০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জকিগঞ্জে সংখ্যালঘু নেতার বাড়িতে ডাকাতি

জকিগঞ্জের বারঠাকুরী ইউনিয়নের আমলসীদ গ্রামে এক সংখ্যালঘু নেতার বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদল।

পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এই ডাকাতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে হয়। মামলা হওয়ার পরও তিন দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি এবং ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতেও ব্যর্থ হয়েছে। এতে পুরো উপজেলাজুড়ে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

পরিদর্শন দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক মেম্বার রনোজিত বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত রায় অমৃত, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রতেশ্বর বিশ্বাস ও প্রদীপ বিশ্বাস প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ২৪ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র ডাকাতরা পরিবারের নারী ও শিশুকে জিম্মি করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ও আরও কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৫ নভেম্বর রাতে ডা. বিভাকর দেশমুখ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জকিগঞ্জে সংখ্যালঘু নেতার বাড়িতে ডাকাতি

০৮:৫৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

জকিগঞ্জের বারঠাকুরী ইউনিয়নের আমলসীদ গ্রামে এক সংখ্যালঘু নেতার বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদল।

পরিদর্শনে এসে তারা বলেন, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এই ডাকাতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে হয়। মামলা হওয়ার পরও তিন দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি এবং ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতেও ব্যর্থ হয়েছে। এতে পুরো উপজেলাজুড়ে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

পরিদর্শন দলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাবেক মেম্বার রনোজিত বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত রায় অমৃত, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রতেশ্বর বিশ্বাস ও প্রদীপ বিশ্বাস প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ২৪ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র ডাকাতরা পরিবারের নারী ও শিশুকে জিম্মি করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ও আরও কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরদিন ২৫ নভেম্বর রাতে ডা. বিভাকর দেশমুখ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।