০১:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জ্বালানি বাজার এখনও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল

বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী হওয়া সাধারণত একটি সতর্কবার্তা। কারণ ডলার যখন চড়তে থাকে, তখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশের জন্য আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়, মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু এবার দৃশ্যপট কিছুটা ভিন্ন। ডলার শক্তিশালী হলেও বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আগের মতো তীব্র হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ, জ্বালানি বাজারে দ্রুত নেমে আসা দাম।

গত কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা একসময় তেলের দামকে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের অনেক ওপরে নিয়ে যায়। এমনকি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কাও আলোচনায় ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী সমঝোতা এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় সেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলে গেছে।

ফলে তেলের দাম যেমন কমেছে, তেমনি প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারেও চাপ কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির এই পতন শুধু ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর নয়; এটি বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

মূল্যস্ফীতির সমীকরণে নতুন বাস্তবতা

সাধারণত শক্তিশালী ডলার আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য বড় সমস্যা তৈরি করে। স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে জ্বালানি, খাদ্যশস্য, শিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্যের দাম বেড়ে যায়। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো, যেগুলো বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের চাপের চক্রে আটকে ছিল।

মুদ্রার দুর্বলতা মূল্যস্ফীতি বাড়ায়, আবার মূল্যস্ফীতির ভয় মুদ্রাকে আরও দুর্বল করে। এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। কিন্তু জ্বালানি দামের পতন সেই চাপকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে।

অর্থনীতির বাস্তবতায় জ্বালানি একটি মৌলিক ইনপুট। পরিবহন থেকে উৎপাদন, কৃষি থেকে বিদ্যুৎ—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব রয়েছে। ফলে তেলের দাম কমলে তার ইতিবাচক প্রভাব দ্রুত অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই ডলারের শক্তি থাকা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এখন অনেক দেশে নিচের দিকে নামছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন সুযোগ

গত এক বছরে বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়িয়েছে। কেউ কেউ বাজারে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে নিজেদের মুদ্রাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে এ চাপ ছিল আরও বেশি।

কিন্তু এখন পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল। জ্বালানি খরচ কমে যাওয়ায় সুদের হার আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আগের তুলনায় কমে এসেছে। ইউরোপে ইতোমধ্যে বাজারের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে। ব্রিটেনেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন আগের মতো ধারাবাহিক সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন না।

এই পরিবর্তন শুধু আর্থিক বাজারের মনোভাবের পরিবর্তন নয়; এটি নীতিনির্ধারকদের জন্য বাস্তব অর্থেই কিছুটা সময় কিনে দিয়েছে। তারা এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার মতো অন্যান্য বিষয়েও বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন।

এশিয়ার জন্য এর তাৎপর্য আরও বড়

বিশ্বের অন্যতম বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ জাপানের অভিজ্ঞতা এ পরিবর্তনকে স্পষ্ট করে। দেশটির মুদ্রা ইয়েন এখনও বহু বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। অতীতে এমন পরিস্থিতিতে টোকিওকে বারবার বাজারে হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার তারা তুলনামূলকভাবে সংযত।

এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো তেলের দাম। যখন তেলের দাম খুব বেশি থাকে, তখন দুর্বল মুদ্রার প্রভাব আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কিন্তু জ্বালানি ব্যয় কম থাকলে সেই চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে যায়। ফলে মুদ্রাবাজারে আগ্রাসী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনও কমে।

ভারত, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক নীতিগত পদক্ষেপ দেখায় যে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই কতটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য অন্তত কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্বস্তি, তবে আত্মতুষ্টির সুযোগ নয়

তবে এই ইতিবাচক পরিবর্তনকে স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জ্বালানি বাজার এখনও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও অস্থির হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। একইভাবে, ডলারের শক্তি যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা আবার নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।

তবু বর্তমান বাস্তবতায় একটি বিষয় স্পষ্ট—বিশ্ব অর্থনীতি যে মূল্যস্ফীতির ঝড়ে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ছিল, জ্বালানি দামের পতন অন্তত সেই ঝুঁকিকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। ডলার এখনও শক্তিশালী, কিন্তু তার অভিঘাতকে প্রশমিত করার জন্য এখন একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ তৈরি হয়েছে। সেই প্রতিপক্ষের নাম সস্তা জ্বালানি।

আজকের বিশ্ব অর্থনীতিতে সেটিই হয়তো সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জ্বালানি বাজার এখনও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল

