০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ডুয়েটে নতুন ভিসি নিয়োগ ঘিরে উত্তেজনা, আন্দোলনে অচল ক্যাম্পাস

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে একদল শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। একই সঙ্গে ফটকে তালা ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালের নিয়োগ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে কাউকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া তারা মেনে নেবেন না।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অতিরিক্ত উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৮টার আগে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্যাম্পাসে পৌঁছান তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হলেও পরে অনেককে আটকে দেওয়া হয়।

সংঘর্ষের পর উত্তপ্ত পরিস্থিতি

রোববার উপাচার্যের যোগদানকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও ছিলেন। সংঘর্ষের পর থেকেই পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারও দাবি করেছেন।

নিয়োগ নিয়ে আপত্তি

সম্প্রতি সরকার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা এর বিরোধিতা শুরু করেন।

তাদের দাবি, ডুয়েটের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তর থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে তা আন্দোলনে রূপ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ডুয়েটে নতুন ভিসি নিয়োগ ঘিরে উত্তেজনা, আন্দোলনে অচল ক্যাম্পাস

০৭:১১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে একদল শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। একই সঙ্গে ফটকে তালা ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পাওয়া অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালের নিয়োগ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে কাউকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া তারা মেনে নেবেন না।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অতিরিক্ত উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৮টার আগে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্যাম্পাসে পৌঁছান তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হলেও পরে অনেককে আটকে দেওয়া হয়।

সংঘর্ষের পর উত্তপ্ত পরিস্থিতি

রোববার উপাচার্যের যোগদানকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও ছিলেন। সংঘর্ষের পর থেকেই পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারও দাবি করেছেন।

নিয়োগ নিয়ে আপত্তি

সম্প্রতি সরকার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়। এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা এর বিরোধিতা শুরু করেন।

তাদের দাবি, ডুয়েটের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তর থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে তা আন্দোলনে রূপ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।