০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

গ্রামীণ শ্রমের অধিকার রক্ষায় কংগ্রেসের দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক

নয়াদিল্লি। মহাত্মা গান্ধীর নামে প্রণীত গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, এই পরিবর্তন কেবল একটি প্রকল্প সংশোধনের বিষয় নয়, বরং গরিবের অধিকার, যুক্তরাষ্ট্র কাঠামো ও গান্ধীয় আদর্শের ওপর সরাসরি আঘাত।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে দলীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গরিবের জন্য তৈরি একটি অধিকারভিত্তিক প্রকল্প ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, ধনীদের জন্য অঢেল অর্থ থাকলেও শ্রমজীবী মানুষের প্রাপ্য ন্যূনতম অংশ দিতে সরকারের সাহস নেই। এতে স্পষ্ট, শাসকরা ধনীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে, গরিবের পাশে নয়।

খাড়গে আরও বলেন, প্রকল্প থেকে মহাত্মা গান্ধীর নাম সরানোর উদ্যোগ জাতির জনকের প্রতি চরম অবমাননা। তাঁর ভাষায়, সোনিয়া গান্ধী ও ড. মনমোহন সিং এই কর্মসূচিকে আইনি অধিকারে রূপ দিয়েছিলেন। এখন নাম বদলের আড়ালে গান্ধীর আদর্শকেই মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে।

বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, এই প্রকল্প কেবল কাজের সুযোগ নয়, এটি বিশ্বস্বীকৃত একটি উন্নয়ন মডেল, যেখানে অধিকার ও বিকেন্দ্রীকরণ একসঙ্গে কাজ করে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যগুলোর অর্থ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, গ্রামীণ পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে এবং শ্রমজীবী মানুষের নিশ্চিত মজুরি ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

রাহুল গান্ধীর মতে, এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আদিবাসী, দলিত, অনগ্রসর শ্রেণি, সংখ্যালঘু ও দরিদ্র পরিবারগুলো। তাঁর অভিযোগ, গরিবের পকেট থেকে টাকা কেড়ে পছন্দের ধনীদের হাতে তুলে দেওয়াই এই নীতির মূল উদ্দেশ্য। তিনি একে গণতন্ত্রের তৃতীয় স্তর অর্থাৎ পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ওপর আঘাত বলেও উল্লেখ করেন।

কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছে, এই ইস্যুতে রাজপথে নেমে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং বিরোধী দলগুলোকেও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হবে। বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

গ্রামীণ শ্রমের অধিকার রক্ষায় কংগ্রেসের দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক

০৬:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

নয়াদিল্লি। মহাত্মা গান্ধীর নামে প্রণীত গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, এই পরিবর্তন কেবল একটি প্রকল্প সংশোধনের বিষয় নয়, বরং গরিবের অধিকার, যুক্তরাষ্ট্র কাঠামো ও গান্ধীয় আদর্শের ওপর সরাসরি আঘাত।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষে দলীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার গরিবের জন্য তৈরি একটি অধিকারভিত্তিক প্রকল্প ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, ধনীদের জন্য অঢেল অর্থ থাকলেও শ্রমজীবী মানুষের প্রাপ্য ন্যূনতম অংশ দিতে সরকারের সাহস নেই। এতে স্পষ্ট, শাসকরা ধনীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে আছে, গরিবের পাশে নয়।

খাড়গে আরও বলেন, প্রকল্প থেকে মহাত্মা গান্ধীর নাম সরানোর উদ্যোগ জাতির জনকের প্রতি চরম অবমাননা। তাঁর ভাষায়, সোনিয়া গান্ধী ও ড. মনমোহন সিং এই কর্মসূচিকে আইনি অধিকারে রূপ দিয়েছিলেন। এখন নাম বদলের আড়ালে গান্ধীর আদর্শকেই মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে।

বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, এই প্রকল্প কেবল কাজের সুযোগ নয়, এটি বিশ্বস্বীকৃত একটি উন্নয়ন মডেল, যেখানে অধিকার ও বিকেন্দ্রীকরণ একসঙ্গে কাজ করে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যগুলোর অর্থ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, গ্রামীণ পরিকাঠামো ভেঙে পড়ছে এবং শ্রমজীবী মানুষের নিশ্চিত মজুরি ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

রাহুল গান্ধীর মতে, এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আদিবাসী, দলিত, অনগ্রসর শ্রেণি, সংখ্যালঘু ও দরিদ্র পরিবারগুলো। তাঁর অভিযোগ, গরিবের পকেট থেকে টাকা কেড়ে পছন্দের ধনীদের হাতে তুলে দেওয়াই এই নীতির মূল উদ্দেশ্য। তিনি একে গণতন্ত্রের তৃতীয় স্তর অর্থাৎ পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ওপর আঘাত বলেও উল্লেখ করেন।

কংগ্রেস নেতৃত্ব জানিয়েছে, এই ইস্যুতে রাজপথে নেমে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এবং বিরোধী দলগুলোকেও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হবে। বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।