০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

তিন দফা দাবিতে উচ্চ আদালতের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে শিক্ষকরা

তিন দফা দাবিতে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু করেছিলেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। কিন্তু পুলিশের বাধায় মিছিল থেমে যায় উচ্চ আদালত এলাকায়। এরপর তারা রাস্তায় বসে অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেন, জানিয়ে দেন—দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।


সচিবালয়ের পথে মিছিল ও পুলিশের বাধা

মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু করেন। তাদের প্রধান দাবির মধ্যে ছিল গৃহভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশে উন্নীত করা।
শহীদ মিনার থেকে যাত্রা শুরু করার আধাঘণ্টা পর, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তারা উচ্চ আদালত এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এতে পুলিশ সদস্য ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থার সৃষ্টি হয়।


টানা তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি

এর আগে টানা তিন দিন ধরে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোট’-এর ব্যানারে শিক্ষক ও কর্মচারীরা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা এই কর্মসূচিকে ‘নিরবিচ্ছিন্ন অবস্থান ধর্মঘট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।


আন্দোলনকারীরা জানান, তারা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া আশা করে কিছু সময় অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সচিবালয়ের দিকে মিছিলের সিদ্ধান্ত নেন তারা।


তিন দফা দাবির বিস্তারিত

শিক্ষক ও কর্মচারীদের তিন দফা দাবি হলো—
১. গৃহভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশে বৃদ্ধি,
২. চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা,
৩. উৎসব ভাতা ৫০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায় উন্নীত করা।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলো জানানো হলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি, যার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রা ব্যয় বাড়ার সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে।


উচ্চ আদালতের সামনে অবস্থান ধর্মঘট

মিছিল থামিয়ে দেওয়ার পর শিক্ষক ও কর্মচারীরা উচ্চ আদালতের সামনেই বসে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
বাংলাদেশ টিচার্স ফোরামের সভাপতি ও ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোট’-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাবিবুল্লাহ রাজু বলেন,
“আমরা রাস্তায় থেকে উঠব না। এখানেই অবস্থান করব যতক্ষণ না সরকার আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ করে।”


সরকারের প্রতি আহ্বান

শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—দাবিগুলো দ্রুত বিবেচনা করে শিক্ষা খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য।


#শিক্ষকআন্দোলন #এমপিও #সচিবালয়মিছিল #উচ্চআদালত #পুলিশবাধা #গৃহভাতাবৃদ্ধি #বাংলাদেশশিক্ষা

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

তিন দফা দাবিতে উচ্চ আদালতের সামনে অবস্থান ধর্মঘটে শিক্ষকরা

০৮:০৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

তিন দফা দাবিতে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু করেছিলেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা। কিন্তু পুলিশের বাধায় মিছিল থেমে যায় উচ্চ আদালত এলাকায়। এরপর তারা রাস্তায় বসে অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেন, জানিয়ে দেন—দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।


সচিবালয়ের পথে মিছিল ও পুলিশের বাধা

মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু করেন। তাদের প্রধান দাবির মধ্যে ছিল গৃহভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশে উন্নীত করা।
শহীদ মিনার থেকে যাত্রা শুরু করার আধাঘণ্টা পর, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তারা উচ্চ আদালত এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এতে পুলিশ সদস্য ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থার সৃষ্টি হয়।


টানা তিন দিনের অবস্থান কর্মসূচি

এর আগে টানা তিন দিন ধরে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোট’-এর ব্যানারে শিক্ষক ও কর্মচারীরা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তারা এই কর্মসূচিকে ‘নিরবিচ্ছিন্ন অবস্থান ধর্মঘট’ হিসেবে উল্লেখ করেন।


আন্দোলনকারীরা জানান, তারা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া আশা করে কিছু সময় অপেক্ষা করেছিলেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় সচিবালয়ের দিকে মিছিলের সিদ্ধান্ত নেন তারা।


তিন দফা দাবির বিস্তারিত

শিক্ষক ও কর্মচারীদের তিন দফা দাবি হলো—
১. গৃহভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশে বৃদ্ধি,
২. চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা,
৩. উৎসব ভাতা ৫০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকায় উন্নীত করা।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলো জানানো হলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করেনি, যার ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রা ব্যয় বাড়ার সঙ্গে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে।


উচ্চ আদালতের সামনে অবস্থান ধর্মঘট

মিছিল থামিয়ে দেওয়ার পর শিক্ষক ও কর্মচারীরা উচ্চ আদালতের সামনেই বসে পড়েন এবং সেখানেই অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
বাংলাদেশ টিচার্স ফোরামের সভাপতি ও ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ জোট’-এর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাবিবুল্লাহ রাজু বলেন,
“আমরা রাস্তায় থেকে উঠব না। এখানেই অবস্থান করব যতক্ষণ না সরকার আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ করে।”


সরকারের প্রতি আহ্বান

শিক্ষক ও কর্মচারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—দাবিগুলো দ্রুত বিবেচনা করে শিক্ষা খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য।


#শিক্ষকআন্দোলন #এমপিও #সচিবালয়মিছিল #উচ্চআদালত #পুলিশবাধা #গৃহভাতাবৃদ্ধি #বাংলাদেশশিক্ষা