০১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

গার্মেন্টস খাতে বড় ধাক্কাঃ রাজনৈতিক অস্থিরতায় ক্রেতাদের সফর বাতিল, দুই মৌসুমের রপ্তানি ঝুঁকিতে

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা সংকটে বৈশ্বিক ক্রেতারা একের পর এক কারখানা ভিজিট বাতিল করছেন। তাদের আস্থা কমে যাওয়ায় আগামী গ্রীষ্ম ও বসন্ত মৌসুমের অর্ডার ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দ্রুত বাড়ছে।

ক্রেতাদের আস্থা সংকটে পোশাক খাত

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে ঘিরে বিদেশি ক্রেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা ও নীতিগত বিভ্রান্তির কারণে নির্ধারিত কারখানা সফর ব্যাহত হচ্ছে—যা সরাসরি অর্ডার চূড়ান্তকরণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

নিরাপত্তাহীনতায় 'বাতিল' হচ্ছে ক্রয়াদেশ, বহু কারখানা বন্ধের শঙ্কা  ব্যবসায়ীদের

কারখানা ভিজিট বাতিল—অর্ডার সরিয়ে নেওয়ার শঙ্কা

পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের নেতারা জানান, বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর প্রতিনিধি এখন আর কারখানায় যেতে নিরাপদ বোধ করছেন না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতারা ভিজিট বাতিল করে হোটেল-কেন্দ্রিক বৈঠকে সীমাবদ্ধ থাকছেন। এতে প্রতিযোগী দেশে অর্ডার স্থানান্তরের ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

গুরুত্বপূর্ণ দুই মৌসুম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

নভেম্বর–ডিসেম্বর সময়টি গ্রীষ্মকালীন অর্ডার চূড়ান্ত ও বসন্ত মৌসুমের সোর্সিংয়ের জন্য সিদ্ধান্তমূলক। এই সময়ে ভিজিট বাতিল হওয়ায় আগামী দুই মৌসুমের রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রপ্তানি কমলো টানা ২ মাস

খাতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি সংকট

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন,
• এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির ঘাটতি
• শ্রম পরিবেশ নিয়ে বিতর্ক
• ২৫৮টির বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া
এসব কারণে সামগ্রিক চাপ গার্মেন্টস খাতে দ্রুত বাড়ছে।

স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া পুনরুদ্ধার কঠিন

নেতাদের মতে, নীতিগত সহায়তা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত না হলে ক্রেতাদের আস্থা ফিরবে না। ফলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও আরও নেমে যেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

গার্মেন্টস খাতে বড় ধাক্কাঃ রাজনৈতিক অস্থিরতায় ক্রেতাদের সফর বাতিল, দুই মৌসুমের রপ্তানি ঝুঁকিতে

০৪:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা সংকটে বৈশ্বিক ক্রেতারা একের পর এক কারখানা ভিজিট বাতিল করছেন। তাদের আস্থা কমে যাওয়ায় আগামী গ্রীষ্ম ও বসন্ত মৌসুমের অর্ডার ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দ্রুত বাড়ছে।

ক্রেতাদের আস্থা সংকটে পোশাক খাত

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে ঘিরে বিদেশি ক্রেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা ও নীতিগত বিভ্রান্তির কারণে নির্ধারিত কারখানা সফর ব্যাহত হচ্ছে—যা সরাসরি অর্ডার চূড়ান্তকরণকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

নিরাপত্তাহীনতায় 'বাতিল' হচ্ছে ক্রয়াদেশ, বহু কারখানা বন্ধের শঙ্কা  ব্যবসায়ীদের

কারখানা ভিজিট বাতিল—অর্ডার সরিয়ে নেওয়ার শঙ্কা

পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের নেতারা জানান, বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর প্রতিনিধি এখন আর কারখানায় যেতে নিরাপদ বোধ করছেন না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতারা ভিজিট বাতিল করে হোটেল-কেন্দ্রিক বৈঠকে সীমাবদ্ধ থাকছেন। এতে প্রতিযোগী দেশে অর্ডার স্থানান্তরের ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

গুরুত্বপূর্ণ দুই মৌসুম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

নভেম্বর–ডিসেম্বর সময়টি গ্রীষ্মকালীন অর্ডার চূড়ান্ত ও বসন্ত মৌসুমের সোর্সিংয়ের জন্য সিদ্ধান্তমূলক। এই সময়ে ভিজিট বাতিল হওয়ায় আগামী দুই মৌসুমের রপ্তানিতে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রপ্তানি কমলো টানা ২ মাস

খাতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি সংকট

শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলেন,
• এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির ঘাটতি
• শ্রম পরিবেশ নিয়ে বিতর্ক
• ২৫৮টির বেশি কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া
এসব কারণে সামগ্রিক চাপ গার্মেন্টস খাতে দ্রুত বাড়ছে।

স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া পুনরুদ্ধার কঠিন

নেতাদের মতে, নীতিগত সহায়তা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত না হলে ক্রেতাদের আস্থা ফিরবে না। ফলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও আরও নেমে যেতে পারে।