০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জ্বালানি সংকটের ক্ষত এখনো শুকায়নি, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো আশা করছে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছে। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব এখনো কাটেনি। মুনাফার ওপর চাপ, পরিবারের ব্যয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং যাত্রী চাহিদা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কায় বছরের দ্বিতীয়ার্ধও কঠিন হতে পারে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার এয়ারএশিয়া, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের সাশ্রয়ী পরিবহন শাখা স্কুট এবং ফিলিপাইনের সেবু প্যাসিফিকের ত্রৈমাসিক আর্থিক ফলাফলেই পরিস্থিতির চাপ স্পষ্ট হয়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় পুষিয়ে নিতে ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলেও তা প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেনি।

লোকসানে এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক

এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক ত্রৈমাসিকে নিট লোকসান করেছে। অন্যদিকে স্কুটের পরিচালন লোকসান প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বল্পমূল্যের বিমান পরিবহন ব্যবসার ওপর জ্বালানি সংকটের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফুটে উঠেছে।

South-east Asian budget airlines face fuel cost pressures | The Straits  Times

জ্বালানির দাম বাড়লে এই ধরনের বিমান সংস্থাগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি চাপে পড়ে। কারণ পূর্ণাঙ্গ সেবাদাতা বিমান সংস্থার তুলনায় তাদের মোট ব্যয়ের বড় অংশই জ্বালানির পেছনে যায়।

ভাড়া বাড়ালেই কমতে পারে যাত্রী

সাশ্রয়ী বিমান পরিবহনের ব্যবসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভাড়ার প্রতি যাত্রীদের সংবেদনশীলতা। জ্বালানির বাড়তি খরচ সামাল দিতে ভাড়া বাড়ানো হলে যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশেষ করে পরিবারগুলোর হাতে খরচের অর্থ কমে গেলে ভ্রমণ ব্যয় কাটছাঁট করার প্রবণতা বাড়তে পারে। ফলে বিমান সংস্থাগুলো একদিকে বাড়তি ব্যয় সামলানোর চাপে থাকছে, অন্যদিকে বেশি ভাড়া নিয়ে যাত্রী হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

Bangkok Post - Southeast Asia's budget airlines eye recovery but fuel scars  linger

দ্বিতীয়ার্ধেও কঠিন সময়ের আশঙ্কা

বিমান সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক আর্থিক ফলাফল বলছে, জ্বালানির ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা এখনো সম্ভব হয়নি। বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর আশা থাকলেও দুর্বল ভোক্তা ব্যয় ও সীমিত ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থাগুলোর জন্য বড় বাধা হয়ে থাকছে।

ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিমান পরিবহন খাতে পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা তৈরি হলেও জ্বালানির উচ্চমূল্যের পুরোনো ক্ষত এখনো ব্যবসার মুনাফায় স্পষ্ট হয়ে আছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জ্বালানি সংকটের ক্ষত এখনো শুকায়নি, ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো

০১:১৩:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাশ্রয়ী বিমান সংস্থাগুলো আশা করছে, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছে। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব এখনো কাটেনি। মুনাফার ওপর চাপ, পরিবারের ব্যয়ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং যাত্রী চাহিদা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কায় বছরের দ্বিতীয়ার্ধও কঠিন হতে পারে।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার এয়ারএশিয়া, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের সাশ্রয়ী পরিবহন শাখা স্কুট এবং ফিলিপাইনের সেবু প্যাসিফিকের ত্রৈমাসিক আর্থিক ফলাফলেই পরিস্থিতির চাপ স্পষ্ট হয়েছে। জ্বালানির বাড়তি ব্যয় পুষিয়ে নিতে ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করলেও তা প্রত্যাশিত সাফল্য আনতে পারেনি।

লোকসানে এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক

এয়ারএশিয়া ও সেবু প্যাসিফিক ত্রৈমাসিকে নিট লোকসান করেছে। অন্যদিকে স্কুটের পরিচালন লোকসান প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বল্পমূল্যের বিমান পরিবহন ব্যবসার ওপর জ্বালানি সংকটের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফুটে উঠেছে।

South-east Asian budget airlines face fuel cost pressures | The Straits  Times

জ্বালানির দাম বাড়লে এই ধরনের বিমান সংস্থাগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি চাপে পড়ে। কারণ পূর্ণাঙ্গ সেবাদাতা বিমান সংস্থার তুলনায় তাদের মোট ব্যয়ের বড় অংশই জ্বালানির পেছনে যায়।

ভাড়া বাড়ালেই কমতে পারে যাত্রী

সাশ্রয়ী বিমান পরিবহনের ব্যবসায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভাড়ার প্রতি যাত্রীদের সংবেদনশীলতা। জ্বালানির বাড়তি খরচ সামাল দিতে ভাড়া বাড়ানো হলে যাত্রীর সংখ্যা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশেষ করে পরিবারগুলোর হাতে খরচের অর্থ কমে গেলে ভ্রমণ ব্যয় কাটছাঁট করার প্রবণতা বাড়তে পারে। ফলে বিমান সংস্থাগুলো একদিকে বাড়তি ব্যয় সামলানোর চাপে থাকছে, অন্যদিকে বেশি ভাড়া নিয়ে যাত্রী হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

Bangkok Post - Southeast Asia's budget airlines eye recovery but fuel scars  linger

দ্বিতীয়ার্ধেও কঠিন সময়ের আশঙ্কা

বিমান সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক আর্থিক ফলাফল বলছে, জ্বালানির ধাক্কা পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা এখনো সম্ভব হয়নি। বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর আশা থাকলেও দুর্বল ভোক্তা ব্যয় ও সীমিত ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ স্বল্পমূল্যের বিমান সংস্থাগুলোর জন্য বড় বাধা হয়ে থাকছে।

ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিমান পরিবহন খাতে পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা তৈরি হলেও জ্বালানির উচ্চমূল্যের পুরোনো ক্ষত এখনো ব্যবসার মুনাফায় স্পষ্ট হয়ে আছে।