland Medical System  Health Hub

সুস্থ রুটিন ও মানসিক সহায়তা

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং হালকা শারীরিক ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা, মানসিক সমর্থন পাওয়া—এসব বিষয় গর্ভবতী নারীর মানসিক স্থিতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

গর্ভাবস্থায় আতঙ্কের খবর থেকে দূরে থাকুন: চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা, মানসিক চাপেই বড় ঝুঁকি

০১:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

গর্ভাবস্থায় দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ মা ও অনাগত শিশুর ওপর পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। সাম্প্রতিক সময়ের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ও ভয়াবহ খবরের প্রবাহে অনেক গর্ভবতী নারী উদ্বেগে ভুগছেন। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তথ্য জানা জরুরি হলেও আতঙ্ক ছড়ানো খবর বা সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো থেকে বিরত থাকাই নিরাপদ।

ভয় নয়, ভারসাম্যই প্রধান

চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ বিস্ফোরণ বা সাইরেনের মতো শব্দে আতঙ্ক তৈরি হলেও গর্ভের শিশুটি সাধারণত জরায়ু ও তরলের মধ্যে সুরক্ষিত থাকে। তবে মায়ের শরীরে যে মানসিক চাপের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, সেটিই আসল উদ্বেগের কারণ। এই চাপ শরীরের ভেতরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটিয়ে গর্ভের পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।

You Might Know More About Omega-3 and Pregnancy Than Your OB/GYN |  OmegaQuant

দীর্ঘস্থায়ী চাপের প্রভাব

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভয় বা উদ্বেগ বাড়লে শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো চাপ-সংক্রান্ত হরমোন বাড়ে। স্বল্প সময়ের চাপ সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও দীর্ঘ সময় ধরে এই অবস্থা থাকলে মায়ের ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ, আতঙ্ক কিংবা বিষণ্নতার ঝুঁকি বাড়ে। একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।

শিশুর বিকাশেও প্রভাবের আশঙ্কা

গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ের শরীরের অতিরিক্ত চাপের হরমোন প্লাসেন্টা পেরিয়ে শিশুর শরীরেও পৌঁছাতে পারে। এতে শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, বিশেষ করে আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও চাপ মোকাবিলার ক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

খবর গ্রহণে সচেতনতা জরুরি

চিকিৎসকেরা জোর দিয়ে বলছেন, গর্ভবতী নারীদের উচিত নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সীমিত পরিমাণে খবর নেওয়া। সামাজিক মাধ্যমে বারবার নেতিবাচক ছবি বা খবর দেখা উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়, যা এ সময়ের জন্য ক্ষতিকর।

Pregnant? Keep Safe From Lead - University of Maryland Medical System  Health Hub

সুস্থ রুটিন ও মানসিক সহায়তা

গর্ভাবস্থায় নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা, পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার এবং হালকা শারীরিক ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা, মানসিক সমর্থন পাওয়া—এসব বিষয় গর্ভবতী নারীর মানসিক স্থিতি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।