০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জাতিসংঘ ইরানের বিদ্যালয়ে হামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার দাবি জানাল

আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রশ্নে উত্তেজনা বাড়ছে

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের জরুরি অধিবেশনে বলেছেন, দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে ইয়াস নাবি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন হামলার তদন্ত যত দ্রুত সম্ভব শেষ করতে হবে এবং ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এই বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনেই। যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র কর্মকর্তারা বলেছেন ঘটনাটি তদন্তাধীন। তুর্ক বলেছেন, “যে ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার আহ্বান  জাতিসংঘের

এই অধিবেশন ইরানের অনুরোধে ডাকা হয়েছে। ইরান যুদ্ধে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিযোগ জানাচ্ছে। বিদ্যালয়, হাসপাতাল, সম্প্রচার কেন্দ্র এবং ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় সুরক্ষিত। এই ধরনের স্থানে হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে তারা সামরিক লক্ষ্যবস্তু নিশানা করছে এবং বেসামরিক হতাহত এড়াতে সতর্কতা নিচ্ছে।

এই যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এখন পর্যন্ত ১,৯৩৭ জন নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা হরানার হিসাবে ১,৩৫৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। লেবাননে ১২১ শিশুসহ ১,১৪২ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সারা অঞ্চলে মোট মৃতের সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের স্কুলে হামলার ঘটনায় 'বিচার' দাবি জাতিসংঘের

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এই যুদ্ধ নিয়ে জনমানসে গভীর ক্ষোভ রয়েছে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সাধারণ মানুষ ইরানের বেসামরিক হতাহতের খবরে উদ্বিগ্ন। এই যুদ্ধের সরাসরি কূটনৈতিক প্রভাব না থাকলেও জনমতের চাপে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের সরকার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এই যুদ্ধে কার্যত অচল, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রাখে। এই পরিস্থিতিতে মানবাধিকার পরিষদই একমাত্র আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জাতিসংঘ ইরানের বিদ্যালয়ে হামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার দাবি জানাল

০৩:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রশ্নে উত্তেজনা বাড়ছে

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের জরুরি অধিবেশনে বলেছেন, দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে ইয়াস নাবি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন হামলার তদন্ত যত দ্রুত সম্ভব শেষ করতে হবে এবং ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এই বিদ্যালয়ে হামলা হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনেই। যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র কর্মকর্তারা বলেছেন ঘটনাটি তদন্তাধীন। তুর্ক বলেছেন, “যে ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে তার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার আহ্বান  জাতিসংঘের

এই অধিবেশন ইরানের অনুরোধে ডাকা হয়েছে। ইরান যুদ্ধে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা নিয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিযোগ জানাচ্ছে। বিদ্যালয়, হাসপাতাল, সম্প্রচার কেন্দ্র এবং ঐতিহাসিক স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় সুরক্ষিত। এই ধরনের স্থানে হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে তারা সামরিক লক্ষ্যবস্তু নিশানা করছে এবং বেসামরিক হতাহত এড়াতে সতর্কতা নিচ্ছে।

এই যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এখন পর্যন্ত ১,৯৩৭ জন নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা হরানার হিসাবে ১,৩৫৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। লেবাননে ১২১ শিশুসহ ১,১৪২ জন নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সারা অঞ্চলে মোট মৃতের সংখ্যা ৩,০০০ ছাড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের স্কুলে হামলার ঘটনায় 'বিচার' দাবি জাতিসংঘের

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোতে এই যুদ্ধ নিয়ে জনমানসে গভীর ক্ষোভ রয়েছে। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সাধারণ মানুষ ইরানের বেসামরিক হতাহতের খবরে উদ্বিগ্ন। এই যুদ্ধের সরাসরি কূটনৈতিক প্রভাব না থাকলেও জনমতের চাপে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের সরকার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এই যুদ্ধে কার্যত অচল, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ভেটো প্রদানের ক্ষমতা রাখে। এই পরিস্থিতিতে মানবাধিকার পরিষদই একমাত্র আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে।