১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

জিম্বাবুয়ের দুর্দান্ত জয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানকে আট উইকেটে হার

শ্রীলঙ্কার কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ম্যাচে ওমানকে আট উইকেটে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে জিম্বাবুয়ে। ১০৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৪ ওভারেই দুই উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে তারা।

শুরুতেই শক্ত ভিত গড়ে জিম্বাবুয়ে
স্বল্প রানের ম্যাচে উদ্বোধনী জুটি ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি দ্রুত রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন। মারুমানি ১১ বলে ২১ রান করে সুফিয়ান মেহমুদের বলে আউট হলে ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। পরের বলেই শূন্য রানে ফেরেন ডিওন মায়ার্স, ফলে ৩.৩ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩০ রানে ২ উইকেট।

এরপর ব্রায়ান বেনেটের সঙ্গে ব্রেন্ডন টেলরের জুটি দলকে ৫০ রানের ঘর পার করায়। টেলর ৩০ বলে ৩১ রান করে চোট পেয়ে অবসর নিলে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ক্রিজে আসেন। রাজা একটি বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করেন এবং ২ বলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। বেনেট ৩৬ বলে ৪৮ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।

ওমানের ব্যাটিং ধস
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ওমান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ৫ রান করা অধিনায়ক জতিন্দর সিং আউট হন। পরের ওভারে হাম্মাদ মির্জা শূন্য রানে ফেরায় ২.২ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ৮ রানে ২ উইকেট।

চতুর্থ ওভারে কালিম ৫ রান করে আউট হন এবং একই ওভারে শূন্য রানে বিদায় নেন কারান সোনাভালে। এরপর সিকান্দার রাজা ওয়াসিম আলিকে বোল্ড করলে ৬ ওভারে ওমানের সংগ্রহ হয় ২৭ রানে ৫ উইকেট।

মাঝে প্রতিরোধ, শেষে সীমিত সংগ্রহ
এরপর সুফিয়ান মেহমুদ ও বিনায়ক শুক্লা ৪২ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। শুক্লা ২১ বলে ২৮ রান করে আউট হলে আবারও ভাঙন নামে। একই ওভারে জিতেন রামানান্দিও বিদায় নেন।

১৭তম ওভারে ব্র্যাড ইভান্স মেহমুদকে ফিরিয়ে দেন, যিনি ৩৯ বলে ২৫ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। শেষদিকে নাদিম খান ও শাকিল আহমেদ কিছু রান যোগ করেন। শেষ ওভারে শাকিল আউট হলেও শাহ ফয়সালের বাউন্ডারিতে ওমান শতরান পার করে। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ২০ রান করা নাদিম খান আউট হলে তাদের ইনিংস শেষ হয়।

জিম্বাবুয়ের বোলিং সাফল্য
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স ও রিচার্ড নগারাভা তিনটি করে উইকেট নেন। সিকান্দার রাজা একটি উইকেট শিকার করেন।

এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুরু করল জিম্বাবুয়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

জিম্বাবুয়ের দুর্দান্ত জয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওমানকে আট উইকেটে হার

০৭:৩৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শ্রীলঙ্কার কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ম্যাচে ওমানকে আট উইকেটে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে জিম্বাবুয়ে। ১০৪ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৪ ওভারেই দুই উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে তারা।

শুরুতেই শক্ত ভিত গড়ে জিম্বাবুয়ে
স্বল্প রানের ম্যাচে উদ্বোধনী জুটি ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি দ্রুত রান তুলে দলকে এগিয়ে নেন। মারুমানি ১১ বলে ২১ রান করে সুফিয়ান মেহমুদের বলে আউট হলে ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। পরের বলেই শূন্য রানে ফেরেন ডিওন মায়ার্স, ফলে ৩.৩ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩০ রানে ২ উইকেট।

এরপর ব্রায়ান বেনেটের সঙ্গে ব্রেন্ডন টেলরের জুটি দলকে ৫০ রানের ঘর পার করায়। টেলর ৩০ বলে ৩১ রান করে চোট পেয়ে অবসর নিলে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ক্রিজে আসেন। রাজা একটি বাউন্ডারি মেরে জয় নিশ্চিত করেন এবং ২ বলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন। বেনেট ৩৬ বলে ৪৮ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।

ওমানের ব্যাটিং ধস
ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ওমান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ৫ রান করা অধিনায়ক জতিন্দর সিং আউট হন। পরের ওভারে হাম্মাদ মির্জা শূন্য রানে ফেরায় ২.২ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ৮ রানে ২ উইকেট।

চতুর্থ ওভারে কালিম ৫ রান করে আউট হন এবং একই ওভারে শূন্য রানে বিদায় নেন কারান সোনাভালে। এরপর সিকান্দার রাজা ওয়াসিম আলিকে বোল্ড করলে ৬ ওভারে ওমানের সংগ্রহ হয় ২৭ রানে ৫ উইকেট।

মাঝে প্রতিরোধ, শেষে সীমিত সংগ্রহ
এরপর সুফিয়ান মেহমুদ ও বিনায়ক শুক্লা ৪২ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। শুক্লা ২১ বলে ২৮ রান করে আউট হলে আবারও ভাঙন নামে। একই ওভারে জিতেন রামানান্দিও বিদায় নেন।

১৭তম ওভারে ব্র্যাড ইভান্স মেহমুদকে ফিরিয়ে দেন, যিনি ৩৯ বলে ২৫ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। শেষদিকে নাদিম খান ও শাকিল আহমেদ কিছু রান যোগ করেন। শেষ ওভারে শাকিল আউট হলেও শাহ ফয়সালের বাউন্ডারিতে ওমান শতরান পার করে। শেষ পর্যন্ত ১৮ বলে ২০ রান করা নাদিম খান আউট হলে তাদের ইনিংস শেষ হয়।

জিম্বাবুয়ের বোলিং সাফল্য
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স ও রিচার্ড নগারাভা তিনটি করে উইকেট নেন। সিকান্দার রাজা একটি উইকেট শিকার করেন।

এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুরু করল জিম্বাবুয়ে।