১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

চীনের দ্রুত অ্যান্টি-সাবমেরিন ড্রোন অগ্রগতি কি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

চীনের অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্বেগকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। সাবমেরিন শনাক্ত ও প্রতিরোধে সক্ষম ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নজরদারি বিমান এখন চীনের সমন্বিত সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।

চীনের নতুন সাবমেরিন শিকারি ড্রোনের উন্মোচন
গত মাসে দুবাই এয়ারশোতে বিশ্বের প্রথম স্বাধীন সাবমেরিন হান্টার ড্রোনের পূর্ণাঙ্গ মডেল প্রকাশ করা হয়। এই প্রদর্শনী চীনের আধুনিক সমন্বিত অ্যান্টি-সাবমেরিন সিস্টেম গড়ে তোলার ধারাবাহিক অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উইং লুং-এক্স নামে পরিচিত রপ্তানিযোগ্য এই মানববিহীন উড়োজাহাজটি সাবমেরিন শনাক্ত ও প্রতিরোধে এমন কিছু সক্ষমতা দেখাতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বোয়িং পি-৮ পসাইডনসহ অন্যান্য মানবচালিত বিমানের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে উন্নত বলে মনে করা হচ্ছে।

নৌবাহিনীর নতুন হেলিকপ্টার যুক্ত হলো এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে
দুবাইতে ড্রোন প্রদর্শনের পরপরই চীনা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে দেশটির সর্বাধুনিক জাহাজ-ভিত্তিক অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টার জেড-২০এফ নভেম্বরে কমিশনপ্রাপ্ত বিমানবাহী রণতরী ‘ফুচিয়ান’-এ মোতায়েন করা হয়েছে। এটি চীনা নৌবাহিনীর সাবমেরিন প্রতিরোধ সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে নতুন নজরদারি বিমান ও আন্ডারওয়াটার ড্রোন
সেপ্টেম্বরের বিজয় দিবস প্যারেডে চীন প্রদর্শন করে তাদের নতুন প্রজন্মের বড় অ্যান্টি-সাবমেরিন ও সামুদ্রিক নজরদারি বিমান ওয়াই-৯কিউ। এর সঙ্গে দেখা যায় দুটি নতুন মানববিহীন জলের নিচে চলাচলকারী যান—এইচএসইউ১০০ ও এজেএক্স০০২। এগুলো চীনের সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত সমন্বয়কে আরও বিস্তৃত করেছে।

জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন বহর চীনের জন্য চ্যালেঞ্জ
চীনের এই অ্যান্টি-সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার একটি বড় কারণ হলো অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের উপস্থিতি। জাপানের মেরিটাইম সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে প্রথম দ্বীপমালার গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলো নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তাদের বিশাল ও শক্তিশালী সাবমেরিন বহর চীনের পিএলএ নৌবাহিনীর জন্য কৌশলগত বাধা তৈরি করে।

এই পরিস্থিতিতে চীন নিজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করে তোলার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, যার সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো অ্যান্টি-সাবমেরিন ড্রোন, নজরদারি বিমান এবং উন্নত হেলিকপ্টারের দ্রুত অগ্রগতি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

চীনের দ্রুত অ্যান্টি-সাবমেরিন ড্রোন অগ্রগতি কি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

১২:১১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

চীনের অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত উদ্বেগকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। সাবমেরিন শনাক্ত ও প্রতিরোধে সক্ষম ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নজরদারি বিমান এখন চীনের সমন্বিত সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল শক্তিতে পরিণত হচ্ছে।

চীনের নতুন সাবমেরিন শিকারি ড্রোনের উন্মোচন
গত মাসে দুবাই এয়ারশোতে বিশ্বের প্রথম স্বাধীন সাবমেরিন হান্টার ড্রোনের পূর্ণাঙ্গ মডেল প্রকাশ করা হয়। এই প্রদর্শনী চীনের আধুনিক সমন্বিত অ্যান্টি-সাবমেরিন সিস্টেম গড়ে তোলার ধারাবাহিক অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উইং লুং-এক্স নামে পরিচিত রপ্তানিযোগ্য এই মানববিহীন উড়োজাহাজটি সাবমেরিন শনাক্ত ও প্রতিরোধে এমন কিছু সক্ষমতা দেখাতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বোয়িং পি-৮ পসাইডনসহ অন্যান্য মানবচালিত বিমানের তুলনায় কিছু ক্ষেত্রে উন্নত বলে মনে করা হচ্ছে।

নৌবাহিনীর নতুন হেলিকপ্টার যুক্ত হলো এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে
দুবাইতে ড্রোন প্রদর্শনের পরপরই চীনা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে দেশটির সর্বাধুনিক জাহাজ-ভিত্তিক অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টার জেড-২০এফ নভেম্বরে কমিশনপ্রাপ্ত বিমানবাহী রণতরী ‘ফুচিয়ান’-এ মোতায়েন করা হয়েছে। এটি চীনা নৌবাহিনীর সাবমেরিন প্রতিরোধ সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে নতুন নজরদারি বিমান ও আন্ডারওয়াটার ড্রোন
সেপ্টেম্বরের বিজয় দিবস প্যারেডে চীন প্রদর্শন করে তাদের নতুন প্রজন্মের বড় অ্যান্টি-সাবমেরিন ও সামুদ্রিক নজরদারি বিমান ওয়াই-৯কিউ। এর সঙ্গে দেখা যায় দুটি নতুন মানববিহীন জলের নিচে চলাচলকারী যান—এইচএসইউ১০০ ও এজেএক্স০০২। এগুলো চীনের সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত সমন্বয়কে আরও বিস্তৃত করেছে।

জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন বহর চীনের জন্য চ্যালেঞ্জ
চীনের এই অ্যান্টি-সাবমেরিন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার একটি বড় কারণ হলো অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের উপস্থিতি। জাপানের মেরিটাইম সেল্ফ ডিফেন্স ফোর্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে প্রথম দ্বীপমালার গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক সংকীর্ণ পথগুলো নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তাদের বিশাল ও শক্তিশালী সাবমেরিন বহর চীনের পিএলএ নৌবাহিনীর জন্য কৌশলগত বাধা তৈরি করে।

এই পরিস্থিতিতে চীন নিজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করে তোলার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, যার সাম্প্রতিক উদাহরণ হলো অ্যান্টি-সাবমেরিন ড্রোন, নজরদারি বিমান এবং উন্নত হেলিকপ্টারের দ্রুত অগ্রগতি।