১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? নিশ্চিতভাবে যুদ্ধ শেষ হবে না, বদলে যাবে যুদ্ধের ধরন রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপ নিয়ে তোলপাড়, লেবাননে হামলায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক উত্তপ্ত ফোনালাপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক হামলা নিয়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল।

লেবানন হামলায় ট্রাম্পের ক্ষোভ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তিনি মনে করেন, এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাত বন্ধে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে আলোচনার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে কঠোর ভাষায় কথা বলেন।

ফোনালাপে ট্রাম্প সরাসরি ইসরায়েলি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সামরিক অভিযানের কারণে চলমান আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে বলে উদ্বেগ জানান।

এই মুহূর্তে' ইউরোপীয়দের সঙ্গে পারমাণু আলোচনা নয় : ইরান | আন্তর্জাতিক |  বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

ইরান আলোচনায় নতুন জটিলতা

লেবাননের পরিস্থিতির কারণে ইরান সংশ্লিষ্ট আলোচনা এক পর্যায়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রাম্প নিজেই সক্রিয় ভূমিকা নেন বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা চালানো হয়।

ট্রাম্পের মতে, সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানই দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর হতে পারে। তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতাকে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান

ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পারস্পরিক হামলা বন্ধের একটি সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছে। এতে উত্তেজনা কিছুটা কমার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

তবে নেতানিয়াহু ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর পরিকল্পিত অভিযান চলবে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ হামলা অব্যাহত রাখলে বৈরুতের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দেন।

শপথের পর প্রথম কোন দেশ সফরে যাবেন ট্রাম্প?

ওয়াশিংটন-জেরুজালেম সম্পর্কে নতুন চাপ

এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একদিকে ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছেন, অন্যদিকে নেতানিয়াহু সামরিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা এখনো অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হতে পারে। তাঁর মতে, এমন একটি চুক্তি সামরিক বিজয়ের চেয়েও বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

American Support for Israel Is a Political Religion - New Lines Magazine

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকা আসলে কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু ফোনালাপ নিয়ে তোলপাড়, লেবাননে হামলায় ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট

০১:৫৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক উত্তপ্ত ফোনালাপ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক হামলা নিয়ে ট্রাম্প প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল।

লেবানন হামলায় ট্রাম্পের ক্ষোভ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ট্রাম্পকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তিনি মনে করেন, এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাত বন্ধে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে আলোচনার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে কঠোর ভাষায় কথা বলেন।

ফোনালাপে ট্রাম্প সরাসরি ইসরায়েলি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সামরিক অভিযানের কারণে চলমান আলোচনা ভেস্তে যেতে পারে বলে উদ্বেগ জানান।

এই মুহূর্তে' ইউরোপীয়দের সঙ্গে পারমাণু আলোচনা নয় : ইরান | আন্তর্জাতিক |  বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

ইরান আলোচনায় নতুন জটিলতা

লেবাননের পরিস্থিতির কারণে ইরান সংশ্লিষ্ট আলোচনা এক পর্যায়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রাম্প নিজেই সক্রিয় ভূমিকা নেন বলে জানা গেছে। কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা চালানো হয়।

ট্রাম্পের মতে, সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানই দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর হতে পারে। তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতাকে একটি বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ভিন্ন অবস্থান

ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে পারস্পরিক হামলা বন্ধের একটি সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছে। এতে উত্তেজনা কিছুটা কমার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

তবে নেতানিয়াহু ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর পরিকল্পিত অভিযান চলবে। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহ হামলা অব্যাহত রাখলে বৈরুতের লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দেন।

শপথের পর প্রথম কোন দেশ সফরে যাবেন ট্রাম্প?

ওয়াশিংটন-জেরুজালেম সম্পর্কে নতুন চাপ

এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একদিকে ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছেন, অন্যদিকে নেতানিয়াহু সামরিক চাপ বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা এখনো অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সামরিক অভিযান ও কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হতে পারে। তাঁর মতে, এমন একটি চুক্তি সামরিক বিজয়ের চেয়েও বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

American Support for Israel Is a Political Religion - New Lines Magazine