১২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে যাত্রীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইট ডাইভারশন হওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক বিমানের যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ থেকে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

কীভাবে শুরু হয় ভোগান্তি

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর তিনটা থেকে চারটার মধ্যে দিল্লি, মাস্কাট ও কুয়েত থেকে আসা বিমানের বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এসব ফ্লাইটে মোট এক হাজারের বেশি যাত্রী ছিলেন। ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইটগুলো নির্ধারিত গন্তব্যে যেতে না পেরে চট্টগ্রামে নামতে বাধ্য হয়।

২ মাস পর সচল চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর

খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ

অবতরণের পর যাত্রীদের ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলেও খাবারের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে যাত্রীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত সকালে ও দুপুরে ফ্লাইটগুলো আবার ঢাকায় ফিরে যায়।

বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা

দীর্ঘ সময় ধরে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় যাত্রীরা বিমানের ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিমানবন্দরের কিছু চেয়ারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উন্মুক্ত - AkashJatra

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও খাবারের অভাবে যাত্রীরা অধৈর্য হয়ে পড়েন। বিক্ষোভের সময় কয়েকটি চেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দাবি ও প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর যাত্রীরা এই দুর্ভোগের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানান। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য ঘটনাটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে যাত্রীদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর

০৯:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইট ডাইভারশন হওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক বিমানের যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ থেকে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

কীভাবে শুরু হয় ভোগান্তি

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর তিনটা থেকে চারটার মধ্যে দিল্লি, মাস্কাট ও কুয়েত থেকে আসা বিমানের বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তিনটি ফ্লাইট শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এসব ফ্লাইটে মোট এক হাজারের বেশি যাত্রী ছিলেন। ঘন কুয়াশার কারণে ফ্লাইটগুলো নির্ধারিত গন্তব্যে যেতে না পেরে চট্টগ্রামে নামতে বাধ্য হয়।

২ মাস পর সচল চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর

খাবারের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ

অবতরণের পর যাত্রীদের ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলেও খাবারের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাবে যাত্রীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত সকালে ও দুপুরে ফ্লাইটগুলো আবার ঢাকায় ফিরে যায়।

বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা

দীর্ঘ সময় ধরে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় যাত্রীরা বিমানের ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় বিমানবন্দরের কিছু চেয়ারে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তা বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট উন্মুক্ত - AkashJatra

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও খাবারের অভাবে যাত্রীরা অধৈর্য হয়ে পড়েন। বিক্ষোভের সময় কয়েকটি চেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নিরাপত্তা কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দাবি ও প্রতিক্রিয়া

ঘটনার পর যাত্রীরা এই দুর্ভোগের জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি জানান। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য ঘটনাটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।