০৪:৩২:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী হওয়া সাধারণত একটি সতর্কবার্তা। কারণ ডলার যখন চড়তে থাকে, তখন বিশ্বের অধিকাংশ দেশের জন্য আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়, মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু এবার দৃশ্যপট কিছুটা ভিন্ন। ডলার শক্তিশালী হলেও বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আগের মতো তীব্র হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ, জ্বালানি বাজারে দ্রুত নেমে আসা দাম।

গত কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার নাটকীয় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা একসময় তেলের দামকে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের অনেক ওপরে নিয়ে যায়। এমনকি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কাও আলোচনায় ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অস্থায়ী সমঝোতা এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করায় সেই পরিস্থিতি দ্রুত বদলে গেছে।

ফলে তেলের দাম যেমন কমেছে, তেমনি প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারেও চাপ কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির এই পতন শুধু ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির খবর নয়; এটি বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

মূল্যস্ফীতির সমীকরণে নতুন বাস্তবতা

সাধারণত শক্তিশালী ডলার আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য বড় সমস্যা তৈরি করে। স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে জ্বালানি, খাদ্যশস্য, শিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্যের দাম বেড়ে যায়। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো, যেগুলো বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি করে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের চাপের চক্রে আটকে ছিল।

মুদ্রার দুর্বলতা মূল্যস্ফীতি বাড়ায়, আবার মূল্যস্ফীতির ভয় মুদ্রাকে আরও দুর্বল করে। এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। কিন্তু জ্বালানি দামের পতন সেই চাপকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে।

অর্থনীতির বাস্তবতায় জ্বালানি একটি মৌলিক ইনপুট। পরিবহন থেকে উৎপাদন, কৃষি থেকে বিদ্যুৎ—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব রয়েছে। ফলে তেলের দাম কমলে তার ইতিবাচক প্রভাব দ্রুত অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই ডলারের শক্তি থাকা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা এখন অনেক দেশে নিচের দিকে নামছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য নতুন সুযোগ

গত এক বছরে বিশ্বের অনেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়িয়েছে। কেউ কেউ বাজারে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে নিজেদের মুদ্রাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে এ চাপ ছিল আরও বেশি।

কিন্তু এখন পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে অনুকূল। জ্বালানি খরচ কমে যাওয়ায় সুদের হার আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা আগের তুলনায় কমে এসেছে। ইউরোপে ইতোমধ্যে বাজারের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে এসেছে। ব্রিটেনেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন আগের মতো ধারাবাহিক সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন না।

এই পরিবর্তন শুধু আর্থিক বাজারের মনোভাবের পরিবর্তন নয়; এটি নীতিনির্ধারকদের জন্য বাস্তব অর্থেই কিছুটা সময় কিনে দিয়েছে। তারা এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার মতো অন্যান্য বিষয়েও বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন।

এশিয়ার জন্য এর তাৎপর্য আরও বড়

বিশ্বের অন্যতম বড় জ্বালানি আমদানিকারক দেশ জাপানের অভিজ্ঞতা এ পরিবর্তনকে স্পষ্ট করে। দেশটির মুদ্রা ইয়েন এখনও বহু বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। অতীতে এমন পরিস্থিতিতে টোকিওকে বারবার বাজারে হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার তারা তুলনামূলকভাবে সংযত।

এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো তেলের দাম। যখন তেলের দাম খুব বেশি থাকে, তখন দুর্বল মুদ্রার প্রভাব আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। কিন্তু জ্বালানি ব্যয় কম থাকলে সেই চাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে যায়। ফলে মুদ্রাবাজারে আগ্রাসী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনও কমে।

ভারত, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক নীতিগত পদক্ষেপ দেখায় যে মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই কতটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য অন্তত কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

স্বস্তি, তবে আত্মতুষ্টির সুযোগ নয়

তবে এই ইতিবাচক পরিবর্তনকে স্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জ্বালানি বাজার এখনও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির ওপর নির্ভরশীল। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও অস্থির হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। একইভাবে, ডলারের শক্তি যদি আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা আবার নতুন চাপ তৈরি করতে পারে।

তবু বর্তমান বাস্তবতায় একটি বিষয় স্পষ্ট—বিশ্ব অর্থনীতি যে মূল্যস্ফীতির ঝড়ে নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ছিল, জ্বালানি দামের পতন অন্তত সেই ঝুঁকিকে অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। ডলার এখনও শক্তিশালী, কিন্তু তার অভিঘাতকে প্রশমিত করার জন্য এখন একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ তৈরি হয়েছে। সেই প্রতিপক্ষের নাম সস্তা জ্বালানি।

আজকের বিশ্ব অর্থনীতিতে সেটিই হয়তো সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর।