০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলো চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র

  • Sarakhon Report
  • ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 150

ডিসেম্বর ২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ টাওয়ার প্রকল্প ‘আকসাই হুইতোং নিউ এনার্জি সোলার ফার্ম’ শনিবার থেকে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উত্তরপশ্চিম চীনের কানসু প্রদেশের আকসাই কাজাখ স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টিতে অবস্থিত। এই অত্যাধুনিক প্রকল্পটি চীনের তৈরি পেন্টাগোনাল হেলিওস্ট্যাট (বড় আয়না) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, যার প্রতিটির ওজন ১ দশমিক ২ টন এবং সূর্যালোক টাওয়ারে পাঠাতে ৪৮ বর্গমিটার অঞ্চলজুড়ে রয়েছে বড় বড় আয়না।

দুই ধরনের পদ্ধতি মিলিয়ে এ প্রকল্পটি মোট ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। যার মধ্যে রয়েছে ১১০ মেগাওয়াট সৌর তাপীয় বিদ্যুৎ এবং ৬৪০ মেগাওয়াট সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎ। ফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে খরচ কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝামেলা এড়াতে, একটি নতুন পদ্ধতি বের করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে “ইন্টেলিজেন্ট কাপলিং”। এখানে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আরও দক্ষ করা হবে এবং সিস্টেমটিকে নিরীক্ষণ করা হবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ফাং চুন বলেন, ‘দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি প্যানেলে পড়ে এবং সেখান থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। বড় বড় আয়না (হেলিওস্ট্যাট) সূর্যের আলোকে এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে। এই আলো একটা টাওয়ারের উপরে পড়ে এবং সেখানে থাকা এক ধরনের পাত্রকে খুব গরম করে দেয়। এই পাত্রে গরম পানি জমা হয়ে থাকে। রাতের বেলা এই গরম পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। এই বাষ্প দিয়ে জেনারেটর চালানো হয় যা বিদ্যুৎ তৈরি করে। এই মোডটি রাতে স্থিতিশীলভাবে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।’

সৌর ক্ষেত্রটি বছরে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেশটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শুভ/শান্তা

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলো চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র

০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

ডিসেম্বর ২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ টাওয়ার প্রকল্প ‘আকসাই হুইতোং নিউ এনার্জি সোলার ফার্ম’ শনিবার থেকে পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। একই সঙ্গে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রকে দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উত্তরপশ্চিম চীনের কানসু প্রদেশের আকসাই কাজাখ স্বায়ত্তশাসিত কাউন্টিতে অবস্থিত। এই অত্যাধুনিক প্রকল্পটি চীনের তৈরি পেন্টাগোনাল হেলিওস্ট্যাট (বড় আয়না) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, যার প্রতিটির ওজন ১ দশমিক ২ টন এবং সূর্যালোক টাওয়ারে পাঠাতে ৪৮ বর্গমিটার অঞ্চলজুড়ে রয়েছে বড় বড় আয়না।

দুই ধরনের পদ্ধতি মিলিয়ে এ প্রকল্পটি মোট ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। যার মধ্যে রয়েছে ১১০ মেগাওয়াট সৌর তাপীয় বিদ্যুৎ এবং ৬৪০ মেগাওয়াট সৌর ফটোভোলটাইক বিদ্যুৎ। ফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আগস্ট মাসের মাঝামাঝি থেকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে খরচ কমানো এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে ঝামেলা এড়াতে, একটি নতুন পদ্ধতি বের করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে “ইন্টেলিজেন্ট কাপলিং”। এখানে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আরও দক্ষ করা হবে এবং সিস্টেমটিকে নিরীক্ষণ করা হবে।

প্রকল্পের ব্যবস্থাপক ফাং চুন বলেন, ‘দিনের বেলা সূর্যের আলো সরাসরি প্যানেলে পড়ে এবং সেখান থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয়। বড় বড় আয়না (হেলিওস্ট্যাট) সূর্যের আলোকে এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে। এই আলো একটা টাওয়ারের উপরে পড়ে এবং সেখানে থাকা এক ধরনের পাত্রকে খুব গরম করে দেয়। এই পাত্রে গরম পানি জমা হয়ে থাকে। রাতের বেলা এই গরম পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। এই বাষ্প দিয়ে জেনারেটর চালানো হয় যা বিদ্যুৎ তৈরি করে। এই মোডটি রাতে স্থিতিশীলভাবে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।’

সৌর ক্ষেত্রটি বছরে ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশাল সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি দেশটির বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়েও এই প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শুভ/শান্তা

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি