০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে নামবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

সংসদ নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্তু সোমবার তিনি হঠাৎ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও প্রশাসক নিয়োগ

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কয়েকদিন ধরে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সরকার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসক হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও সকালে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট বিষয়টি নতুন করে আলোচনা তোলেছে।

ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী ইতিহাস

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে নির্বাচনে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আদালতে মামলা করেন।

মেয়র পদ ও আইনি জটিলতা

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পদত্যাগ করেন। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয় এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এটি স্বীকৃতি দেয়।

কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে তার মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে নামবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

০৭:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংসদ নির্বাচনের পর প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশরাক হোসেন। কিন্তু সোমবার তিনি হঠাৎ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

বিকেলে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব ইন-শা-আল্লাহ।”

সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও প্রশাসক নিয়োগ

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর কয়েকদিন ধরে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচনের আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সরকার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ ছয়টি সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসক হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

যদিও সকালে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, প্রশাসক বসানো হলেও নির্ধারিত সময়ে সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও ঈদের পর সিটি নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পোস্ট বিষয়টি নতুন করে আলোচনা তোলেছে।

ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী ইতিহাস

২০২০ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করেছিলেন ইশরাক হোসেন। তবে নির্বাচনে জিতেছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইশরাক হোসেন ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন এবং ভোটের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আদালতে মামলা করেন।

মেয়র পদ ও আইনি জটিলতা

২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশের আওয়ামী লীগের নির্বাচিতরা পদত্যাগ করেন। মেয়র পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা হয় এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন এটি স্বীকৃতি দেয়।

কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে তার মেয়র পদে অধিষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। নগর ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের কাছে টানা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন ইশরাক হোসেন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে আন্দোলন থেকে সরে আসে ইশরাক হোসেন ও বিএনপি নেতা-কর্মীরা।