০৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ডিইউ অধ্যাপক হাফিজুর রহমানের ছয় মাসের জামিন, মুক্তিতে আর বাধা নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

হাইকোর্টের আদেশ
সোমবার বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এবং বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করেন।
গত রোববার অধ্যাপক হাফিজুর রহমান জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন।

আদালতে তার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ আলী আহমেদ খোকন, আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি।
অ্যাডভোকেট শেখ আলী জানান, হাইকোর্টের আদেশের পর তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

একই মামলায় পূর্ববর্তী আদেশ
এর আগে ১০ নভেম্বর, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমকে একই মামলায় দেওয়া হাইকোর্টের জামিনাদেশ আপিল বিভাগ বহাল রাখে।

ঘটনার পটভূমি
গত ২৮ আগস্ট রাজধানীতে ‘মঞ্চ ৭১’-এর আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ অধ্যাপক হাফিজুরসহ কয়েকজনকে আটক করে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন অধ্যাপক হাফিজুর রহমান।

একদল যুবক নিজেদের ‘জুলাই ফাইটারস’ পরিচয় দিয়ে অভিযোগ করেন যে অনুষ্ঠানটি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছিল—এরপর তারা দুপুরে হাফিজুরসহ অন্যদের পুলিশে সোপর্দ করেন।

অনুষ্ঠান ও মামলার বিবরণ
‘মঞ্চ ৭১’ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (DRU)-তে “আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সংবিধান” শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এতে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সাবেক আমলা।

পরে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

হাইকোর্টের ছয় মাসের জামিনাদেশে অধ্যাপক হাফিজুর রহমানের মুক্তির পথ সুস্পষ্ট হয়েছে। মামলার পরবর্তী ধাপগুলো এখন আদালতের বিচারকার্য অনুযায়ী অগ্রসর হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ডিইউ অধ্যাপক হাফিজুর রহমানের ছয় মাসের জামিন, মুক্তিতে আর বাধা নেই

০৫:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের হওয়া মামলায় হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

হাইকোর্টের আদেশ
সোমবার বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা এবং বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই জামিন মঞ্জুর করেন।
গত রোববার অধ্যাপক হাফিজুর রহমান জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন।

আদালতে তার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ আলী আহমেদ খোকন, আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আকতার রুবি।
অ্যাডভোকেট শেখ আলী জানান, হাইকোর্টের আদেশের পর তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

একই মামলায় পূর্ববর্তী আদেশ
এর আগে ১০ নভেম্বর, সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলমকে একই মামলায় দেওয়া হাইকোর্টের জামিনাদেশ আপিল বিভাগ বহাল রাখে।

ঘটনার পটভূমি
গত ২৮ আগস্ট রাজধানীতে ‘মঞ্চ ৭১’-এর আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ অধ্যাপক হাফিজুরসহ কয়েকজনকে আটক করে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন অধ্যাপক হাফিজুর রহমান।

একদল যুবক নিজেদের ‘জুলাই ফাইটারস’ পরিচয় দিয়ে অভিযোগ করেন যে অনুষ্ঠানটি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছিল—এরপর তারা দুপুরে হাফিজুরসহ অন্যদের পুলিশে সোপর্দ করেন।

অনুষ্ঠান ও মামলার বিবরণ
‘মঞ্চ ৭১’ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (DRU)-তে “আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সংবিধান” শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছিল। এতে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সাবেক আমলা।

পরে শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল ইসলাম সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

হাইকোর্টের ছয় মাসের জামিনাদেশে অধ্যাপক হাফিজুর রহমানের মুক্তির পথ সুস্পষ্ট হয়েছে। মামলার পরবর্তী ধাপগুলো এখন আদালতের বিচারকার্য অনুযায়ী অগ্রসর হবে।