০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জাবি ছাত্রদল নেতা রনি আর নেই, দগ্ধ হয়ে ঢামেকে মৃত্যু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাসজুড়ে। দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সাইফুল ইসলাম রনি।

দগ্ধ অবস্থায় আইসিইউতে ছিলেন রনি

জানা গেছে, সোমবার সকাল প্রায় দশটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রনি। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১০ জনের পুড়েছে শ্বাসনাল...

পারিবারিক বিরোধ থেকে বিস্ফোরণ

গত ২৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় এক পারিবারিক বিরোধের জেরে আবদুস সোবহান রায়হান নিজের বাড়িতে অকটেন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। সে সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে রনিসহ আরও তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

গুরুতর আঘাতে প্রাণহানি

দগ্ধ অবস্থায় রনি, রায়হান, রাহাত ও হাসিনুরকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, রনির অবস্থা শুরু থেকেই অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তার শ্বাসনালি পুড়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ফুসফুস সহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মারা যান তিনি।

মারা গেছেন জাবির সেই দগ্ধ শিক্ষার্থী রনি | দৈনিক নয়া দিগন্ত

শোক ও প্রতিক্রিয়া

রনির মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শিক্ষক মহলে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে ভারী নীরবতা। এই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নতুন করে নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জাবি ছাত্রদল নেতা রনি আর নেই, দগ্ধ হয়ে ঢামেকে মৃত্যু

১১:০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের এক নেতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্যাম্পাসজুড়ে। দগ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর ঢাকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন সাইফুল ইসলাম রনি।

দগ্ধ অবস্থায় আইসিইউতে ছিলেন রনি

জানা গেছে, সোমবার সকাল প্রায় দশটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রনি। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতা ছিলেন। ঘটনার পর থেকেই তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১০ জনের পুড়েছে শ্বাসনাল...

পারিবারিক বিরোধ থেকে বিস্ফোরণ

গত ২৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় এক পারিবারিক বিরোধের জেরে আবদুস সোবহান রায়হান নিজের বাড়িতে অকটেন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। সে সময় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে রনিসহ আরও তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

গুরুতর আঘাতে প্রাণহানি

দগ্ধ অবস্থায় রনি, রায়হান, রাহাত ও হাসিনুরকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, রনির অবস্থা শুরু থেকেই অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। তার শ্বাসনালি পুড়ে যায় এবং হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ফুসফুস সহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কার্যকারিতা হারাতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মারা যান তিনি।

মারা গেছেন জাবির সেই দগ্ধ শিক্ষার্থী রনি | দৈনিক নয়া দিগন্ত

শোক ও প্রতিক্রিয়া

রনির মৃত্যুতে সহপাঠী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শিক্ষক মহলে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে নেমে এসেছে ভারী নীরবতা। এই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নতুন করে নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহিংসতার ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।