১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদের আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের

চীনে আটক মার্কিন নাগরিক ও শিক্ষাবিদ মিন জিনকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে—মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর এমন অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে চীন।

শুক্রবার চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্কিন গবেষককে আটকের ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘অন্যায় আটক’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, মিন জিনের মুক্তি নিশ্চিত করাকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

মুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মিন জিনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাঁর বক্তব্যের পরই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, শিক্ষাবিদের মুক্তির জন্য তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।

মিন জিন মিয়ানমারের একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাঁকে চীনে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

চীনের অবস্থান

বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিন জিনকে আটকের ক্ষেত্রে চীনের আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে এটিকে অন্যায় বা বেআইনি আটক হিসেবে চিহ্নিত করার মার্কিন প্রচেষ্টার সঙ্গে তারা একমত নয়।

চীনের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন দুই দেশের মধ্যেই বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। একজন মার্কিন নাগরিক ও শিক্ষাবিদকে আটকের ঘটনা সেই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

মিন জিনের মুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য অবস্থান এবং চীনের পাল্টা প্রত্যাখ্যান দুই দেশের সম্পর্কের সংবেদনশীলতার বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে মার্কিন নাগরিকদের চীনে আটক বা আইনি জটিলতায় পড়ার ঘটনাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের উদ্বেগের কারণ।

মিন জিনের মামলায় পরবর্তী সময়ে চীন কী পদক্ষেপ নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিষয়টি এগিয়ে নেয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদ আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং; মিন জিনের মুক্তি নিশ্চিত করতে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদের আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের

০৮:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

চীনে আটক মার্কিন নাগরিক ও শিক্ষাবিদ মিন জিনকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে—মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর এমন অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে চীন।

শুক্রবার চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, মার্কিন গবেষককে আটকের ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘অন্যায় আটক’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, মিন জিনের মুক্তি নিশ্চিত করাকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

মুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, মিন জিনের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। তাঁর বক্তব্যের পরই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, শিক্ষাবিদের মুক্তির জন্য তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।

মিন জিন মিয়ানমারের একজন শিক্ষাবিদ ও গবেষক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাঁকে চীনে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

চীনের অবস্থান

বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিন জিনকে আটকের ক্ষেত্রে চীনের আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ফলে এটিকে অন্যায় বা বেআইনি আটক হিসেবে চিহ্নিত করার মার্কিন প্রচেষ্টার সঙ্গে তারা একমত নয়।

চীনের এই অবস্থান এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন দুই দেশের মধ্যেই বিভিন্ন ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। একজন মার্কিন নাগরিক ও শিক্ষাবিদকে আটকের ঘটনা সেই উত্তেজনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নতুন করে বাড়ছে উত্তেজনা

মিন জিনের মুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য অবস্থান এবং চীনের পাল্টা প্রত্যাখ্যান দুই দেশের সম্পর্কের সংবেদনশীলতার বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে মার্কিন নাগরিকদের চীনে আটক বা আইনি জটিলতায় পড়ার ঘটনাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের উদ্বেগের কারণ।

মিন জিনের মামলায় পরবর্তী সময়ে চীন কী পদক্ষেপ নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিষয়টি এগিয়ে নেয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

চীনে মার্কিন শিক্ষাবিদ আটক নিয়ে রুবিওর অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং; মিন জিনের মুক্তি নিশ্চিত করতে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।