০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

চীন-রাশিয়ার যৌথ বোমারু টহলে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধবিমান মোতায়েন

চীন ও রাশিয়ার যৌথ কৌশলগত বোমারু বিমান টহলকে ঘিরে পূর্ব এশিয়ায় আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। শনিবার দুই দেশের যৌথ টহলের জবাবে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া দ্রুত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মধ্যেই এ ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

যৌথ টহলে চীন ও রাশিয়া

চীনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, যৌথ টহলটি জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশসীমা ঘিরে পরিচালিত হয়েছে। এতে চীনের এইচ-৬ এবং রাশিয়ার টিইউ-৯৫ কৌশলগত বোমারু বিমান অংশ নেয়।

চীনের দাবি, এ ধরনের যৌথ টহলের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের সমন্বিত সক্ষমতা প্রদর্শন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার অঙ্গীকার তুলে ধরা।

Joint Chinese-Russian Bomber Patrol Sends Japanese, South Korean Fighters  Scrambling

সতর্ক অবস্থানে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া

যৌথ টহলের সময় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং সম্ভাব্য যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় যুদ্ধবিমান উড়িয়ে দেয়। জাপান জানায়, তারা চীনের এইচ-৬ এবং রাশিয়ার টিইউ-৯৫ বোমারু বিমানের পৃথক দুটি উড্ডয়ন শনাক্ত করে, যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে।

এ ধরনের টহল আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় পরিচালিত হলেও আঞ্চলিক দেশগুলো সাধারণত নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকে।

চলতি বছরের প্রথম যৌথ অভিযান

রাশিয়া ও চীন একে অপরের সমর্থনে 'একে অপরের পাশে' দাঁড়াবে

চীন ও রাশিয়ার এটি ২০১৯ সালের পর থেকে ১১তম যৌথ কৌশলগত বোমারু বিমান টহল। তবে ২০২৬ সালে এটিই প্রথম যৌথ অভিযান। সামরিক সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে দুই দেশ নিয়মিত এ ধরনের মহড়া ও টহল পরিচালনা করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পূর্ব এশিয়ায় সামরিক তৎপরতা এবং কৌশলগত প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সতর্ক অবস্থান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন বলছে, এই যৌথ টহল কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং সমন্বিত সক্ষমতার অংশ হিসেবেই এটি পরিচালিত হয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

চীন-রাশিয়ার যৌথ বোমারু টহলে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধবিমান মোতায়েন

০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

চীন ও রাশিয়ার যৌথ কৌশলগত বোমারু বিমান টহলকে ঘিরে পূর্ব এশিয়ায় আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। শনিবার দুই দেশের যৌথ টহলের জবাবে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া দ্রুত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। সাম্প্রতিক সময়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মধ্যেই এ ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

যৌথ টহলে চীন ও রাশিয়া

চীনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, যৌথ টহলটি জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের আকাশসীমা ঘিরে পরিচালিত হয়েছে। এতে চীনের এইচ-৬ এবং রাশিয়ার টিইউ-৯৫ কৌশলগত বোমারু বিমান অংশ নেয়।

চীনের দাবি, এ ধরনের যৌথ টহলের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের সমন্বিত সক্ষমতা প্রদর্শন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার অঙ্গীকার তুলে ধরা।

Joint Chinese-Russian Bomber Patrol Sends Japanese, South Korean Fighters  Scrambling

সতর্ক অবস্থানে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া

যৌথ টহলের সময় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং সম্ভাব্য যেকোনো ঝুঁকি মোকাবিলায় যুদ্ধবিমান উড়িয়ে দেয়। জাপান জানায়, তারা চীনের এইচ-৬ এবং রাশিয়ার টিইউ-৯৫ বোমারু বিমানের পৃথক দুটি উড্ডয়ন শনাক্ত করে, যা পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে।

এ ধরনের টহল আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় পরিচালিত হলেও আঞ্চলিক দেশগুলো সাধারণত নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকে।

চলতি বছরের প্রথম যৌথ অভিযান

রাশিয়া ও চীন একে অপরের সমর্থনে 'একে অপরের পাশে' দাঁড়াবে

চীন ও রাশিয়ার এটি ২০১৯ সালের পর থেকে ১১তম যৌথ কৌশলগত বোমারু বিমান টহল। তবে ২০২৬ সালে এটিই প্রথম যৌথ অভিযান। সামরিক সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে দুই দেশ নিয়মিত এ ধরনের মহড়া ও টহল পরিচালনা করে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পূর্ব এশিয়ায় সামরিক তৎপরতা এবং কৌশলগত প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সতর্ক অবস্থান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চীন বলছে, এই যৌথ টহল কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং সমন্বিত সক্ষমতার অংশ হিসেবেই এটি পরিচালিত হয়েছে।