০২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 132

ম্যাকসিম গোর্কী

ছত্রিশ

“মানুষ যখন মাতাল হয়, তখন আমি তাদের পছন্দ করি না। কিন্তু আমি এমন কাউকে কাউকে চিনি, মাতাল অবস্থায় যাদের দেখতে ভারি মজা লাগে। কারণ, তখন তারা এমন সব জিনিষ আয়ত্ব ক’রে বসে, যা তাদের প্রকৃতিস্থ অবস্থায় তাদের পক্ষে সম্ভব বা স্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে মদকে আমি ধন্যবাদ দিতে সর্বদাই প্রস্তুত।”

সুলারের কাছে শুনেছি, সুলার এবং টলস্টয় একদিন তেরস্কায়া স্ট্রীটে বেড়াচ্ছিলেন। এমন সময় দূরে টলস্টয়ের চোখে পড়ল দু’জন সেপাই। তাদের পোশাকের ধাতব বস্তুগুলি সূর্যালোকে দীপ্তি পাচ্ছিল, এবং জুতোর তলার গুলগুলি করছিল ঝনঝন শব্দ। তারা এমন ভাবে পা ফেলছিল যেন একটি মাত্র মানুষ হাঁটছে; তাদের মুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের শক্তি এবং যৌবনের দীপ্তি।

তাদের দেখে টলস্টয় অনুযোগ ক’রে উঠলেন:

এরা যেন চাবুকের ঘায়ে তালিম করা “একী মুঢ়তার সমারোহ। সব জানোয়ার।….”

কিন্তু পরক্ষণে সেপাইরা যখন তাঁর মুখোমুখি এসে পৌঁছল, তখন তিনি থেমে দাঁড়ালেন। সস্নেহে তাঁর দৃষ্টি তাদের অনুসরণ করতে লাগল। তিনি সোৎসাহে ব’লে উঠলেন, “কী সুন্দর! প্রাচীন যুগের রোমানদের মতো! তাই না, লিওভুশকা? শক্তি আর সৌন্দর্য! ও হরি! মানুষ যখন দেখতে সুন্দর হয়, তখন তাকে দেখতে কী সুন্দরই না লাগে, কী সুন্দর!”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২৬)

০৩:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

ছত্রিশ

“মানুষ যখন মাতাল হয়, তখন আমি তাদের পছন্দ করি না। কিন্তু আমি এমন কাউকে কাউকে চিনি, মাতাল অবস্থায় যাদের দেখতে ভারি মজা লাগে। কারণ, তখন তারা এমন সব জিনিষ আয়ত্ব ক’রে বসে, যা তাদের প্রকৃতিস্থ অবস্থায় তাদের পক্ষে সম্ভব বা স্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে মদকে আমি ধন্যবাদ দিতে সর্বদাই প্রস্তুত।”

সুলারের কাছে শুনেছি, সুলার এবং টলস্টয় একদিন তেরস্কায়া স্ট্রীটে বেড়াচ্ছিলেন। এমন সময় দূরে টলস্টয়ের চোখে পড়ল দু’জন সেপাই। তাদের পোশাকের ধাতব বস্তুগুলি সূর্যালোকে দীপ্তি পাচ্ছিল, এবং জুতোর তলার গুলগুলি করছিল ঝনঝন শব্দ। তারা এমন ভাবে পা ফেলছিল যেন একটি মাত্র মানুষ হাঁটছে; তাদের মুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের শক্তি এবং যৌবনের দীপ্তি।

তাদের দেখে টলস্টয় অনুযোগ ক’রে উঠলেন:

এরা যেন চাবুকের ঘায়ে তালিম করা “একী মুঢ়তার সমারোহ। সব জানোয়ার।….”

কিন্তু পরক্ষণে সেপাইরা যখন তাঁর মুখোমুখি এসে পৌঁছল, তখন তিনি থেমে দাঁড়ালেন। সস্নেহে তাঁর দৃষ্টি তাদের অনুসরণ করতে লাগল। তিনি সোৎসাহে ব’লে উঠলেন, “কী সুন্দর! প্রাচীন যুগের রোমানদের মতো! তাই না, লিওভুশকা? শক্তি আর সৌন্দর্য! ও হরি! মানুষ যখন দেখতে সুন্দর হয়, তখন তাকে দেখতে কী সুন্দরই না লাগে, কী সুন্দর!”