০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মূল্যস্ফীতি ৩.৪%-এ অনড়, সুদ বাড়ানোর পথে ফেড চীনা স্যাটেলাইটের ছবি ব্যবহার করেই কি ইরান হামলা চালিয়েছিল মার্কিন ঘাঁটিতে? শান্তির দূত হতে চায় ব্রিকস, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে শির সঙ্গে মোদির বৈঠক পদ্মার পানি বাড়ছে, দৌলতপুরে ৩৫ গ্রামের ৬০ হাজার মানুষ পানিবন্দি রাজধানীর আদাবরে ১০ টুকরো মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় মেলেনি মোদি-শি বৈঠকে সীমান্ত শান্তির বার্তা, ‘মতপার্থক্য যেন বিরোধে না গড়ায়’ ইউরোপে ইসলাম নয়, ইসলামপন্থা আর ভীতিই আসল সংকট আর্জেন্টিনায় মিলেইর অর্থনৈতিক সাফল্য, তবু বাড়ছে জনরোষ ভারতের বাজারে দ্রুত বাড়ছে পনিরের চাহিদা, বদলে যাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস সরকারের সমালোচনা করার অধিকারই গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা

জাপানিদের জন্য ভিসা ফি সাত গুণ বাড়াল চীন

জাপানি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি সাত গুণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। জাপান গত জুলাইয়ে বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি বাড়ানোর পরই এই পাল্টা সিদ্ধান্ত নিল বেইজিং।

দুই দেশের মধ্যে ভিসা ফি নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো যখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ইতিমধ্যে নানা টানাপোড়েন বিদ্যমান। পর্যটন ও ব্যবসায়িক যাতায়াতের ওপর এই ফি বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা ফি বাড়ানোর এই ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ সাধারণত কূটনৈতিক বার্তা দেওয়ার একটি সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে সরাসরি বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পথে না গিয়েও প্রতিবাদ জানানো যায়। জাপান-চীন সম্পর্কে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূরাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নানা ইস্যু নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

উভয় দেশের পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ জাপান ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক পর্যটন দুই দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফি বৃদ্ধির ফলে স্বল্পমেয়াদে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণেচ্ছুক মানুষের সংখ্যা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিসা ফির এই পাল্টাপাল্টি বৃদ্ধি প্রমাণ করে, বড় আকারের সংঘাত ছাড়াও প্রতিবেশী দুই দেশ কীভাবে ছোট ছোট প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেও একে অপরকে বার্তা দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতি ৩.৪%-এ অনড়, সুদ বাড়ানোর পথে ফেড

জাপানিদের জন্য ভিসা ফি সাত গুণ বাড়াল চীন

০৭:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাপানি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি সাত গুণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। জাপান গত জুলাইয়ে বিদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা ফি বাড়ানোর পরই এই পাল্টা সিদ্ধান্ত নিল বেইজিং।

দুই দেশের মধ্যে ভিসা ফি নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো যখন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ইতিমধ্যে নানা টানাপোড়েন বিদ্যমান। পর্যটন ও ব্যবসায়িক যাতায়াতের ওপর এই ফি বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ভিসা ফি বাড়ানোর এই ধরনের পাল্টা পদক্ষেপ সাধারণত কূটনৈতিক বার্তা দেওয়ার একটি সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে সরাসরি বাণিজ্যিক বা কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পথে না গিয়েও প্রতিবাদ জানানো যায়। জাপান-চীন সম্পর্কে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূরাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক নানা ইস্যু নিয়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

উভয় দেশের পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন, কারণ জাপান ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক পর্যটন দুই দেশের অর্থনীতিতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফি বৃদ্ধির ফলে স্বল্পমেয়াদে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণেচ্ছুক মানুষের সংখ্যা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিসা ফির এই পাল্টাপাল্টি বৃদ্ধি প্রমাণ করে, বড় আকারের সংঘাত ছাড়াও প্রতিবেশী দুই দেশ কীভাবে ছোট ছোট প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেও একে অপরকে বার্তা দিতে পারে।