০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তি: কে পেল সুবিধা, কারা দিল বড় ছাড়?

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আর্জেন্টিনা ও ভারতের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হলেও কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের মতো দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া ভিন্ন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশল বিশ্ব বাজারে প্রবেশের নতুন শর্তাবলী স্থাপন করেছে, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

বাণিজ্য কৌশল ও মূল শর্ত
ট্রাম্পের প্রশাসন পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি মাধ্যমে বিদেশি দেশগুলোর বাজারে প্রবেশের শর্ত হিসেবে শুল্ক কমানো ও বাজার খোলার দাবী তুলেছে। কিছু দেশ দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করেছে, আবার কিছু দেশ কঠোর শর্তে বেঁধেছে নিজেকে রক্ষা করতে। আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেন তুলনামূলকভাবে কম শুল্ক হার পেয়ে সুবিধা লাভ করেছে। ভারত সীমিত ছাড়ে ১৮ শতাংশ শুল্ক কমাতে পেরেছে এবং কিছু পণ্যের উপর শর্তাবলী মানতে হচ্ছে।

কারা দিল বড় ছাড়, কারা কম
কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়া সবচেয়ে বেশি ছাড় দিয়েছে। তারা নতুন শুল্ক হার এবং রপ্তানি শর্ত মেনে কম শুল্কে চুক্তি করেছে, যার ফলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। মালয়েশিয়া এমনকি শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে যে নতুন কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের আগে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করবে। অপরদিকে, বড় বাণিজ্যিক শক্তিধর দেশ যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান তুলনামূলকভাবে কম ছাড় দিয়েছে এবং নিজের বাজারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

শুল্ক কমানো ও বাজার সুবিধা
আর্জেন্টিনা এবং ব্রিটেন কম শুল্কে আমেরিকার বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে এবং তুলনামূলকভাবে কম শর্ত মানতে হয়েছে। ভারতও সীমিত সুবিধা পেল, যেখানে ১৮ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে এবং কিছু পণ্যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এই চুক্তিগুলোতে বিভিন্ন দেশে শিল্প ও কৃষিপণ্যের শুল্ক কমানো, ডিজিটাল বাণিজ্য এবং বাণিজ্য নীতি সমন্বয় শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন হিসাব
ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি অনুযায়ী আমেরিকা তার বাজারে প্রবেশের শর্ত হিসেবে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল সেবা এবং বাণিজ্য নীতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি চেয়েছে। এতে আমেরিকার রপ্তানিকারীদের জন্য বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে, আবার অংশীদার দেশগুলোকে কঠোর শর্ত মানতে হয়েছে। বিশ্বের বাজারে এই চুক্তি নতুন মানচিত্র তৈরি করছে যেখানে কিছু দেশ তুলনামূলক সুবিধা পাচ্ছে এবং অন্যরা বড় ছাড় দিতে বাধ্য হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ট্রাম্পের বাণিজ্য চুক্তি: কে পেল সুবিধা, কারা দিল বড় ছাড়?

০৭:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আর্জেন্টিনা ও ভারতের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হলেও কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের মতো দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া ভিন্ন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কৌশল বিশ্ব বাজারে প্রবেশের নতুন শর্তাবলী স্থাপন করেছে, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

বাণিজ্য কৌশল ও মূল শর্ত
ট্রাম্পের প্রশাসন পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি মাধ্যমে বিদেশি দেশগুলোর বাজারে প্রবেশের শর্ত হিসেবে শুল্ক কমানো ও বাজার খোলার দাবী তুলেছে। কিছু দেশ দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করেছে, আবার কিছু দেশ কঠোর শর্তে বেঁধেছে নিজেকে রক্ষা করতে। আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেন তুলনামূলকভাবে কম শুল্ক হার পেয়ে সুবিধা লাভ করেছে। ভারত সীমিত ছাড়ে ১৮ শতাংশ শুল্ক কমাতে পেরেছে এবং কিছু পণ্যের উপর শর্তাবলী মানতে হচ্ছে।

কারা দিল বড় ছাড়, কারা কম
কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়া সবচেয়ে বেশি ছাড় দিয়েছে। তারা নতুন শুল্ক হার এবং রপ্তানি শর্ত মেনে কম শুল্কে চুক্তি করেছে, যার ফলে সমালোচনার মুখে পড়েছে। মালয়েশিয়া এমনকি শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে যে নতুন কোনো চুক্তি স্বাক্ষরের আগে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করবে। অপরদিকে, বড় বাণিজ্যিক শক্তিধর দেশ যেমন ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান তুলনামূলকভাবে কম ছাড় দিয়েছে এবং নিজের বাজারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

শুল্ক কমানো ও বাজার সুবিধা
আর্জেন্টিনা এবং ব্রিটেন কম শুল্কে আমেরিকার বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছে এবং তুলনামূলকভাবে কম শর্ত মানতে হয়েছে। ভারতও সীমিত সুবিধা পেল, যেখানে ১৮ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়েছে এবং কিছু পণ্যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এই চুক্তিগুলোতে বিভিন্ন দেশে শিল্প ও কৃষিপণ্যের শুল্ক কমানো, ডিজিটাল বাণিজ্য এবং বাণিজ্য নীতি সমন্বয় শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্ব বাণিজ্যে নতুন হিসাব
ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি অনুযায়ী আমেরিকা তার বাজারে প্রবেশের শর্ত হিসেবে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল সেবা এবং বাণিজ্য নীতি মেনে চলার প্রতিশ্রুতি চেয়েছে। এতে আমেরিকার রপ্তানিকারীদের জন্য বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে, আবার অংশীদার দেশগুলোকে কঠোর শর্ত মানতে হয়েছে। বিশ্বের বাজারে এই চুক্তি নতুন মানচিত্র তৈরি করছে যেখানে কিছু দেশ তুলনামূলক সুবিধা পাচ্ছে এবং অন্যরা বড় ছাড় দিতে বাধ্য হচ্ছে।