০৮:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জাপানের বিমানবন্দরে দ্রুততর ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ব্যবস্থা: ফুকুওকাতেও চালু হবে

নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য
জাপান ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য প্রবেশ প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে বিমানবন্দরগুলোতে একসাথে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সম্পন্ন করার ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করছে। এর ফলে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষার সময় কমবে এবং বিমানবন্দরগুলোর চাপও হ্রাস পাবে।

ফুকুওকা বিমানবন্দরে নতুন ব্যবস্থা
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ কিউশু দ্বীপের ফুকুওকা বিমানবন্দরে এই সমন্বিত ব্যবস্থা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। টোকিওর কাছে নারিতা বিমানবন্দরে ইতিমধ্যে একটি টার্মিনালে এই সেবা চালু হয়েছে এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনটি টার্মিনালেই এটি স্থাপন করার পরিকল্পনা আছে।

কীভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা
জাপানে প্রবেশের সময় যাত্রীদের সাধারণত দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়—

ইমিগ্রেশন: ভ্রমণকারীর দেশে প্রবেশের যোগ্যতা যাচাই।কাস্টমস: নিষিদ্ধ বা বেআইনি পণ্য শনাক্ত করা।

এখন এই দুটি ধাপকে একত্রিত করা হবে। “জয়েন্ট কিয়স্ক” ব্যবহার করে যাত্রীরা একবারেই সব তথ্য জমা দিতে পারবেন। পাসপোর্টের পাশাপাশি আগেই দেওয়া ছবি, আঙুলের ছাপ এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে সিস্টেম যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করবে।

কোথায় কোথায় কিয়স্ক চালু
নারিতার টার্মিনাল ৩ ছাড়াও টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর এবং ওসাকার কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই কিয়স্ক ইতিমধ্যেই ব্যবহার হচ্ছে। ফুকুওকা ও নারিতায় শিগগিরই আরও বহু কিয়স্ক স্থাপন করা হবে।

বাড়তি যাত্রীর চাপ
২০২৪ সালে জাপানে ৩ কোটি ৬০ লাখের বেশি বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন, যা কোভিড-১৯ এর আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের ধারণা, যৌথ ইমিগ্রেশন-কাস্টমস ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে অপেক্ষার সময় কমবে এবং বিমানবন্দরগুলোর ভিড়ও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

শুধু ফুকুওকা বিমানবন্দরেই ২০২৪ অর্থবছরে রেকর্ড ৮৫ লাখ আন্তর্জাতিক যাত্রী এসেছে। তবে ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির তথ্যে দেখা যায়, এখানে বিদেশি যাত্রীদের অনেক সময় এক ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষা করতে হয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
জাপান শুধু ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস একত্রিত করছে না, দক্ষতা বাড়ানোর আরও পরিকল্পনাও নিয়েছে। ২০২৮ অর্থবছরে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু হবে, যেখানে স্বল্পমেয়াদি ভিসা ছাড়াই প্রবেশকারী বিদেশি ভ্রমণকারীদের ভ্রমণের আগে অনলাইনে তথ্য (যেমন পেশা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও থাকার জায়গা) জমা দিতে হবে।

দেশে প্রবেশের পর তারা ছবি ও আঙুলের ছাপ স্ক্যান করাবেন। যদি কোনো সমস্যা না থাকে, স্বয়ংক্রিয় গেট দিয়ে সহজেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাপান আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ প্রবেশ ব্যবস্থা তৈরি করতে চাইছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জাপানের বিমানবন্দরে দ্রুততর ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ব্যবস্থা: ফুকুওকাতেও চালু হবে

১১:৫৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য
জাপান ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য প্রবেশ প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে বিমানবন্দরগুলোতে একসাথে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস সম্পন্ন করার ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করছে। এর ফলে যাত্রীদের জন্য অপেক্ষার সময় কমবে এবং বিমানবন্দরগুলোর চাপও হ্রাস পাবে।

ফুকুওকা বিমানবন্দরে নতুন ব্যবস্থা
২০২৫ সালের শেষ নাগাদ কিউশু দ্বীপের ফুকুওকা বিমানবন্দরে এই সমন্বিত ব্যবস্থা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। টোকিওর কাছে নারিতা বিমানবন্দরে ইতিমধ্যে একটি টার্মিনালে এই সেবা চালু হয়েছে এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনটি টার্মিনালেই এটি স্থাপন করার পরিকল্পনা আছে।

কীভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা
জাপানে প্রবেশের সময় যাত্রীদের সাধারণত দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়—

ইমিগ্রেশন: ভ্রমণকারীর দেশে প্রবেশের যোগ্যতা যাচাই।কাস্টমস: নিষিদ্ধ বা বেআইনি পণ্য শনাক্ত করা।

এখন এই দুটি ধাপকে একত্রিত করা হবে। “জয়েন্ট কিয়স্ক” ব্যবহার করে যাত্রীরা একবারেই সব তথ্য জমা দিতে পারবেন। পাসপোর্টের পাশাপাশি আগেই দেওয়া ছবি, আঙুলের ছাপ এবং অন্যান্য তথ্য দিয়ে সিস্টেম যাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করবে।

কোথায় কোথায় কিয়স্ক চালু
নারিতার টার্মিনাল ৩ ছাড়াও টোকিওর হানেদা বিমানবন্দর এবং ওসাকার কানসাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই কিয়স্ক ইতিমধ্যেই ব্যবহার হচ্ছে। ফুকুওকা ও নারিতায় শিগগিরই আরও বহু কিয়স্ক স্থাপন করা হবে।

বাড়তি যাত্রীর চাপ
২০২৪ সালে জাপানে ৩ কোটি ৬০ লাখের বেশি বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন, যা কোভিড-১৯ এর আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের ধারণা, যৌথ ইমিগ্রেশন-কাস্টমস ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে অপেক্ষার সময় কমবে এবং বিমানবন্দরগুলোর ভিড়ও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

শুধু ফুকুওকা বিমানবন্দরেই ২০২৪ অর্থবছরে রেকর্ড ৮৫ লাখ আন্তর্জাতিক যাত্রী এসেছে। তবে ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস এজেন্সির তথ্যে দেখা যায়, এখানে বিদেশি যাত্রীদের অনেক সময় এক ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষা করতে হয়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
জাপান শুধু ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস একত্রিত করছে না, দক্ষতা বাড়ানোর আরও পরিকল্পনাও নিয়েছে। ২০২৮ অর্থবছরে একটি নতুন ব্যবস্থা চালু হবে, যেখানে স্বল্পমেয়াদি ভিসা ছাড়াই প্রবেশকারী বিদেশি ভ্রমণকারীদের ভ্রমণের আগে অনলাইনে তথ্য (যেমন পেশা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও থাকার জায়গা) জমা দিতে হবে।

দেশে প্রবেশের পর তারা ছবি ও আঙুলের ছাপ স্ক্যান করাবেন। যদি কোনো সমস্যা না থাকে, স্বয়ংক্রিয় গেট দিয়ে সহজেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাপান আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ প্রবেশ ব্যবস্থা তৈরি করতে চাইছে।