১২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ছোট শিশুরাও হাঁস হাঁস বলে স্লোগান দিচ্ছে: রুমিন ফারহানা

০৪:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনে তার জন্য বরাদ্দ হয়েছে হাঁস প্রতীক।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই প্রতীক তুলে দেন।

প্রতীক পেয়ে অনুভূতির কথা জানালেন রুমিন ফারহানা

হাঁস চুরির চেষ্টা করলে ছাড় দেব না', প্রতীক পেয়ে ...

হাঁস প্রতীক পেয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের জানান, তিনি তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসেন। তাদের সমর্থন ও ভালোবাসাই তাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, যখন তিনি নির্বাচনী এলাকায় যান, তখন ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা বলে স্লোগান দিতে থাকে। এই প্রতীক তার ব্যক্তিগত পরিচয়ের চেয়ে বেশি তার ভোটারদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি জানান, একসময় তিনি নিজেও হাঁস পালন করতেন, ফলে প্রতীকটির সঙ্গে তার ব্যক্তিগত স্মৃতিও জড়িত।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সতর্কবার্তা

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এই নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কালিমা না লাগে, সে জন্য প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিও আহ্বান জানান, বৃহত্তর স্বার্থে যেন তাদের নেতাকর্মীরা কোনো অসংলগ্ন আচরণ না করেন, আইন ভঙ্গ না করেন এবং অসভ্য আচরণ থেকে বিরত থাকেন। তার মতে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হবে নির্বাচনী মাঠে শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় যদি অনিয়মের দাগ পড়ে, সেই দায় শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোকেই দীর্ঘদিন বহন করতে হবে। তাই সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হলো একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।